Templates by BIGtheme NET
আজ- বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২০ :: ১৩ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ১২ : ১৬ অপরাহ্ন
Home / নীলফামারী / তিস্তা অববাহিকার বসবাসরত পরিবারগুলো চরম সংকটে

তিস্তা অববাহিকার বসবাসরত পরিবারগুলো চরম সংকটে

unnamedইনজামাম-উল-হক নির্ণয়, নীলফামারী ১ জুলাই॥ চব্বিশ ঘন্টা বিপদসীমায় থাকার পর মঙ্গলবার ভোর ৬টায় তিস্তা নদীর পানি ডালিয়া পয়েন্টে বিপদসীমার ১৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। সোমবার ভোর ৬টা থেকে এই পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপদসীমার (৫২ দশমিক৪০) ২৪ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। মঙ্গলবার তিস্তার পানি কমলেও প্লাবিত এলাকার চরগ্রামের পরিবার গুলোর দূর্ভোগ বেড়েছে। সরকারিভাবে এখনও কোন ত্রান সামগ্রী বরাদ্দ দেয়া হয়নি বলে জনপ্রতিনিধিরা জানিয়েছে।

তিস্তার বানের পানিতে এখনও ডিমলা উপজেলার পশ্চিমবাইশপুকুর ও পূর্ববাইশপুকুর গ্রামের এখনও আড়াইশত পরিবারের ঘরবাড়ি তিস্তার পানিতে তলিয়ে রয়েছে বলে খালিশাচাঁপানী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়াডের ইউপি সদস্য রমজান আলী জানান। তিনি বলে এই এলাকায় অপরিকল্পিভাবে সম্প্রতি একটি বাঁধ নির্মান করায় তিস্তার পানি ওই বাঁধে বাধাগ্রস্থ হয়ে পশ্চিমবাইশপুকুর ও পূর্ববাইশপুকুর গ্রামের উপর দিয়ে তিস্তার পানি প্রবাহিত হচ্ছে। তার মতে এমনিতে চলছে পবিত্র রমজান মাস। তার উপর তিস্তায় বান। ফলে তিস্তা অববাহিকার এসব পরিবারের রান্নাবান্নার সমস্যায় পড়ে খাদ্যকষ্টে ভুগছে। দেখা দিয়েছে বিশুদ্ধ পানির চরম সংকট। ফলে কেউ খেয়ে কেউবা না খেয়ে রোজা রাখছে। এসব পরিবারের মাঝে শুকনা খাবার চিড়া গুড় বিতরন জরুরী হয়ে পড়েছে। এ ছাড়া লোকালয়ে বানের পানি প্রবেশ করায় গ্রামীণ রাস্তা দিয়ে চলাচল করা যাচ্ছেনা।

খালিশাচাপানী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সামছুল হুদা জানার এলাকা ঘুরে এসে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবগত করেছি। ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের তালিকা করা হচ্ছে।

পূর্বছাতনাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ খান বলেন তিস্তার বানের পানি কমলেও যে কোন সময় ফের উজানের ঢলে তিস্তায় বন্যা দেবে। বর্ষার সময় বৃষ্টির পাশাপাশি উজানের ঢল অবৗাহত থাকে। ফলে তার ইউনিয়নের ঝাড়শিঙ্গেশ্বর চর গ্রামে বানের পানির সাথে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। আবাদী জমি নদী গর্ভে বিলিন হচ্ছে। সাথে বসতভিটা সরিয়ে নিচ্ছে পরিবারগুলো। ইতোমধ্যে ১৪ পরিবার তাদের ঘরবাড়ি সরিয়ে নিয়েছে।

ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান একরামুল হক চৌধুরী জানান, তার এলাকার সোনাখুলী,ভেন্ডাবাড়ি,ছাতুনামা চরগ্রামের প্রায় ৩ শতাধিক পরিবার তিস্তার বানে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এখনও এসব পরিবারের ঘরবাড়িতে পানি রয়েছে। কাঁচা নলকুপ ও পয়ঃনিস্কাষনের লেট্রিন স¤পুর্ণ নষ্ট হয়েছে। রাস্তাগুলো গর্তের কারণে চলাচল করা যাচ্ছে না।

টেপাখড়িবাড়ী ইউপি সদস্য সাইদুর রহমান জানান, চরখড়িবাড়ীতে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে চরখড়িবাড়ী থেকে একতার বাজার যাওয়ার রাস্তা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোডের তিস্তার ডালিয়া ডিভিশনের বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র জানায় উজানের ঢলে সোমবার ভোর ৬টা থেকে তিস্তা ব্যারাজ ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তানদীর পানি বিপদসীমার (৫২দশমিক ৪০ মিটার) ২৪ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও ২৪ ঘন্টা পর মঙ্গলবার ভোর ৬টায় পানি কমে ১৮ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে (৫২দশমিক ২২ মিটার) প্রবাহিত হচ্ছে। তবে বর্ষা মৌসুমে তিস্তার পানি বৃদ্ধি বা কমতির মধ্যেই থাকবে। সুত্র মতে আবার যে কোন সময় তিস্তা বিপদসীমা অতিক্রম করতে পারে।

পানি উন্নয়ন বোডের ডালিয়া ডিবিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান জানান তিস্তার পানি বিপদসীমার নিচে চলেছে। এরপরও আমরা সর্তকা অবলম্বন করে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪ টি ¯¬ইচ গেট খুলে রেখে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রাখছি।

ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুজ্জামান বলেন, তিস্তার ঢলের পানিতে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকাগুলো ঘুরে ইউপি চেয়ারম্যানদের ক্ষতিগ্রস্থের তালিকা দিতে বলা হয়েছে। তালিকা পেলে বিশেষ বরাদ্দের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে সরকারিভাবে ত্রান বিতরন করা হবে।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful