Templates by BIGtheme NET
আজ- বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২০ :: ১৪ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ৮ : ৩৩ পুর্বাহ্ন
Home / ঠাঁকুরগাও / নেই সংরক্ষণ ব্যবস্থা: নষ্ট হচ্ছে লাখ লাখ টাকার আম

নেই সংরক্ষণ ব্যবস্থা: নষ্ট হচ্ছে লাখ লাখ টাকার আম

Thakurgaon pic-1রবিউল এহসান রিপন, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি ॥ আমসহ দেশি ফল চাষে ঠাকুরগাঁওয়ে চাষিরা ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছে। ফল চাষের জমির পরিমাণ ক্রমশ বাড়ছে। চাষিরা উৎপাদিত ফল বাজারজাত করারও সুযোগ পেয়েছে। উৎপাদিত আমসহ বিভিন্ন ধরনের ফল জেলার চাহিদা মিটিয়েও রাজধানীসহ বিভিন্ন জায়গায় রপ্তানি হচ্ছে। কিন্তু উৎপাদন বাড়লেও আজও এখানে গড়ে ওঠেনি কোন সংরক্ষণ ব্যবস্থা। ফলে প্রতি বছর আম চাষীদের লাখ লাখ টাকার আম নষ্ট হয়।

ঠাকুরগাঁও জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, এ জেলায় সরকারি ও ব্যক্তিগত মালিকানায় ছোট-বড় মিলে প্রায় সাড়ে ৫ হাজার আম বাগান রয়েছে। বর্তমানে বাগানগুলো সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। চলতি বছর জেলার আম বাগানে প্রচুর আম ধরেছে। কৃষকদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে এবং আম উৎপাদন বাড়ানোর জন্য প্রতিবছর প্রশিক্ষণ, আম গাছের পরিচর্যা, সার প্রয়োগ, বয়স্ক আম গাছের পরিবর্তে নুতন নুতন উচ্চ ফলনশীল জাতের চারা রোপণ করা এবং রোগ ও পোকামাকড় দমন করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা প্রয়োজন। আমের ফলন বেশি হলেও পরিবহনের অসুবিধার জন্য কৃষকরা ভালো দাম পান না।

বাগান মালিকরা দালালদের খপ্পরে পড়ে অল্প দামে আম বিক্রি করে থাকেন। অনেক বাগান মালিক পাকা আম সংরক্ষণ করার নিয়ম জানেন না এবং সংরক্ষণ করার কোন ব্যবস্থা না থাকায় প্রতি বছর লাখ লাখ টাকার আম পচে নষ্ট হয়। আম বাগানের উপর বা বাগান করার জন্য কৃষি ব্যাংক কৃষকদের ঋণ বিতরণ করলে আম বাগানের আরো সম্প্রসারণ ঘটবে। ফলের প্রক্রিয়াজাতকরণ সেন্টার স্থাপন করা হলে ঠাকুরগাঁওয়ে ফল নষ্ট হবে না।

এই এলাকায় আম বাগানের উন্নয়ন, ফলন বৃদ্ধি, নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং নুতন জাত সম্প্রসারণে নুতন কলাকৌশল ব্যবহার করার জন্য ঠাকুরগাঁও একটি আম গবেষণাগার স্থাপনা হলে পার্শ্ববর্তী জেলাতেও আম বাগান সম্প্রসারণ হবে। যদিও আমের ফলন বাড়ানোর জন্য গত কয়েক বছর ধরে কৃষি বিভাগ গাছে মুকুল আসার পর হতে চাষীদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ দিয়ে আসছে। ইতিমধ্যে ফলের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য ৪ সহস্রাধিক চাষীকে প্রশিক্ষণ দিয়েছে।

অধিকহারে চাষীদের প্রশিক্ষণ দেয়ার জন্য তাদের মাঝে রোগ প্রতিরোধ, দমন ও আম গাছের পরিচর্যা করার এবং আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় বিগত বছরগুলো থেকে চলতি বছর আমের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। ভারত থেকে উন্নতজাতের আমের চারা আসছে। এগুলো হলো সুবর্ণ, মল্লিকা, হাইব্রিড-১০, আম্রপলি, বারোমাসি ও রতœা ইত্যাদি। চাষীরা উৎপাদনে বেশি ফলন পাওয়ায় এগুলোর উপর জোর দিচ্ছে। সেই সাথে দেশি জাতের সূর্যপরী, ল্যাংড়া, ফজলী, ক্ষীরসাপাত, গোপালভোগ, মিসরিভোগ, বোম্বাই, গোপালখাস, কোহিতুর ও অন্যান্য জাতের উন্নতির জন্য সরকারিভাবে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে জাত উন্নয়ন ঘটানো প্রয়োজন।

ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক কমল কুমার সরকার জানান, ঠাকুরগাঁও কৃষিপ্রধান জেলা। এ জেলায় ৮০ ভাগ লোকই কৃষি কাজের সাথে জড়িত। এ জেলায় সবজি, ধানসহ বিভিন্ন ফসল ব্যাপকভাবে উৎপাদন হয়। সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণের সুযোগ না থাকায় মৌসুমে কয়েক কোটি টাকার ফল ও সবজি নষ্ট হচ্ছে।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful