Templates by BIGtheme NET
আজ- বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২০ :: ১৬ আশ্বিন ১৪২৭ :: সময়- ৭ : ৪৯ অপরাহ্ন
Home / কুড়িগ্রাম / কচাকাটায় কর্ম-সৃজন প্রকল্পের ব্যাপক দুর্নীতি! চেয়ারম্যানের জামাতা ও শ্যালিকা তালিকায়।

কচাকাটায় কর্ম-সৃজন প্রকল্পের ব্যাপক দুর্নীতি! চেয়ারম্যানের জামাতা ও শ্যালিকা তালিকায়।

কচাকাটা প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের কচাকাটা থানার কচাকাটা ইউনিয়নের কর্ম-সৃজন প্রকল্পের ব্যাপক দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে। সরকার হত-দরিদ্রদের সাহায্যার্থে কর্মহীন দিনগুলোতে ৪০ দিনব্যাপী কর্ম-সৃজন প্রকল্প নামে একটি প্রকল্প চালু করে যা ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক পরিচালিত হবে। যারা দিন মজুর তারা এ প্রকল্পের সুবিধা ভোগ করবে। প্রকল্পের নিয়ম অনুযায়ী এর সদস্য-গন নতুন রাস্তা বা পুরাতন রাস্তা মেরামত সহ মাটিকাটার কাজ করবে এবং দিনমজুররাই এর একমাত্র সদস্য হতে পারবে এর বিপরীতে প্রত্যেক সদস্যকে দেয়া হবে ১৭৫ টাকা প্রতিদিনের মজুরী হিসেবে। প্রকল্পের নিয়ম না মেনে কচাকাটা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও প্রকল্প চেয়ারম্যানগণ সরকারের টাকা হাতিয়ে নেয়ার জন্য নিজেদের আত্মীয়স্বজনদের প্রকল্পের সদস্য করেছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় সদস্যর তালিকায় চেয়ারম্যানের নিজের জামাতা ও শ্যালিকার নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে তারা তালিকাভুক্ত হলেও প্রকল্পে কোন দিন আসেনি মাটিকাটার জন্য। অন্যদিকে ইউনিয়ন পরিষদের তথ্য-সেবায় কর্মরত ব্যক্তি সহ গ্রাম পুলিশরাও বাদ যায়নি নিজেদের নাম অন্তর্ভুক্তি থেকে। এছাড়াও আছে ভুয়া নামধারী সদস্য যাদের কোন দিন কর্ম এলাকায় দেখা যায়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। আরো জানা যায় নির্ধারিত প্রকল্পের কাজ না করিয়ে চেয়ারম্যান এবং ইউপি সদস্যগণ নিজেদের বাড়িতে মাটি কাটিয়ে নিয়েছে। এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর অভিযোগ করা হয়েছে বলে সূত্র জানায়। তথ্যানুযায়ী অত্র ইউনিয়নে সর্বমোট ৫টি প্রকল্প চালু আছে আর ঐসব প্রকল্পে সর্বমোট ৪১৪ জন সদস্য রয়েছে। এ পাঁচটি প্রকল্পের মধ্যে ১ নং প্রকল্পে ৪০ জন যার প্রকল্প চেয়ারম্যান ইউপি সদস্য মইনুল ইসলাম, ২ নং প্রকল্পে ৭০ জন প্রকল্প চেয়ারম্যান ইউপি সদস্য মোহাব্বত আলী, ৩ নং প্রকল্পে ১১২ জন প্রকল্প চেয়ারম্যান ইউপি সদস্য মমিনুল ইসলাম মমিন, ৪ নং প্রকল্পে ১৫৬ জন প্রকল্প চেয়ারম্যান মহিলা সদস্য জুলেখা ৫ নং প্রকল্পে ৬২ জন প্রকল্প চেয়ারম্যান ইউপি সদস্য আবুল কাসেম। প্রকল্পগুলো সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে ১নং প্রকল্পের কাজ সঠিকভাবে করলেও ২ নং প্রকল্পে অনুপস্থিত ছিলো ২১ জন যার মধ্যে মোঃ মহির উদ্দিন, মোছাঃ বিলকিছ, মোকাদ্দেছ, মাজেদা, আলমামুন, মহির উদ্দিন, ছায়েদ, ফাতেমা, ছামেনা, কাচু, ছাত্তার, রহিম মোট ১২ জন একেবারেই আসেনা, ৩ নং প্রকল্পে অনুপস্থিত ছিলো ৩২ জন তার মধ্যে বারু(চেয়ারম্যানের পি এস) রফিকুল, সহিদুল, মোস্তাফিজুর ( তথ্য-সেবায় কর্মরত) হযরত, আনোয়ার, নূরসিদ্দক, রাজ্জাক, জবেদা, শাহাদত, মিন্টু, মোহাম্মদ, আয়নাল,জবেদা((চেয়ারম্যানের শ্যালিকা) আজিজুল ((চেয়ারম্যানের জামাতা) বকছের, ফুলভান, এছাভান, শহিদা, সৈফুর, আফরুজা, আনোয়ার ২২ জন চেয়ারম্যানের আত্বিয় ও পরিষদেও বিভিন্ন কর্মকর্তা তারা কোনভাবেই মাটিকাটার সাথে সম্পর্কিত নয় ৪ নং প্রকল্পে ১৫৬ জনের মধ্যে ৬০ জনই অনুপস্থিত এদের মধ্যে অধিকাংশই রয়েছে ভুয়া নামধারী, ৫নং প্রকল্পে অনুপস্থিতির হার ছিলো অর্ধেক এদের তালিকায় মেলে গ্রাম পুলিশের সদস্যের নাম হাছেন আলী, আব্দুল আউয়াল, ছাইদুল সহ প্রকল্প চেয়ারম্যানের ছেলের নাম ও পরিবারের সদস্যদের নাম। এব্যাপারে কয়েকজন প্রকল্প চেয়ারম্যানদের সাথে কথাবলে জানা যায় বিভিন্ন রাজনৈতিক চাপ ও নিজেদের প্রয়োজনে এমন সদস্যদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। মাটিকাটা ও হাজিরার প্রশ্নে তারা জানায় এরা সবাই ভদ্র ঘরের সন্তান কিভাবে মাটিকাটে, মাটি না কাটলেও তাদের নাম হাজিরা খাতায় উপস্থিত দেখানো হয়। এ প্রসঙ্গে ইউনিয়ন সুপারভাইজার হাসনাত মিঞার সাথে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জানায়। তবে ইউনিয়নবাসী জানায় কর্ম-সৃজন প্রকল্পে চেয়ারম্যান এবং ইউপি সদস্যগণ নিজেদের পরিবারের সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত করে সম্পূর্ণ অর্থ আত্মসাৎ করছে আর স্বাভাবিক নিয়মে যে সকল সদস্য অন্তর্ভুক্ত করেছে তার পেছনে সদস্যদের গুনতে হয়েছে ১৫০০ টাকা হতে ২০০০ টাকা।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful