Templates by BIGtheme NET
আজ- শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২০ :: ৯ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ৪ : ১৮ পুর্বাহ্ন
Home / আলোচিত / সংসদে জাসদ-জাপা বাগ্‌যুদ্ধ!

সংসদে জাসদ-জাপা বাগ্‌যুদ্ধ!

parliamentবঙ্গবন্ধু হত্যার জন্য জাসদ এবং জাতীয় পার্টি পরস্পরকে দোষারোপ করলে কিছুক্ষণের জন্য সংসদ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। স্পর্শকাতর এই ইস্যু নিয়ে রীতিমতো বাকযুদ্ধে লিপ্ত হন জাতীয় পার্টির কাজী ফিরোজ রশীদ এবং জাসদের মঈনউদ্দিন খান বাদল। বৃহস্পতিবার চলতি অধিবেশনের শেষ দিনে অনির্ধারিত এই বিতর্ক হয়েছে।
   
এই বিতর্কের সূচনা করেন জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ। এর পাল্টা জবাব দেন জাসদের মঈনুদ্দিন খান বাদল। এ সময় বিরোধী দলের বেঞ্চে বসা জাসদ ও জাতীয় পার্টির সদস্যরা নিজ নিজ আসনে দাঁড়িয়ে চিৎকার করতে থাকেন। সামনের সারির কাজী ফিরোজ রশিদ পেছনের সারির পীর ফজলুর রহমান মিসবাহসহ জাতীয় পার্টির এমপিরা এ সময় নিজ নিজ দলের পক্ষে বক্তব্য রাখতে চেষ্টা করেন।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের বেসরকারী সদস্য দিবসে সিদ্ধান্ত প্রস্তাব উত্থাপন করতে গিয়ে কাজী ফিরোজ রশিদ বলেন, স্বাধীনতার পর জাসদ সৃষ্টি না হলে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার সাহস কেউ দেখাতো না। তারা গণবাহিনীর নামে প্রতিবিপ্লবের স্বপ্ন দেখিয়ে এদেশের হাজার হাজার মেধাবী যুবককে হত্যা করেছে। মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা করা হয়েছে। গণমানুষকে হত্যা করা হয়েছে। 

তার এই বক্তব্যের পর ফিরোজ রশিদের বক্তব্য খন্ডন করতে গিয়ে পয়েন্ট অব অর্ডারে ফ্লোর নিয়ে জাসদের কার্যকরী সভাপতি মঈনুদ্দীন খান বাদল বলেন, ফিরোজ রশিদ সাহেব অনাকাঙ্খিতভাবে গণবাহিনীসহ নানা প্রসঙ্গ তুলে বিতর্ক সৃষ্টি করেছেন। সরকারি দলের সদস্যরা তার বক্তব্যকে সমর্থন জানাচ্ছেন। এভাবে সরকারের এক শরিককে খুশি করতে গিয়ে আরেক শরিককে জবাই করা হচ্ছে। অথচ যাদের খুশি করা হচ্ছে তাদের বিষয়ে ১৯৮১ থেকে ৯০ সাল পর্যন্ত গণতন্ত্র হরণসহ যে গণহত্যা চালিয়েছে সে অভিযোগও আমরা তুলতে পারিনা।

মঈনুদ্দীন খান বাদলের এ বক্তব্যে সাময়িকভাবে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে সংসদ কক্ষে। তবে হুইপদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি বেশি দূর গড়াতে পারেনি। পরে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ সমাপনী বক্তব্য দিতে দাঁড়িয়ে শুরুতেই বলেন, সংসদের বৈঠকের পর কাজী ফিরোজ রশিদ এবং মইনুদ্দীন খান বাদল মিলেমিশে নিজেদের মধ্যে ঘটে যাওয়া তিক্ততার অবসান ঘটাবেন বলে আমি আশাবাদী।

এরআগে কাজী ফিরোজ রশিদ ভারত থেকে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত বিএলএফ মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা আনার জন্য সংসদে দাবি উত্থাপন করেন। মুক্তিযোদ্ধামন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক সিদ্ধান্ত প্রস্তাবটি সমর্থন করলে সংসদে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful