Templates by BIGtheme NET
আজ- রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২০ :: ১০ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ২ : ৪৯ পুর্বাহ্ন
Home / উত্তরবাংলা স্পেশাল / উলিপুরে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভূক্ত হতে পারেনি প্রায় ২০ হাজার মানুষ

উলিপুরে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভূক্ত হতে পারেনি প্রায় ২০ হাজার মানুষ

electionতৈয়বুর রহমান, কুড়িগ্রাম:কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রমের তথ্য-সংগ্রহকারিরা বাড়ী বাড়ী না যাওয়ায় প্রায় ২০ হাজার প্রাপ্ত বয়স্ক যুবক-যুবতি ভোটার হতে পারেনি।

হাতিয়া ইউনিয়নের অনন্তপুর মাঝিপাড়া, হাতিয়ার মেলা, গুনাইগাছ ইউনিয়নের পশ্চিম কালুডাঙ্গা, জুম্মাহাট, মাঝিপাড়া, নাগড়াকুড়া ও পৌরসভার কাছারী পাড়া, জোদ্দার পাড়া, জুম্মারপাড় ও নারিকেল বাড়ি এলাকায় ঘুরে এমন তথ্যই পাওয়া গেছে।

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মোতাবেক, উপজেলার ১৩ টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় ১৫ জুন থেকে ২৪ জুন পর্যন্ত বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করার কথা। কিন্তু উপজেলার বেশীরভাগ গ্রামে ভোটার হালনাগাদ এর জন্য কোন তথ্য সংগ্রহকারীর তৎপরতা পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট বিভাগ এ উপজেলার ভোটার তালিকা হালনাগাদের কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ২৯ জন সুপারভাইজারসহ ১৬৮ জন তথ্যসংগ্রহকারী নিয়োগ দেন। তাদেরকে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণও দেয়া হয়। নিয়ম অনুযায়ী তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার হয়নি এমন প্রাপ্ত বয়স্কদের তালিকা করবেন। এরপর তালিকা অনুযায়ী ছবি তোলার কাজ শুরু করার কথা। ছবি তোলার জন্য বিভিন্ন ইউনিয়নের নির্দিষ্ট স্থান ঘোষণা করায় উপজেলা জুড়ে বঞ্চিত ভোটার ও তাদের অভিভাবক মহলে তোলপাড় শুরু হয়েছে। তারা উপজেলা নির্বাচন অফিসে গিয়ে মুহু মুহু বাকবিতন্ডায় জড়াচ্ছেন। জন প্রতিনিধিরাও তাদের দায়িত্ব পালনে এ ক্ষেত্রে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে।

অভিযোগ উঠেছে, প্রচার-প্রচারণা ও সংশিষ্ট অফিসের তদারকির অভাবে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কাজে হ-য-ব-র-ল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, নিয়োগকৃত সুপারভাইজারদের দায়িত্ব পালনে অবহেলা ও মনিটরিং না করায় তথ্য সংগ্রহকারীরা তাদের কাজে পুরোপুরি ফাঁকি দেন। এ অবস্থায় বাড়িতে বসে দায়সারাভাবে মাত্র ৮ হাজার নতুন ভোটারকে তালিকা ভূক্তি করানো হয়। এ তালিকায় অধিকাংশ ভোটারের নাম, ঠিকানা, জন্ম তারিখসহ তথ্য বিভ্রাট রয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, উপজেলা নির্বাচন অফিসার তার পছন্দের শিক্ষক ও কর্মচারিদের নিয়োগ দেয়ায় ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রমে এ অচল অবস্থার সৃষ্টি হয়। উপজেলা সদরের কাছারী পাড়ার আফজাল হোসেন জানান, তার নাতির বয়স ১৮ বৎসর পূর্ণ হয়েছে। বিষয়টি অফিসে গিয়ে জানানোর পর এখন পর্যন্ত কেউ আসেনি। উপজেলা চত্বরের ক্যান্টিন মালিক এরশাদ, সাবেক পৌর কমিশনার আব্দুল মোত্তালেব, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ইকবাল হোসেন চাঁদসহ অনেকেই জানান, তাদের বাড়িতে ভোটার হওয়ার মত ছেলে-মেয়ে থাকলেও গত ৩ জুলাই পর্যন্ত কোন তথ্য সংগ্রহকারী যায়নি।

উপজেলার হাতিয়া ইউনিয়নের মৎসজীবি আলসিয়া জানান, তার ছেলের ২০ বছর পূর্ণ হলেও তিনি জানেন না ভোটার তালিকা তৈরির কাজ চলছে। মাঝিপাড়া এলাকার প্রায় ৩ শত বাড়ীতে কোন তথ্য সংগ্রহকারি যায়নি। উপজেলার দলদলিয়া ইউনিয়নের চর কর্পূরা গ্রামের শতাধিক বাড়ীতে তথ্য সংগ্রহকারি যায়নি বলে ঐ গ্রামের জয়নাল মিয়া, আবু হানিফ জানান।

থেতরাই ইউনিয়নের চর গোড়াইপিয়ার এলাকা ছলিম উদ্দিন জানান, তাদের গ্রামের কেউই জানেন না কবে থেকে ভোটার তালিকার কাজ শুরু হয়েছে। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাচন অফিসার সাংবাদিকদের জানান, তথ্য সংগ্রকারিরা দায়িত্ব পালনে অবহেলা করলে যথাযথ কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করবে।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful