Templates by BIGtheme NET
আজ- মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২০ :: ১২ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ১২ : ৪৮ অপরাহ্ন
Home / স্পোর্টস / আর্জেন্টিনা ফেবারিট, তারপরও ভয় থাকছেই

আর্জেন্টিনা ফেবারিট, তারপরও ভয় থাকছেই

স্পোর্টস  ডেস্ক : হিসেবটা জটিল। হারলেই যত উন্মাদনা থাকুক দল নিয়ে সব স্বপ্ন শেষ। ফিরে আসার রাস্তা নেই। কেঁদে-কেটে ফিরে যেতে হবে দেশে। এই বাস্তবতা জেনেও ব্রাজিলের সহজ সেমিফাইনাল বির্নিমাণের পর আর্জেন্টিনাকে নিয়েও সহজ সমীকরণ মিলানোর চেষ্টা করছেন ভক্তারা। ব্রাজিলকে নেইমার প্রধান বলা হলেও কিন্তু সিলভা-টিলভারা দুর্দান্ত পারফরমার। সেখানে আর্জেন্টিনাকে একটু বেশি অনিরাপদই মনে করছেন বোদ্ধারা। এখানে মেসি নেই তো ‘পেশী’ শেষ। তৃতীয় কোয়ার্টার ফাইনালে শনিবার রাত ১০টায় মেসির আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হচ্ছে সোনালি ফুটবল দল বেলজিয়াম। তারা যে ফেলনা নন, তাও কিন্তু ঠিকই বুঝেছেন সাবেলা। যদিও ফেবারিট বিবেচনায় এগিয়ে জননন্দিত আর্জেন্টিনাই।

ম্যাচের সব রকম পরিসংখ্যান বলে দিচ্ছে, ম্যাচটায় আর্জেন্টিনাই ফেবারিট। এমনকি শিরোপা জয়ের সম্ভাবনাও রয়েছে ৫৮ শতাংশ। বেলজিয়াম সেখানে অনেকটা পিছিয়ে। তাদের সম্ভাবনা ৪১ শতাংশ, কিন্তু নকআউটে সুইজারল্যান্ড ম্যাচে মেসিদের পারফরম্যান্সে অনেকে সিঁদুরে মেঘ দেখছেন। ওই ম্যাচেই বড় একটা প্রশ্নের জায়গায় সাবেলা নিজেই বোধহয় দাঁড়িয়ে। সামনে মেসি, হিগুয়াইনের পাশে ডান দিকে উইংয়ে কে লাভেজ্জি, না পালাসিও! আগের ম্যাচে মাঝমাঠে মেসি গোলের বলটা ধরেছিলেন পালাসিওর পাস থেকেই। তবে একটা সুখবর। আগেরো ম্যাচে খেলছেন। মিডিয়ার চাপও আকাশচুম্বী। এক প্রশ্নের উত্তরে সাবেলা বলেছেন, ‘দেখুন, মেসি বিশ্বের সেরা ফুটবলার। যেকোনো টিমই ওর ওপর নির্ভর করত, কিন্তু এই টিমটা নিজেদের দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন। মেসির কাছে সবাই একটু বেশি কিছু আশা করে। খুব স্বাভাবিক, তাই না!’

বেলজিয়াম শিবিরে সবচেয়ে স্বস্তির জায়গাটা বোধহয় একটি পুরনো ইতিহাস। ১৯৮২ সালে মারাডোনার আর্জেন্টিনাকে প্রথম ম্যাচেই হারিয়েছিল বেলজিয়াম। ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি যেকোনো অঘটন হবে না সেটা টুর্নামেন্টে আসার আগে এনজো শিফোর সাক্ষাৎকারে বোঝা যাচ্ছিল। শিফো বলেছেন, ‘অসাধারণ কিছু প্লেয়ার আছে এ বারের টিমটায়। আমি বলছি নকআউট স্টেজে ওরা অনেক অঘটন ঘটিয়ে দিতে পারে। নির্ভর করছে শুধু সেই দিনটার ওপর।’ সাবেলাও বলেছেন, ‘১৯৮২ সালে ওই টিমটা ওদের গোল্ডেন জেনারেশন ছিল। আমি বলব এই টিমটাও তাই। আসলে বিশ্বকাপটাই এখন অনেক ওপেন হয়ে গিয়েছে। এখন আর ছোট বড় টিম বলে কিছু হয় না। প্রতিটা দেশের প্লেয়াররা এখন ইউরোপের লিগে খেলছে। বিদেশে খেলে তৈরি থাকছে। প্রত্যেকের শক্তি, দুর্বলতাগুলো সবাই জানে। ফলে আলাদা করে আর ফেভারিট বলা যাবে না কাউকেই। নকআউট স্টেজে কতগুলো ম্যাচ একস্ট্রা টাইমে গেল দেখুন, তা হলেই বুঝে যাবেন।’

আর্জেন্টিনার সবটাই তো মেসি নির্ভর। মেসিকে থামালেই সব শেষ। আর মেসিকে থামানোর দায়িত্ব নাকি থাকতে পারে অ্যালেক্স উইটসেলের ওপর। এই টুর্নামেন্টে হ্যাজার্ড, লুকাকুদের পাশেচোখে পড়ছে রাশিয়ান ক্লাব জেনিতের এই মিডফিল্ডারকে। প্রচণ্ড টাফ। একটা সময় বেলজিয়ান লিগে নাকি ট্যাকল করে ওয়াসিলুয়েকি নামে এক ফুটবলারের পা ভেঙে দেন। প্রচণ্ড বিতর্ক হয়েছিল সেই সময়। খুনের হুমকিও পেয়েছিলেন। বেলজিয়ান ফুটবল ফেডারেশন সাসপেন্ডও করেন। সেখান থেকে কামব্যাক করে উইটসেল শনিবারের ম্যাচে মেসির দায়িত্বে। আর্জেন্টিনা শিবির অবশ্য তাতে পাত্তা দিচ্ছে না। পরিসংখ্যান হিসেব-সমীকরণেও কিন্তু সমানে সমান। বিশ্বকাপে একবার ব্রাজিল তো পরের বার বেলজিয়াম জিতেছে।

 

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful