Templates by BIGtheme NET
আজ- রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২০ :: ১০ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ১১ : ০১ পুর্বাহ্ন
Home / নীলফামারী / নীলফামারীর কিশোরীগঞ্জ উপজেলাকে ভিক্ষুক মুক্ত ঘোষণা

নীলফামারীর কিশোরীগঞ্জ উপজেলাকে ভিক্ষুক মুক্ত ঘোষণা

unnamedইনজামাম-উল-হক নির্ণয়, নীলফামারী ৫ জুলাই॥ নীলফামারীর কিশোরীগঞ্জ উপজেলার ৯ ইউনিয়নকে ভিক্ষুকমুক্ত এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে। ৯১৬ জন ভিক্ষুককে পুনর্বাসনমূলক প্রকল্পের আওতায় এনে শনিবার দুপুরে মানবতার সমাবেশের মাধ্যমে উপজেলা পরিষদের আ¤্র কানন মাঠে নীলফামারী ৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বিরোধীদলীয় হুইপ জেলা জাতীয়পাটির সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব শওকত চৌধুরী প্রধান অতিথি এবং নীলফামারী ৩ আসনের সংসদ সদস্য জলঢাকা উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে এ ঘোষনা দেন।

কিশোরীগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমানের সভাপতিত্বে ওই মানবতার সমাবেশে উপজেলার পুনর্বাসনকৃত ভিক্ষুক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ, ৯ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ,ইউপি সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান রশিদুল ইসলাম, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আ,ন,ম নুরুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার হাবিবুর রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জাকির হোসেন বাবুল, বড়ভিটা ইউপি চেয়ারম্যান ফজলার রহমান, পুটিমারী ইউপি চেয়ারম্যান আতাউর রহমান শাহ, পুটিমারী ইউপি চেয়ারম্যান আবু সায়েম লিটন, কিশোরীগঞ্জ থানার ওসি শাহ আলম প্রমুখ। অনুষ্ঠানে ৯১৬ জন ভিক্ষুক কে তাদের বাড়িতে রোপনের জন্য দুটি করে কাঠাল গাছের চারা প্রদান করা হয়।
বাহাগীলি থেকে আসা মরিতন নামের এক ভিক্ষুক জানান, ভিক্ষা করা অসম্মানের কাজ। ভিক্ষা করতে ভালো লাগেনা। মানুষ ভিক্ষা চাইলে খারাপ ব্যবহার করে। কিন্তু তারপরও পেটের তাগিদে ভিক্ষা করতে হয় বলে জানান তারা।

সমাবেশে আসা হাসান আলী, অমিছন, জলিল নামের কয়েকজন কৃষক জানান, ভিক্ষা করা খুব কষ্টের কাজ। রোদ-বৃষ্টি-ঝড়েও ভিক্ষা করতে নয়। ভিক্ষা করতে না পারলে না খেয়ে থাকতে হয়।
জ্যোৎনা ও কেশবা নামের দুজন ভিক্ষুক জানান, সরকার যদি ব্যবস্থা করে দেয় তাহলে আর ভিক্ষা করবোনা। ভিক্ষা করা ভালোনা।

কিশোরীগঞ্জ উপজেলাকে ভিক্ষুক মুক্ত ঘোষনা বিষয়ে নির্বাহী কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমান জানান উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে তিন দফায় জড়িপ চালিয়ে যাচাই বাছাই করে ৯১৬ জন ভিক্ষুকের তালিকা করা হয়। এরপর স্থানীয়ভাবে সমাজসেবক ও স্থানীয় সংসদ সদস্যদের মাধ্যমে ভিক্ষুক পুনর্বাসন কমিটি ও তহবিল গঠন করা হয়। তহবিল গঠনে উপজেলার সোনালী ব্যাংক ও বিকাশে একাউন্ট খোলা হয়। ইতো মধ্যে ৯১৬ জন ভিক্ষুক কে বিভিন্ন স্থরে নেয়া হয়। এর মধ্যে ১৩৭ জন ভাতাভোগী unnamed (1)ভিক্ষুককে দেড়হাজার করে টাকা ব্যয় করে ব্যবসার উপকরন ও দ্রব্য সামগ্রী দিয়ে আয় বর্ধক কাজের মাধ্যমে পুনর্বাসন করা হয়। ২৩১ জন ভিক্ষুকের অনুকুলে ২ হাজার ৪শত করে টাকা দিয়ে একটি বাড়ি একটি খামারের সদস্য করন করা হয়। ২৩১ জন ভিক্ষুককে বয়স্কভাতা,বিধবাভাতা ও ৪০ দিনের কর্মসুচীতে অন্তর্ভুক্তকরন ৫৪৬ জন বয়স্ক ভিক্ষুককে বয়স্ক ভাতা,২০৯ জন ভিক্ষুককে বিধবা ভাতা ও ৬২ জনকে প্রতিবন্ধী ভাতা প্রদান,উপজেলা পরিষদে পাবলিক টয়লেট নির্মাণ করে দুজন ভিক্ষুককের কর্মসংস্থান সহ দুই ধরনের সুযোগ-সুবিধা দিয়ে তাদের আর্থিক ও সামাজিক দৈন্যতা দুরীকরনের মাধ্যমে পুনর্বাসন করা হয়। এরপরেও কোন ভিক্ষুকের মৌলিক চাহিদা দেখা দিলে পুনর্বাসন কমিটি তার ব্যবস্থা গ্রহন করবে।

ভিক্ষুক মুক্ত ওই মানবতার সমাবেশে উপজেলার ৯ ইউনিয়নকে ভিক্ষুক মুক্ত ঘোষনার পর পুনর্বাসনকৃত ভিক্ষকদের জানিয়ে দেয়া হয় তারা যদি এরপরেও কোন ভিক্ষুক নেশায় বা পেশায় ভিক্ষা করার চেষ্টা করেন তাহলে অন্যকে বিরক্ত করার দায়ে বাংলাদেশ দন্ডবিধির ২৬৮ ধারায় অপরাধী হবেন এবং ২৯১ ধারায় ৬ মাসের বিনাসশ্রম কারাদন্ড বা ১ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয়বিদ দন্ডে দন্ডিত করা হবে।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful