Templates by BIGtheme NET
আজ- শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২০ :: ৯ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ৯ : ৫০ পুর্বাহ্ন
Home / টপ নিউজ / সমুদ্রসীমা নির্ধারণের রায় আজ

সমুদ্রসীমা নির্ধারণের রায় আজ

উত্তরবাংলা ডেস্ক: আজ সোমবার নেদারল্যান্ডসের স্থায়ী সালিশি আদালত (পার্মানেন্ট কোর্ট অব আর্বিট্রেশন-পিসিএ) বাংলাদেশ ও ভারতের সমুদ্রসীমা নির্ধারণের রায় ঘোষণা করতে যাচ্ছে।
তবে রায়টি জানা যাবে ৮ জুলাই মঙ্গলবার। রবিবার বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এর আগে গত শনিবার কানাডা ভিত্তিক বাংলা অনলাইন নতুন দেশ ডটকম-ও এ খবর প্রকাশ করে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, পিসিএ’র কার্যবিধি অনুযায়ী রায়টি আজ সোমবার ঘোষণা করা হলেও সেটি ৮ জুলাইয়ের আগে জনসমক্ষে প্রকাশ করা যাবে না। আদালতের কার্যবিধি অনুযায়ী, গত জুন মাসে রায় ঘোষণার কথা ছিল। কিন্তু তা বিলম্বিত হয়।
নেদারল্যান্ডসের রাজধানী হেগে অবস্থিত স্থায়ী শালিসি আদালতে ২০১৩ সালের ৯ থেকে ১৮ ডিসেম্বর সমদ্রসীমা নির্ধারণের পক্ষে বাংলাদেশ ও ভারত যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করে। শুনানি শেষে আদালতের পক্ষ থেকে বলা হয়, কার্যবিধির ১৫ ধারা অনুযায়ী, ছয় মাস পর এই দুই নিকট প্রতিবেশীর সমুদ্রসীমা নির্ধারণের রায় দেয়া হবে।
সূত্র জানায়, গত ১৮ ডিসেম্বর ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা মামলার শুনানি শেষ হয়। শুনানির ছয় মাসের মধ্যে রায় ঘোষণার কথা জানায় স্থায়ী শালিসি আদালত। অমিমাংসিত সমুদ্রসীমা নিয়ে প্রায় তিন বছর ধরে মামলা চলার পর রায় পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।
দুই দেশের জলসীমা শুরু হবে কোত্থেকে, সেটাই ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বিরোধের মূল বিষয়। এছাড়া ভূমিরেখার মূল বিন্দু থেকে সমুদ্রে রেখা টানার পদ্ধতি নিয়েও মতবিরোধ রয়েছে। সালিশি আদালত দুই দেশের উপস্থাপিত যুক্তিতর্ক এবং মেমোরিয়াল ও কাউন্টার মেমোরিয়াল বিবেচনা করে রায় প্রকাশ করবে।
প্রতিবেশী দুটি দেশের মধ্যে সমুদ্রসীমা নিয়ে বিরোধ নিষ্পত্তির আলোচনা শুরু হয় ১৯৭৪ সালে। এর পর প্রায় আড়াই দশক দুদেশের মধ্যে এ আলোচনা থেমে থাকে। দীর্ঘ বিরতির পরে আবার সমুদ্রসীমা বিরোধের আলোচনা শুরু হয় ২০০৮ সালের শুরুতে।
কিন্তু ভারত ও মিয়ানমারের সাথে তিন দশকের বেশি সময় ধরে আলোচনার পরেও অগ্রগতি না হওয়ায় ২০০৯ সালের ৮ অক্টোবর শালিসি আদালতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। এ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্রসীমা নির্ধারণের জন্য বাংলাদেশ জার্মানির হামবুর্গভিত্তিক সমুদ্র আইনবিষয়ক আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে (ইটলস) মামলা করেছিল।
আর ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা নির্ধারণের মামলা করেছিল স্থায়ী শালিসি আদালতে। ২০১২ সালের ১৫ মার্চ ইটলস বাংলাদেশের পক্ষে রায় দেয়।
প্রসঙ্গত, ভারতের সঙ্গে সমদ্র্রসীমা নিয়ে বিরোধে আন্তর্জাতিক সালিশি আদালতে দায়ের করা আবেদনে বাংলাদেশের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পদে রদবদল হলেও তিনিই এখনও এই মামলায় বাংলাদেশের প্রতিনিধি।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful