Templates by BIGtheme NET
আজ- শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২০ :: ৯ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ১১ : ৫৭ অপরাহ্ন
Home / রংপুর / সড়কে মাটি না কেটে বরাদ্দকৃত সম্পুর্ন টাকাই আত্মসাত !

সড়কে মাটি না কেটে বরাদ্দকৃত সম্পুর্ন টাকাই আত্মসাত !

KABITAপীরগঞ্জ(রংপুর)প্রতিনিধিঃ পীরগঞ্জে উপজলায় কাবিটা প্রকল্পের বেশ কয়েকটিতে কোন প্রকার কাজ না করেই সম্পুর্ন বরাদ্দকৃত টাকা আত্মসাত করা হয়েছে মর্মে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসব প্রকল্পে নামের সাথে কাজের এবং কাজের সাথে উত্তোলিত টাকার কোন মিল নেই।

কর্তৃপক্ষ জানান,চলতি মওসুমে মদনখালী ইউনিয়নের ‘বারুদহ হতে রাশেদুলের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা নির্মান প্রকল্পে ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা, চৈত্রকোল ইউনিয়নের চৈত্রকোল গভীর নলকুপ হতে বটগাছ পর্যন্ত রাস্তা নির্মান প্রকল্পে ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা,ধুলগাড়ি হতে ঈদগাহ মাঠ পর্যন্ত রাস্তা নির্মান ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হলে সংশ্লিষ্ট প্রকল্প চেয়ারম্যানগন কোন প্রকার কাজ না করেই বরাদ্দকৃত টাকা সম্পুর্ন আত্মসাত করেছেন।

জানা গেছে, গ্রামীন অবকাঠামো সংস্কার (কাবিটা-২য় পর্যায়) সাধারন কর্মসূচী নামক কাজের বিনিময়ে টাকা (কাবিটা) প্রকল্পে ওই টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। বারুদহ হতে রাসেদুলের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তা নির্মাণ প্রকল্পের চেয়ারম্যান মদনখালী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আব্দুল মান্নান ৭ মাস পুর্বে কর্মসৃজন কর্মসুচির শ্রমিকদের দ্বারা মাটি কেটে কাবিটা হিসেবে চালিয়ে দিয়ে সম্পুর্ন বরাদ্দ উত্তোলন পুর্বক আত্মসাত করেছেন। প্রকল্প চেয়ারমান, ইউপি সদস্য আব্দুল মান্নানের সাথে কথা হলে তিনি প্রকল্পের অবস্থান কোথায় এবং নাম কি তাও জানেন না বলে জানান।

সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আব্দুর রহমান জানান-গত বছর বরাদ্দকৃত ১৩মে.টন চাউল দিয়ে ওই রাস্তায় মাটি কাটা হয়েছিল। তখন ওই প্রকল্পের চেয়ারম্যান ছিলেন ইউপি সদস্য মনোয়ার হোসেন। এবারে ওই প্রকল্পে ইউপি সদস্য আব্দুল মান্নান কে প্রকল্প চেয়ারম্যান করা হয়েছে। কাজের পর আমরা ৬ হাজার টাকা করে ভাগ-বাটোয়ারাও করে নিয়েছি। পরে আর বরাদ্দ না পাওয়ায় এ বছর প্রাপ্ত বরাদ্দকৃত টাকা সমন্বয় (এডজাষ্ট) করা হয়েছে।

ইউপি চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মঞ্জু বলেন‘ কাজ না দেখে কি অফিস টাকা দিয়েছে। প্রকল্প বান্তবায়ন কর্মকর্তা শরফুল ইসলাম বলেন-উক্ত রাস্তায় বরাদ্দ পাওয়ার আশায় অগ্রীম কাজ করা হয়েছিল। পরবর্তীতে সেই বরাদ্দ আর আসেনি। এজন্য এ বছর ওই টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। চৈত্রকোল গভীর নলকুপ হতে বটগাছ পর্যন্ত রাস্তা নির্মান প্রকল্পের চেয়ারম্যান সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্য ছাইফুন্নহার কোন প্রকার মাটি না কেটেই বরাদ্দকৃত টাকা উত্তোলন করেছেন ভুয়া ভাউচার দাখিলের মাধ্যমে। ওই রাস্তার পাশের এক জমি মালিক জানান,তার জমিতে বর্তমানে কলার কাদি এসেছে। ওই কলা রোপনের আগে ভুট্টা ছিল। সে সময় ভুট্টার গাছ কেটে জমি থেকে মাটি কাটা হয়েছিল।

ছাইফুন্নহারকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হলে পাশে উপবিষ্ট চৈত্রকোল ইউনিয়ন পরিষদের সচিব শহিদুল ইসলাম উপযাচক হয়ে উল্টো প্রশ্ন করে বলেন “পদ্মা সেতুতে ৩ কোটি টাকা আত্মসাত করা হলো, সেখানে আপনারা কিছু করতে পারেন না, এখানে সামান্য দুর্নীতিকে বড় করে দেখতে এসেছেন” ? রাস্তায় মাটি কাটার কোন চিহ্ন নেই কেন ? প্রশ্ন করা হলে ছাইফুন্নাহার বলেন-“পিআইও স্যার যেভাবে বলেছে আমি সেভাবেই কাজ করেছি”।

ধুলগাড়ি হতে ঈদগাহ মাঠ পর্যন্ত রাস্তা নির্মান প্রকল্পের চেয়ারম্যান রায়পুর ইউনিয়ন পরিষদের মহিলা সদস্য আয়তন নেছা কোন প্রকার মাটি না কেটেই বরাদ্দকৃত টাকা উত্তোলন করেছেন ভুয়া ভাউচার সমম্ময়ের মাধ্যমে। গত মওসুমে রাস্তাটিতে কর্র্মসৃজন শ্রমিক দ্বারা মাটি কাটা হয়েছিল। বর্নিত প্রকল্প তিনটির এলাকায় আশপাশের লোকজন জানান গত ৫/৬ মাসের ব্যাবধানে ওই সব রাস্তায় কোন প্রকার মাটি কাটা হয়নি। অর্থ বছরের শেষ দিন ৩০ জুন প্রকল্পের কাজ কাগজে-কলমে সম্পন্ন দেখিয়ে বরাদ্দকৃত টাকা ছাড় করা হয়েছে সংশ্লি¬¬ষ্ট প্রকল্পের সভাপতিদের নামে।

প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শরফুল ইসলাম জানান, গত কয়েক মাসের মধ্যে কোনদিনও তিনি প্রকল্পগুলো দেখতে যাননি বলে জানান। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এটিএম জিয়াউল ইসলাম বলেন-অভিযোগ পাওয়া গেলে প্রকল্পগুলোর ব্যাপারে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful