Templates by BIGtheme NET
আজ- শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২০ :: ১৭ আশ্বিন ১৪২৭ :: সময়- ৪ : ১৬ পুর্বাহ্ন
Home / গাইবান্ধা / সাদুল্যাপুরে পুলিশের কাছ থেকে হত্যা মামলার আসামীকে ছিনিয়ে নিয়েছে আসামীর স্ত্রী ও স্বজনরা

সাদুল্যাপুরে পুলিশের কাছ থেকে হত্যা মামলার আসামীকে ছিনিয়ে নিয়েছে আসামীর স্ত্রী ও স্বজনরা

জিল্লুর রহমান মন্ডল পলাশ, সাদুল্যাপুর: গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর থানার সেকে- অফিসার এসআই মোহাম্মদ খুররমের হাতে আটক হওয়া হত্যা মামলার আসামী শরিফুল ইসলামকে ছিনিয়ে নিয়েছে আসামীর স্ত্রী ও পরিবারের অন্যান্য স্বজনরা। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের বুজরুক রসুলপুর গ্রামে। গত শুক্রবার রাতে ঘটনাটি ঘটলেও তা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয় কিন্তু পরে ঘটনাটি স্থানীয় সাংবাদিকদের নজরে আসে ।

সরেজমিনে গেলে এলাকাবাসী জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার রাত দুটার সময় থানার সেকেন্ড অফিসার মোহাম্মদ খুররম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ওই গ্রামের ফয়জার রহমানের পুত্র শরিফুল ইসলামের বাড়ীতে অভিযান চালান। এ সময় এসআই খুররম শরিফুল ইসলামকে তার নিজ ঘর থেকে আটক করেন। আটক শরিফুলকে হ্যান্ডক্যাপ পরাতে ধরলে তার স্ত্রী হ্যান্ডক্যাপ নিয়ে টানাহেঁচড়া ও চিৎকার করতে থাকেন। পরে তার চিৎকারে বাড়ীর অন্যান্য ১০-১২ জন পুরুষ-মহিলা এসে এসআই খুররমের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি শুরু করেন। এক পর্যায়ে বাড়ীর লোকজন আটক শরিফুল ইসলামকে ছিনিয়ে নিতে এসআই খুররমকে ঝাপটে ধরেন। পরে এসআই খুররমের হাত থেকে শরিফুল ইসলামকে ছিনিয়ে নেয় আসামীর স্ত্রী ও বাড়ীর লোকজন। এসআই খুররম অবস্থার বেগতিক দেখে সঙ্গীয় পুলিশ নিয়ে থানায় ফিরে আসেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন এলাকাবাসী জানান, শরিফুলকে আটকের সময় অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা বাড়ির বাহিরে নীরবে অবস্থান করছিলেন। তারা আরও জানান, ঘটনার কথা যেন লোকের মধ্যে জানাজানি না হয় সেজন্য এসআই খুররম দাপটে সবাইকে শাসিয়ে আসেন।

একটি সূত্র জানায়, পুলিশ ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য চেষ্টা করছেন। তা না হলে যারা আসামী ছিনিয়ে নিয়েছে পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে পারতেন? পুলিশের এমন ভূমিকা নিয়ে উপজেলার বিভিন্ন মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। শরিফুল ইসলাম একটি হত্যা মামলার আসামী ছিলেন। সম্প্রতি বিজ্ঞ আদালত শরিফুলের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি করেন। ওই ওয়ারেন্ট নিয়ে পুলিশ তাকে আটক করতে গিয়ে এ ঘটনা ঘটে। এ প্রসঙ্গে শরিফুল ইসলাম ও তার পরিবারের লোকজনের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তারা ঘটনা সম্পর্কে কেউ মুখ খুলতে চাননি।

থানার ওসি মজনুর রহমান আসামী ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। তবে এ ঘটনায় এসআই খুররমের সঙ্গে থানায় গিয়ে যোগাযোগ ও তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দিয়েও কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful