Templates by BIGtheme NET
আজ- শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০ :: ৩ আশ্বিন ১৪২৭ :: সময়- ৫ : ০০ অপরাহ্ন
Home / কুড়িগ্রাম / কচাকাটায় চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী নিয়োগে চলছে দরদাম!

কচাকাটায় চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী নিয়োগে চলছে দরদাম!

কচাকাটা ,কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের কচাকাটায় টেপারকুটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সম্পূর্ণ আউট সোর্সিং এর মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়াধীন দপ্তরী কাম প্রহরী প্রার্থীদের নিয়োগের ক্ষেত্রে চলছে দরদাম, ৩ লাখ টাকায় মিলবে চাকুরী। প্রার্থীরা দিন রাত ঘুরছে সভাপতি ,প্রধান শিক্ষকের বাড়ী বাড়ী ।

তথ্য সূত্রে জানা যায় উক্ত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সভাপতি মিলে চাকুরীর খরচ বাবদ ৩ লাখ টাকা ধার্য করেছে এবং এই সূত্রে ৩ জন প্রার্থীর নিকট হতে অর্থ গ্রহণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে অত্র এলাকায় বেশ উত্তেজনা বিরাজ করছে। কারভাগ্যে জুটবে চাকুরীটি? টাকা প্রদানকারী ৩ জন প্রার্থী হলো (১) মোঃ শাহাদত হোসেন (২) সোহেল এবং (৩) মোঃ মাহাবুর রহমান। উক্ত টাকা প্রদান কারী ব্যক্তিদের মধ্যে মোঃ শাহাদত হোসেনের অভিভাবক মোঃ শাহজাহান ভুঞা অভিযোগ করেন যে উক্ত স্কুলের সভাপতি মোঃ আব্দুল কাদের চাকুরী প্রদানের আশ্বাস প্রদান করে ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা চুক্তি করে ১ লক্ষ টাকা নগদ গ্রহণ করে কিন্তু সভাপতির ভাতিজা সোহেল ৩ লক্ষ টাকা দিতে চাইলে শাহদতকে উপেক্ষা করে প্রধান শিক্ষকের যোগসাজশে তার কাছ থেকেও ১ লক্ষ টাকা গ্রহণ করে। এ নিয়ে শাহাতের অভিভাবক ও সভাপতির মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হলে সভাপতি তাকে জানায় প্রধান শিক্ষকের কথামতো সোহেলের টাকা নেয়া হয়েছে এবং টাকা প্রধান শিক্ষকের নিকট আছে তা সোহেল কে ফেরত দেয়া হবে কিন্তু অদ্যাবধি তার টাকা ফেরত না দেয়ার তার সন্দেহ হয়েছে। এ দিকে আরেক প্রার্থী মাহাবুর রহমানকে প্রধান শিক্ষক ২ লক্ষ টাকার বিনিময়ে নিয়োগ দেয়ার প্রতিশ্রুতিতে ৫০ হাজার টাকা গ্রহণ করে বলে প্রার্থী কর্তৃক জানা যায়।

এ ব্যাপারে বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক আবু হানিফা বাবু জানান, নিয়োগ বিধি মোতাবেক হবে তবে এলাকার বিভিন্ন গ্রুপের চাপ আছে। অর্থ গ্রহণ প্রসঙ্গে তিনি অসি¦কৃতি জানান তবে সভাপতির সম্পর্কে তিনি কিছুটা হলেও সন্দিহান বলে মন্তব্য করেছেন। বিদ্যালয়ের সভাপতি অর্থগ্রহণ প্রসঙ্গ এড়িয়ে যান, তবে শাহাদত হোসেন কে নিয়োগ প্রদানের আশ্বাস দিলে তার অভিভাবক নিয়োগ বাবদ কিছু খরচা পাতি দিতে চেয়েছে বলে জানান। এ ব্যাপারে নিয়োগ সংক্রান্ত দায়িত্বে থাকা সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ ফারুক এর সাথে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, প্রধান শিক্ষক দলিয় ক্ষমতাধর ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে কোন কথা বলা যায় না।

অন্য দিকে ৩ জন প্রার্থীর টাকা প্রধান শিক্ষক ও সভাপতি কর্তৃক গ্রহণ প্রসঙ্গে মুঠোফোনে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ তৈফিকুর রহমান এর সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান এবং বলেন, নিয়োগ সংক্রান্ত ব্যাপারে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির কিছুটা প্রভাব ও ব্যাপার থাকে, তাছাড়া অর্থ লেনদেন হলেও উপযুক্ত প্রমাণ মেলানো দুষ্কর তাই আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া যায় না। তবে অত্র এলাকার মানুষের মুখে মুখে রটে বেড়াচ্ছে প্রধান শিক্ষক ও সভাপতির উৎকোচ গ্রহণের ঘটনা। অন্যদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন শিক্ষক জানিয়েছেন যে এই সমস্ত নিয়োগ সংক্রান্ত ব্যাপারে প্রত্যেক নিয়োগ প্রতি ১ লক্ষ টাকা উপজেলা শিক্ষা অফিস দাবী করেছে। ফলে এ সুযোগটি গ্রহণ করছে সভাপতি এবং প্রধান শিক্ষকেরা। অন্যদিকে টেপারকুটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রকার অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে এলাকাবাসীরা। নিয়োগ সহ বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে গত ২৭ জানুয়ারি এলাকাবাসী প্রধান শিক্ষককে বিদ্যালয়ে অবরুদ্ধ করে। প্রধান শিক্ষকের ক্ষমা চাওয় ও আর অনিয়ম না করার প্রতিশ্রুতিতে ছেড়ে দেয়া হয় বলে এলাকাবাসী জানায়।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful