Templates by BIGtheme NET
আজ- শনিবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২০ :: ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ :: সময়- ১২ : ২১ অপরাহ্ন
Home / টপ নিউজ / সময় এবার উপাচার্য প্রত্যাখ্যানের

সময় এবার উপাচার্য প্রত্যাখ্যানের

জামিল সারোয়ার আহাদ, শিক্ষার্থী, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় :

“বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন কর্তৃপক্ষ আপনার (উপাচার্য) বিরুদ্ধে আনিত ও উত্থাপিত গুরুতর (নিয়োগ প্রক্রিয়া) অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে।……এমতাবস্থায় পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সকল নিয়োগ প্রক্রিয়া স্থগিত করা হল।”— এই ছিল বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আব্দুল জলিল মিয়াঁর কাছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের পাঠানো সতর্কবার্তার চুম্বক অংশ।

উপাচার্যের কাছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের প্রেরিত এ বার্তার পর দুর্নীতিবিরোধী মঞ্চ’র আন্দোলনের যৌক্তিকতা জাতীয় পর্যায়ে পরিষ্কার হয়ে উঠেছে। একই সাথে দুর্নীতিবিরোধী মঞ্চের বিরুদ্ধে উপাচার্যের নির্লজ্জ অপপ্রচার এক কথায় অর্থহীন হয়ে পড়েছে। ভাড়াটে সন্ত্রাসী দিয়ে আত্মপক্ষ সমর্থনের হীন  প্রচেষ্টা এবং অযৌক্তিকভাবে আন্দোলন বন্ধ করার সকল পাঁয়তারা হাস্যকর হয়ে উঠেছে। ইতোমধ্যে দুর্নীতিবিরোধী মঞ্চ থেকে উপাচার্যের দুর্নীতির শ্বেতপত্র প্রকাশ এবং নয়-নয়টি কুশপুত্তলিকা দাহ করার মাধ্যমে উপাচার্য আব্দুল জলিল মিয়াঁকে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে এক প্রকার অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে। মঞ্জুরি কমিশনের তদন্ত প্রতিবেদন এতে যোগ করেছে ভিন্ন মাত্রা। অনেক দেরী করে ফেলেছি আমরা, এই দুর্নীতি তাই এখনই থামাতে হবে। পদক্ষেপ নিতে হবে এখনই।

ইতোপূর্বে ‘স্থানীয় ও রাজস্ব অডিট অধিদপ্তরের’ “বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়,রংপুর কার্যালয়ের ২০০৮-২০০৯ থেকে ২০১১-২০১২ সনের কমপ্লায়েন্স অডিটের নিরীক্ষা জিজ্ঞাসা সমূহের সূচিপত্র” শিরোনামের প্রতিবেদনে এই উপাচার্য আব্দুল জলিল মিয়াঁর বিরুদ্ধে ১ কোটি সাড়ে ৫৬ লাখ টাকার অডিট আপত্তি জানানো হয়। তখন শিক্ষা মন্ত্রণালয় বা উচ্চ-মহল কঠোর কোন পদক্ষেপ না নেয়ায় দুর্নীতিবাজ উপাচার্য আব্দুল জলিল মিয়াঁ ও তার পরিবার উপহার দেন ব্যাপক অনিয়ম ও নিয়োগ বাণিজ্যের দুর্বিনীত মহোৎসব। বিশ্ববিদ্যালয়ে দুর্নীতি করে অসম্মান করেছেন মহীয়সী নারী বেগম রোকেয়াকে। গবেষণা প্রতিষ্ঠান ড.ওয়াজেদ রিসার্চ ইন্সটিটিউটে অনিয়ম করে অসম্মান করেছেন দেশ বরেণ্য পরমাণু বিজ্ঞানীকে। চুনকালি মেখে দিয়েছেন সচেতন শিক্ষক সমাজ ও শিক্ষার্থীদের মুখে। আমরা মনে করি এ অসম্মান পুরো বাংলাদেশের। আব্দুল জলিল মিয়াঁ অভিযোগের সমুদ্রে ভাসছেন। তিনি শুধুমাত্র একজন উপাচার্য নন ; মঞ্জুরি কমিশনের তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী তিনি একজন অপরাধীও। এই ব্যক্তির বিরুদ্ধে এখনই ব্যবস্থা গ্রহণ প্রয়োজন। শুধুমাত্র প্রত্যাখ্যান বা অব্যাহতি নয়, দেশমাতৃকা রক্ষায় এই দুর্নীতিবাজদের বিচার হওয়া প্রয়োজন। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় এখন খাঁদের কিনারে । এই মুহূর্তে মাননীয় আচার্যের হস্তক্ষেপই নবীন এই বিশ্ববিদ্যালয়কে বাঁচাতে পারে।

মঞ্জুরি কমিশনের তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি রক্ষাকরত শিক্ষা এবং গবেষণার সুষ্ঠু পরিবেশ সৃষ্টির প্রয়োজনে আচার্য মহামান্য রাষ্ট্রপতির উপাচার্য আব্দুল জলিল মিয়াঁর অপসারণের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান এখন সময়ের দাবি।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful