Templates by BIGtheme NET
আজ- বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২০ :: ১৬ আশ্বিন ১৪২৭ :: সময়- ৪ : ৩১ পুর্বাহ্ন
Home / গাইবান্ধা / ড.ফজলে রাব্বি না ব্যারিস্টার শিল্পী? কে পাচ্ছেন জাপা’র টিকেট

ড.ফজলে রাব্বি না ব্যারিস্টার শিল্পী? কে পাচ্ছেন জাপা’র টিকেট

মোঃ ছাদেকুল ইসলাম রুবেল গাইবান্ধা থেকে:  জাতীয়পার্টির একমাত্র আলোচিত আসন ৩১ গাইবান্ধা-৩ (পলাশবাড়ী-সাদুল্যাপুর) নির্বাচনী এলাকার জাতীয়পার্টির মনোনয়ন কে পাবেন? প্রেসিডিয়াম সদস্য একাধারে ছয় বারের সংসদ সদস্য ড. রাব্বি না ব্যারিস্টার দিলারা খন্দকার শিল্পী? এ গিয়ে গোটা নির্বাচনী এলাকা জুড়ে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা।

সরেজমিন তথ্যানুসন্ধান ও বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে জানা যায়, ১৯৮১ সালে সাবেক সেনা কর্মকর্তা এরশাদের নেতৃত্বে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ক্ষমতায় আসে। এ সময়ে তার রাজনৈতিক উপদেষ্টা ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড. টিআইএম ফজলে রাব্বি চৌধুরী। ১৯৮৬ সালের ১লা জানুয়ারি জাতীয়পার্টি গঠন করা হলে এই শিক্ষাবিদ জাতীয়পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি তৃতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয়পার্টি থেকে মনোনয়ন পেয়ে প্রথমবারের মত এমপি নির্বাচিত হন। ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৬ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে জাতীয়পার্টি থেকে অংশগ্রহণ করে ছয় বারের মত সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়। ২৭ বছরের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে তিনি সাবেক মন্ত্রী, চীফ হুইপ, বিএডিসি’র চেয়ারম্যানসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রায় অর্ধ-শতাধিক পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি শুধু পলাশবাড়ী-সাদুল্যাপুরের মানুষের কাছে আস্থার পাত্র নয় গোটা দেশে তার সুনাম অব্যাহত রয়েছে। আগামী ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পলাশবাড়ী-সাদুল্যাপুর নির্বাচনী এলাকার প্রার্থী হিসাবে নেতাকর্মী সমর্থক ভোটার সবাই এই নেতাকেই জাপা প্রতিনিধি হিসাবে দেখতে চায়। কারণ ২৭ বছরের রাজনৈতিক জীবনে তিনি তিল তিল করে জাতীয়পার্টির দুর্গ গড়ে তুলে আজ অবধি তা আগলে রেখেছেন।
অপরদিকে পলাশবাড়ী-সাদুল্যাপুরের জাতীয়পার্টির রাজনৈতিক অঙ্গনে হঠাৎ ব্যারিস্টার দিলারা খন্দকার শিল্পী’র আগমন। সদ্য ব্যারিস্টার পাশ করা এ নেত্রীর রাজনৈতিক কোন পরিচয় নেই, ছিলও না। পার্টির চেয়ারম্যান এরশাদের আশীর্বাদ পুষ্ট হওয়ায় তার একমাত্র পুঁজি। তিনি তৃণমূল নেতাকর্মী সমর্থকদের সাথে পরামর্শ ছাড়াই কেবলমাত্র পার্টির চেয়ারম্যানের আশীর্বাদে পলাশবাড়ী-সাদুল্যাপুর উপজেলা জাতীয়পার্টির কমিটি ভেঙ্গে নিয়ে তার ইচ্ছামত ব্যক্তিদের নিয়ে মনগড়া কমিটি গঠন করে। তিনি নিজ বাড়ীতে জাতীয়পার্টি অফিস খুলে বসেছেন।

অনেক নেতাকর্মী সমর্থক এমনকি ভোটাররা জানান ড. রাব্বি আমাদের দীর্ঘ ২৭ বছরের সুখ দুঃখের সাথী। সুখে-দুঃখে আমরা জাতীয়পার্টির জন্য কাঁদে কাঁদ মিলিয়ে কাজ করেছি। পার্টির চেয়ারম্যান এরশাদ সাহেবের নিকট আমাদের আবেদন দীর্ঘদিনের এ বর্ষীয়ান নেতাকে যেন মৃত্যুর আগ পর্যন্ত জাতীয়পার্টির জন্য কাজ করার সুযোগ দেন। যদি ড. রাব্বিকে কাজ করার সুযোগ বা মনোনয়ন না দিয়ে ব্যারিস্টার শিল্পকে বিশেষ আশীর্বাদ করে মনোনয়ন দেওয়া হয় তবে ২৭ বছরের পলাশবাড়ী-সাদুল্যাপুরের জাতীয়পার্টির গড়ে তোলা দুর্গ ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যাবে। আমরা অতিথি পাখি দেখতে চাই না। ড. রাব্বির পাশে ছিলাম-পাশে আছি-ভবিষ্যতেও পাশে থাকবো। আমরা মনে করি বিপদের বন্ধুই প্রকৃত বন্ধু। তাইতো সেদিন ড. রাব্বি এরশাদকে ছেড়ে আজও যায়নি।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful