Templates by BIGtheme NET
আজ- রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০ :: ১২ আশ্বিন ১৪২৭ :: সময়- ৭ : ১২ পুর্বাহ্ন
Home / গাইবান্ধা / গাইবান্ধার নির্মাণাধীন পাঁচ সেতুর কাজ অনিশ্চিত : দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন সাধারণ মানুষ

গাইবান্ধার নির্মাণাধীন পাঁচ সেতুর কাজ অনিশ্চিত : দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন সাধারণ মানুষ

গাইবান্ধা প্রতিনিধি: অর্থাভাবে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ, সাঘাটা ও সাদুল্যাপুর উপজেলায় নির্মার্ণাধীন পাঁচটি সেতুর কাজ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এসব সেতুর কাজ কোনটি চার বছর কোনটি এক বছর থেকে বন্ধ হয়ে আছে। কবে নাগাদ শুরু হবে তা কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারছে না। ফলে সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।  গাইবান্ধা সওজ বিভাগ জানায়, ১৯৯৯ সালে সাদুল্যাপুর উপজেলার ঘাঘট নদীর কলেজ খেয়াঘাটে প্রথমে বেইলি সেতু নির্মাণ কাজ শুরু হয়। সে সময় ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান রূপায়ন কনট্রাকশন সেতুর দুটি পিলার কলামসহ একটি গার্ডার বীম নির্মাণ করে। পরে আরসিসি সেতু নির্মাণের সিদ্ধান্ত হলে ২০০৯ সালে প্রায় ৪ কোটি ৬৬ লাখ টাকা ব্যয়ে পুনর্দরপত্র আহ্বান করা হয়। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান নির্মাণ শিল্পী এ কাজের দায়িত্ব পায়। ওই ঘাঘট সেতুর কাজ গত বছরের ১২ জানুয়ারি শেষ করার কথা। কিন্তু এ পর্যন্ত শতকরা ২১ ভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

সাদুল্যাপুরের উন্নয়ন কর্মী জিল্লুর রহমান খন্দকার অভিযোগ করেন, সওজ কর্তৃপক্ষ ও ঠিকাদারের গাফলতির কারণে দেড়বছর ধরে সেতুর নির্মাণ কাজ থেমে আছে। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান নির্মাণ শিল্পীর প্রকৌশলী আব্দুর রাজ্জাক গাফলতির অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, অর্থ বরাদ্দ না পাওয়ায় কাজ শুরু করা যাচ্ছে না। ২০০১ সালে সাঘাটা উপজেলার উল্লা সোনাতলা গ্রামে আলাই নদীর ওপর প্রথমে এক কোটি ৪০ লাখ টাকা ব্যয়ে বেইলি ও পরে তিন কোটি ৬ লাখ টাকা ব্যয়ে আরসিসি সেতু নির্মাণে দরপত্র আহ্বান করা হয়। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের নির্মাণ শিল্পী নির্মাণ কাজের দায়িত্ব পায়। গত বছরের ১২ জানুয়ারির মধ্যে ওই সেতুর কাজ শেষ করার কথা। কিন্তু এ পর্যন্ত শতকরা ২৩ ভাগ অগ্রগতি হলেও এক বছর ধরে কাজ বন্ধ আছে। একই বছরে উপজেলার মেলান্দহ এলাকায় বাঙালি নদীর ওপর ছয় কোটি ৭৯ লাখ টাকা ব্যয়ে  মেলান্দহ সেতু নির্মাণের কাজ শুরু হয়। নির্ধারিত সময় কাজ করতে না পারায় ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মেসার্স ফাউন্ডেশন ইঞ্জিনিয়ার্সের কার্যাদেশ বাতিল করা হয়। ২০০৯ সালে পুনর্দরপত্র আহ্বান করা হলে কাজ পান ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মেসার্স ময়েন উদ্দিন। কিন্তু এ সেতুরও শতকরা ৫০ ভাগ সম্পন্ন হওয়ার পর এক বছর ধরে কাজ বন্ধ।

ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলী ইমতিয়াজ হোসেন জানান, অর্থ বরাদ্দ না থাকায় কাজ করতে বিলম্ব হচ্ছে। গাইবান্ধা সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী গাফলতির অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, মুলত অর্থ বরাদ্দ না থাকায় সেতুগুলোর কাজ বন্ধ রয়েছে। তারপরও ঘাঘট, উল্লাসোনাতলা ও খলসি সেতুর কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ করতে না পারায় ঠিকদার প্রতিষ্ঠানের কার্যাদেশ বাতিল ও জরিমানা আদায়ের প্রক্রিয়া চলছে। নদীর গতিপথ পরিবর্তন হওয়ায় মেলান্দহ সেতুর দৈর্ঘ্য বেড়ে যায়। ফলে নকসা পরিবর্তন করে একটি প্রকল্প প্রস্তাবনা অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। এখনো অনুমোদন পাওয়া যায়নি। বড়দহ সেতু নির্মাণ কাজের নতুন প্রকল্প প্রস্তাবনা অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পাওয়া গেলে তৃতীয় দফায় দরপত্র আহ্বান করা হবে।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful