Templates by BIGtheme NET
আজ- সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০ :: ১৩ আশ্বিন ১৪২৭ :: সময়- ১২ : ৫০ অপরাহ্ন
Home / টপ নিউজ / রংপুর বিভাগের ৮জেলার বিলগুলো পানি শূন্য; বিপন্ন মৎস্য সম্পদ

রংপুর বিভাগের ৮জেলার বিলগুলো পানি শূন্য; বিপন্ন মৎস্য সম্পদ

সেন্ট্রাল ডেস্ক: রংপুর বিভাগের ৮জেলার ৫৮টি উপজেলার  পল্লী অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী বড় বড় বিল-জলাশয়গুলোর ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে গেছে। ফলে পানি শূন্যতায় হারিয়ে যাচ্ছে মৎস্য সম্পদ।

এসব জলাশয় নির্ভর উদ্ভিদ এবং পরিবেশ বিপন্ন হয়ে পড়ছে। অনেক প্রজাতির মাছ ইতোমধ্যে বিলুপ্ত হয়ে গেছে। অনেক প্রজাতির মাছ বিলুপ্তপ্রায়। এছাড়া এসব বিল ও জলাশয়-নির্ভর জলজ পাখিরাও খাদ্য সংকটের কবলে পড়েছে। ঘাঘট, যমুনেশ্বরী ,করতোয়া, আলাই, কাটাখালী, তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র এবং যমুনা নদী বেষ্টিত  বড় বড় গভীর বিল ও খালের সংখ্যা নেহায়েত কম নয়।
রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলার  ইমাদপুর বিল,দেউল মির্জাপুর বিল , সেরুডাঙগাবিল , পদ্মপুকুর বিল , পীরগঞ্জ উপজেলার  তকেয়ার বিল, ছোটমির্জাপুর বিল বামঝাড়বিল , গাইবান্ধাজেলার  সাদুল্যাপুর উপজেলার ভাতগ্রামের রুহিয়া, পগাইল, পাকুরিয়া, বনগ্রামের পাটানোছা, ফরিদপুরের কয়ার বিল। পলাশবাড়ির মনোহরপুরের আজরার, সদরইউনিয়নের শিলদহ, মহদীপুরের কুসুমদহ, হোসেনপুরের বহির ভাঙা, কিশোরগাড়ির রাঙ্গামাটি বিল। সুন্দরগঞ্জের নলেয়া, বামনডাঙ্গার চাকুলিয়া, সরোবর, গান্দারা, কুমড়িয়া, ছাপড়হাটীর মরুয়াদহ, শাšÍিরামের কুরশা এবং ধোপাডাঙ্গার কাশদহ বিল। সাঘাটার তেলিয়ান, কালপানি, চকচকিয়া, বিল বস্তা, চতল ওতেনছিড়ার বিল। গোবিন্দগঞ্জের কারদহ, সাতপলা, নুরুলা, পগোইল ও সাতদামুয়া কাতলা বিল। এছাড়া ফুলছড়ি উপজেলা উদাখালীর শিংরিয়া, কাঠুর এবং গজারিয়ার কুচনির বিল।পলাশবাড়ীর পগালরে বিল, কুশুমদাহ বলি, দুর্গাদাহ বিল ঝালীঙির বিল, ঈছামতির বিল, শুশিদাহ বিল, জেলার এসব খাল-বিলে অতীতে সারা বছর গভীর পানি থাকতো। ফলে এগুলো ছিল দেশীয় প্রজাতির মাছের প্রজনন ক্ষেত্র ও সংরক্ষণাগার। এছাড়া প্রাকৃতিক উৎস্য-নির্ভর বিল জলাশয়ে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করতো মৎস্যজীবীরা।তদুপরি জলজ উদ্ভিদ কলমি, শাপলা, শালুক, পদ্মফুল, পদ্মখোঁচা, শোলা, নলখগরা, কচুরিপানা, পানি ফল, শপ পাটি তৈরির বিশেষ জাতের উদ্ভিদসহ নানা প্রয়োজনীয় উদ্ভিদ এসব বিলে জন্মাতো প্রচুর পরিমাণে যা পল্লী গাঁয়ের মানুষ এবং পশু খাদ্য হিসেবেও ব্যবহৃত হতো। পাশাপাশি শুকনো মৌসুমে রবি ফসল উৎপাদনে জমিতে সেচের পানির যোগান আসতো এসব বিলের পানি থেকেই। সর্বোপরি বিস্তৃত এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে থাকা পানি শীত ও গ্রীষ্ম মৌসুমে পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতো। এতে নানা জাতের বর্ণালী ফুল ফুটে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে করে তুলতো দৃষ্টিনন্দন। যা এখন হারানো অতীত। সবই বিলুপ্ত হয়েছে। কেননা সাম্প্রতিক রবি মৌসুমের কৃষিতে সেচের জন্য ভূগর্ভস্থ পানিউত্তোলনের ব্যাপকতায় পানির স্তর আশঙ্কাজনক হারে নিচে নেমে গেছে। আর সে কারণে অধিকাংশ বিল এখন বছরের ৮ মাসই পানি শূন্য থাকছে। ফলে এক সময়ের গভীর জলাভূমিগুলোই তার সযত্নে লালিত প্রাকৃতিক সম্পদ হারিয়ে এখন শুধুই ফসলী জমিতে পরিণত হয়েছে। পাশাপাশি প্রকৃতি ও পরিবেশেবেড়েছে রুক্ষতা, বিপন্ন হচ্ছে জীবন জীবিকা। আর এক সময়ের মাছ সমৃদ্ধ গাইবান্ধার মাছে ভাতে লালিত মানুষের পাতে মাছের যোগান আশঙ্কাজনকহারে হ্রাস পেয়েছে।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful