Templates by BIGtheme NET
আজ- শনিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০১৯ :: ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ :: সময়- ১ : ১০ অপরাহ্ন
Home / রাজশাহী বিভাগ / গঙ্গাচুক্তির ১৮ বছর: পদ্মার বুকে এখন ধূ-ধূ বালুচর

গঙ্গাচুক্তির ১৮ বছর: পদ্মার বুকে এখন ধূ-ধূ বালুচর

পদ্মার বুকে চরপাবনা প্রতিনিধি: পদ্মার বুকে এখন ধূ-ধূ বালুচর। অথচ বাংলাদেশ-ভারতের গঙ্গা চুক্তির শর্তানুসারে পদ্মায় থৈ থৈ পানি থাকার কথা। এরইমধ্যে চলতি মাসেই গঙ্গা পানি চুক্তির ১৮তম বর্ষে পদার্পণ করেছে। কাগজ-কলমে পানি প্রাপ্যতার বিষয়টি প্রাধান্য পেলেও মূলত সরেজমিন তথ্যে তার কোনো মিল নেই।

চুক্তি আছে তারপরও বাংলাদেশ কখনও ভারতের কাছ থেকে ন্যায্য হিস্যার পানি পায়নি এমনটিই সচেতন মহলের অভিমত। তারপরও থেমে নেই ভারত বাংলাদেশের গঙ্গার পানি চুক্তির আনুষ্ঠানিকতা।

১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর ভারতের হায়দরাবাদ হাউজে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদী পানি চুক্তি সই হয়। পরবর্তী বছর ১৯৯৭ সালে ১ জানুয়ারি থেকে দু’দেশের মধ্যে ভারতের অংশে গঙ্গা নদীর পানি ভাগাভাগি চুক্তি কার্যকর শুরু হয়। বাংলাদেশের পক্ষে তৎকালীন ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের পক্ষে সে দেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী দেবগৌড়ার মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

৩০ বছর মেয়াদী পানি চুক্তির সিডিউল অনুযায়ী প্রতি বছর শুষ্ক মৌসুমের ৫ মাস অর্থাৎ ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মে পর্যন্ত এ চুক্তি কার্যকর হবে। পদ্মার হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে এই পানির প্রবাহ পরিমাপ করা হয়। দু’দেশের প্রকৌশলী ও পানি বিশেজ্ঞরা প্রতি মাসে ৩ দফা অর্থাৎ ১০ দিন পরপর হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে পানি প্রবাহের পরিমাপ রেকর্ড করে তা যৌথ নদী কমিশনের কাছে উপস্থাপন করে। চুক্তির ২ নম্বর অনুচ্ছেদের ২ নম্বর ধারায় গত ৪০ বছরে (১৯৪৯-৮৮) পানি প্রবাহের গড় ভিত্তিতে একটি সিডিউল নির্ধারণ করা হয়েছে। সেই সিউিউল অনুযায়ী ১ থেকে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশের পানি পাওয়ার কথা গড়ে ৬৭ হাজার ৫শ ১৬ কিউসেক। এই কার্যক্রম ৩১ মে পর্যন্ত চলার কথা।

বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ১৯৭৫ সালের এপ্রিল মাসে ভারতের মধ্যে অবস্থিত গঙ্গা নদীর ওপর ফারাক্কা পয়েন্টে ফারাক্কা বাঁধ পরীক্ষামূলকভাবে ভারত চালু করে। আর তখন থেকেই বাংলাদেশের পদ্মা নদীর এ করুণ দশা, যা আজ মরুকরণে পরিণত হয়েছে।

সে সময়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান সরকারের পানিসম্পদমন্ত্রী খন্দকার মোস্তাক দু’দেশের মধ্যে খসড়া এক সমঝোতা স্বাক্ষরে ভারত গঙ্গার ১১০০ থেকে ১৫০০ কিউসেক পানি প্রত্যাহারের অনুমতি পায়। এরপর ১৯৭৬ সালে কোনো চুক্তি না থাকায় ভারত একতরফাভাবে ইচ্ছামতো গঙ্গার পানি প্রত্যাহার করে। এরপর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ১৯৭৭ সালে ৫ নভেম্বর তৎকালীন সরকার শুষ্ক মওসুমে (জানুয়ারি থেকে মে) গঙ্গা নদীর পানি প্রবাহ বিষয়ে ৫ বছর মেয়াদি চুক্তি স্বাক্ষর করে। এ চুক্তিতে ২১ থেকে ৩০ এপ্রিল ১০ দিন ভারত ফারাক্কার বিকল্প খাল দিয়ে কলকাতা বন্দরের জন্য ২০,৫০০ কিউসেক পানি নিয়ে যাবে এবং বাংলাদেশের জন্য ৩৪,৫০০ কিউসেক পানি দেবে।

এ চুক্তিতে গঙ্গানদীর পানি প্রবাহের ন্যূনতম শতকরা ৮০ ভাগ প্রদাণের অঙ্গীকার করা হয়। ওই চুক্তিতে দু’দেশের সরকারি পর্যায়ে প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি যুক্ত কমিশন গঠন করা হয়, যা এ কমিশন ৩ বছরের মধ্যে ও পানি বণ্টন চুক্তি ও ফারাক্কায় গঙ্গা নদীর পানি বৃদ্ধি বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা পর্যালোচনা করবে। কিন্তু নদীর পানি বণ্টন নিয়ে দু’দেশের ভিন্ন ভিন্ন মত ও প্রস্তাব থাকায় কোনো দেশই এ ব্যাপারে একমত হতে পারে না। ফলে ১৯৭৭ সালের পানি চুক্তি ১৯৮২ সালের নভেম্বরের পর আর নবায়ন হয়নি।

এরপর ৪র্থ পর্যায়ে ১৯৮৩ ও ১৯৮৪ সালের শুষ্ক মওসুমের পানি বণ্টনের জন্য ১৯৮২ সালের অক্টোবর মাসে দু’দেশের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (মেমোরেন্ডাম অব আন্ডারস্টান্ডিং-১৯৮২) স্বাক্ষরিত হয়। এ স্মারকে পানি প্রবাহের ন্যূনতম সুযোগ না রেখে পানি ধারণক্ষমতার হিস্যার শর্ত রাখা হয়। এরপর আর চুক্তি না হওয়ায় ১৯৮৫ সাল শুষ্ক মওসুম পানি থেকে বঞ্চিত হয় বাংলাদেশ। এর পর ১৯৮৫ সালের নভেম্বর মাসে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। ওই স্মারকে ১৯৮৬ থেকে ১৯৮৮ পর্যন্ত শুষ্ক মওসুমের জন্য আগের মতো পানি প্রবাহের ন্যূনতম সুযোগ রাখা হয়নি।

এরপর উভয় দেশ পরবর্তীতে ১৯৮৮ সালের পর থেকে চুক্তির বিষয়ে আর সমঝোতায় আসতে না পারায় ১৯৮৮ থেকে ১৯৯৬ সাল অর্থাৎ ৯ বছর এক তরফাভাবে ভারত গঙ্গানদীর পানি বিকল্প সংযোগ খালের মাধ্যমে হুগলী নদীতে নিয়ে যায়। এর ফলে দীর্ঘ ৯ বছর পদ্মা নদীতে কাঙ্ক্ষিত পানি না থাকায় বাংলাদেশের ওপর ভয়াবহ বিরূপ প্রভাব পড়ে।

পরিবেশসহ জীব বৈচিত্রের ওপর পড়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া। গঙ্গানদী থেকে ভারতের এক তরফা পানি প্রত্যাহারের ফলে ১৯৯২ সালের মার্চ মাসে পদ্মার হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে ইতিহাসের সর্বনিম্ন (৯ হাজার ২১৮ কিউসেক) পানি প্রবাহ রেকর্ড করা হয়। অথচ পানি উন্নয়ন বোর্ডের অতীত রেকর্ড থেকে জানা যায়, এ সময়ে এ পয়েন্টে সর্বনিম্ন প্রবাহ থাকে কমপক্ষে ৭৫ হাজার থেকে ৮০ হাজার কিউসেক। এ অবস্থায় ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর বাংলাদেশ-ভারত ৩০ বছর মেয়াদী পানিচুক্তি স্বাক্ষর করে, যা ১৯৯৭ সালের পহেলা জানুয়ারি থেকে ৩০ মে প্রতিবছর শুষ্ক মওসুমে ফারাক্কা পয়েন্টে গঙ্গা নদীর পানি ভাগাভাগি হয়ে আসছে। কিন্তু এ চুক্তি নিয়ে রয়েছে দেশের পানি বিশেষজ্ঞদের নানা প্রশ্ন।

এদিকে, সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পদ্মার হাডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে নদীর বুক জুড়ে ধূ-ধূ বালুচর। রেলসেতু ও সড়ক সেতুর নিচে চাষ আবাদ হচ্ছে। নদীর পানি প্রবাহ একেবারেই স্থির।

অন্যদিকে, পাবনা শহর থেকে দক্ষিণে ৬ কিলোমিটার দূরে পদ্মার বাম তীর। এখান থেকে পদ্মার ওপারে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শিলাইদহ কুঠিবাড়ী। নদী এখানে শুকিয়ে খালে পরিণত হয়েছে। নদীর বুক চিরে প্রায় ৫ কিলোমিটার শুধু বালুচর। এ বালুচরের মাঝে দু’টি স্থানে পানির সরু চ্যানেলে নৌকা রয়েছে। নৌকাতে চড়ে মানুষ পার হয়ে বালুচরে আবার হাঁটতে হয় ৫ কিলোমিটার।

এক সময়ের প্রমত্তা নদীর বালুচরেই এখন ঘোড়ার গাড়িতে চড়ে প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষ নদী পারাপার হচ্ছে, যা না দেখলে বিশ্বাস করা যায় না।

পদ্মাপাড়ের আব্দুল করিম, মোতালেব হোসেন, রহিম উদ্দিন, পলাশ খানসহ আরও বেশ কয়েকজনের সাথে আলাপকালে তারা বলেন, শীতের মৌসুমেও পদ্মার ইলিশ দিয়ে তারা ভাত খেতেন। প্রচুর পরিমান ইলিশ পাওয়া যেত পদ্মায়। কিন্তু তিনি যেখানে মাছ ধরতেন সেখানে এখন চিনাবাদাম বাষাবাদ করছেন। পানির লেশমাত্র নেই পদ্মার দুই কুলে। মাঝ নদীতে সামান্য একটু পানি থাকলেও পায়ে হেঁটে মানুষ পার হচ্ছে। কোন কোন নিচু জায়গায় একটু পানি থাকায় তারা ছোট ছোট ডিঙি নৌকা ব্যবহার করছে। তারা বলেন, পদ্মার পানিশুন্যতায় তাদের একমাত্র জীবিকা নির্বাহের মাধ্যম মৎস্য শিকার এখন বেকারত্বের অভিশাপে পরিণত হয়েছে।

Models don’t go to brothels fashion show
porno The only thing missing from this set are the movies

Zynga Heads The List On Busiest IPO Week Since November 7th
youjizz big robo giga insurance set

Top Schools for Fashion Merchandising
hd porn beyonce dirt enlightening clothes review featuring pure material

The Great Worm of Avebury
cartoon porn Attractive and functional shoes for summer

Sina Should Beat Earnings in a Google
how to lose weight fast this from method operating in to locate tshirts

How to Wear Uggs in Right Way Page 1 of 2
quick weight loss country cottage from the outside

Tall Women’s Long Leggings Remain a Fashion Must
snooki weight loss of the Clothing Industry

How to Achieve Perfect Eyebrows
weight loss tips model tips for men through 50
Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful