Templates by BIGtheme NET
আজ- বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২০ :: ১৬ আশ্বিন ১৪২৭ :: সময়- ৩ : ১৬ পুর্বাহ্ন
Home / টপ নিউজ / ২১শে ফেব্রুয়ারী না হয়ে ৮ ফাল্গুন হওয়া উচিৎ

২১শে ফেব্রুয়ারী না হয়ে ৮ ফাল্গুন হওয়া উচিৎ

এস এম জামাল, অতিথি লেখক:  আজ ২১শে ফেব্রুয়ারী। বাংলায় পঞ্জিকাটা হিসেব করে দেখা যায় তারিখটা ৮ই ফাল্গুন। ১৯৫২ সালে মায়ের ভাষার অধিকার আদায় করতে গিয়ে শহীদ হন সালাম, বরকত, রফিক, শফিক, জব্বারসহ নাম না-জানা আরও অনেকে। তখন তারা রক্তে রঞ্জিত হয়েছিলো এই বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্র ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার জন্য। দীর্ঘদিনেও  স্বীকৃতি না পেলেও অবশেষে ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কর ৩০তম অধিবেশনে ৮ ফাল্গুনকে (একুশে ফেব্রুয়ারি) বিশ্ব মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। কারণ, পৃথিবীর কোনো জাতি তাদের মাতৃভাষাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার জন্য বুকের তাজা রক্ত উৎসর্গ করতে দেখা যায়নি।

১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ঢাকার রাজপথে ঘটেছিল বাঙালির ইতিহাস পাল্টে দেওয়ার ঘটনা। আর ‘বাংলা ভাষা প্রাণের ভাষা’ শ্লোগানে মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষায় প্রাণ অকাতরে বিলিয়ে দেয় তরুণরা। একুশে ফেব্রুয়ারি ভাষা শহীদদের স্মরণে ‘জাতীয় শহীদ দিবস’ ও ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে পালিত হবে । এর পরেও অত্যান্ত আফসোসের সঙ্গে বলতে হচ্ছে, আমাদের প্রিয় ভাইয়েরা তাঁদের তাজা রক্তকে সেদিন বিলিয়ে দিয়েছিলেন ধন-ঐশ্বর্যের লোভে মত্ত হয়ে নয়; বাংলাকে প্রাতিষ্ঠানিক ভাষা হিসেবে রূপদানের নেশায় উন্মাদ হয়ে। কিন্তু একি! আমাদের স্কুল, কলেজে, বিশ্ববিদ্যালয়ে, মাদ্রাসায়, গ্রামে-শহরে, গৃহ-গৃহান্তরে, আচার-অনুষ্ঠানে, বিজ্ঞাপন, ব্যানার, সাইনবোর্ডে বড় বড় অক্ষরে লেখা হয়, ‘মহান একুশে ফেব্রুয়ারি!’ আমাদের কাছে হয়তো তাঁরা নীরব আর্তনাদের মধ্য দিয়ে জোর দাবি জানাচ্ছেন: ‘অন্তত মাতৃভাষার এই দিনকে হলেও বাংলা সালের শিরোনাম ৮ ফাল্গুন দিয়ে উদযাপন করা। নতুবা আমাদের এই রক্ত কতটুকুই বা অনুপ্রেরণা জোগাবে তোমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে।’ আরও আশ্চর্যের বিষয়, রেডিও ও টেলিভিশনের কিছু কিছু অনুষ্ঠানে আমাদের এই গর্বের, রক্তে রঞ্জিত সুন্দর সাবলীল ও সহজবোধ্য ভাষাকে বিকৃত উচ্চারণ করা হচ্ছে, যা আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের কাছে যথার্থ বাংলা ভাষা শিক্ষার ক্ষেত্রে ভয়ংকর ও মারাত্মক অন্তরায় হতে পারে। সুতরাং আজ থেকে বাংলা ভাষার বিকৃত উচ্চারণ বন্ধ করি এবং অন্তত মাতৃভাষা দিবসকে ‘৮ ফাল্গুন’ হিসেবে উদযাপন করি।

৮ ফাল্গুন আমাদের চেতনা, রক্তে মাখা বায়ান্নর স্মৃতিঘেরা এই দিন আমাদের দুয়ারে দুয়ারে অনুভবের আগ্নেয়গিরির মতো আসে আর যায়। এই দিন আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় নবজীবনের নকশাকে, পথকে, স্থাপত্যকে, প্রেমের বন্ধনকে, ভালোবাসার গানকে আর জীবনের উন্মেষকে। এক চিকিৎসক আইয়ুব আলীর মতে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে আমাদের যে আশা ছিলো সর্বস্তরের আমরা বাংলা ভাষাকে দেখতে চাই । অথচ একুশে ফেব্রুয়ারী মাদার ল্যাংগুয়েজ ডে ২১ ফেব্রুয়ারী হিসেবে পালন করি। অথচ ভেবে দেখিনা যে আমরা বাংলা মায়ের ভাষা ব্যবহার করি । আমরা এই ২১ শে ফেব্রুয়ারী না বলে বলা উচিৎ ৮ই ফাল্গুন। এছাড়া বিভিন্ন পরিবহনে ভাই ভাই পরিবহন,স্বাগতম এর পরিবর্তে ওয়েলকাম লেখা ছাড়াও বিভিন্ন জায়গায় বাংলার পরিবর্তে ইংরেজীতে দেখে আফসোস করি।  এভাবেই বাংলা ভাষা কলুষিত হচ্ছে অবিরাম। একুশে ফেব্রুয়ারি বাঙালির অহংকার আর ঐতিহ্য নিয়ে থাকবে। সবাই বাংলা ভাষা কেবল শ্রদ্ধাভরে প্রকাশ করবে আর লালন করবে বাংলা সংস্কৃতিকে কেবল এই প্রত্যাশায় সবার মাঝে নিহিত হোক।

সূত্র: বিডি২৪লাইভ টকম

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful