Templates by BIGtheme NET
আজ- বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২০ :: ১৫ আশ্বিন ১৪২৭ :: সময়- ৯ : ০৯ অপরাহ্ন
Home / নীলফামারী / যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের নামে জাতিকে বিভক্ত করতে চায় সরকার- সৈয়দপুরে মির্জা ফখরুল

যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের নামে জাতিকে বিভক্ত করতে চায় সরকার- সৈয়দপুরে মির্জা ফখরুল

নিজস্ব সংবাদদাতা,নীলফামারী ॥ বিএনপি ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বঙ্গবন্ধু ১৯৭৫ সালে যুদ্ধাপরাধীদের সাধারণ মা ঘোষণা করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর ক্ষমাকে হটিয়ে বর্তমান আওয়ামী লীগ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া শুরু করে তারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের নামে জাতিকে বিভক্ত করতে চাইছে। নিজেরাই বিচারের সব কার্যক্রম সম্পন্ন করে এখন বলছে বিচার মানি না।

মির্জা ফখরুল আরো বলেন,যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে হবে স্বচ্ছ, পরিষ্কার ও নিরপেক্ষ ভাবে। রাজনৈতিকভাবে যেন কাউকে হয়রানি না করা হয়। বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার দেউলিয়া হয়ে গেছে। এ সরকারের মধ্যে কোন রাজনৈতিক শক্তি নেই। তাই তাঁরা বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের হয়রানি করছে। তাদের নামে একের পর এক মিথ্যে মামলা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হচ্ছে, তাদের নির্যাতন করা হচ্ছে। এ সরকারের আমলে বিরোধী দলের ১৪৫ জন নেতাকর্মীকে গুম করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাতে সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা বিএনপি আয়োজিত এক কর্মী সভায় প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে তিনি এ কথাগুলো বলেন। শহরের শহীদ ডা. জিকরুল হক সড়কে দলীয় কার্যালয়ে ওই কর্মী সভার আয়োজন করা হয়। কর্মী সভায় সভাপতিত্ব করেন সৈয়দপুর জেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যক্ষ আলহাজ্ব মো. আব্দুল গফুর সরকার।
সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সৈয়দপুর জেলা বিএনপি’র সহ-সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাড. এস. এম ওবায়দুর রহমান, সহ-সভাপতি মো. মুন্না, সাধারণ সম্পাদক পৌর মেয়র অধ্যক্ষ মো. আমজাদ হোসেন সরকার ও পৌর শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. সামসুল আলম প্রমূখ।
এ সময় মঞ্চে অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন সাবেক সাংসদ এ জেড এম রেজওয়ানুল হক,সাবেক সাংসদ আখতারুজ্জামান মিঞা,যুবদলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ফরহাদ হোসন আজাদ প্রমূখ।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বর্তমানে দেশে ক্রান্তিকাল চলছে। ব্যাংকিং ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা ধ্বংস করছে এ সরকার। দুর্নীতির কারণে বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতুতে ঋণ সহায়তা বন্ধ করে দিয়েছে। আওয়ামী মানেই সন্ত্রাস উল্লেখ করে তিনি বলেন, ছাত্রলীগ অস্ত্র নিয়ে নিজেদের মধ্যে মারামারি করছে। তাদের হাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, কলেজের অধ্যক্ষরাও রেহাই পাচ্ছেন না। তারা অস্ত্র নিয়ে দৌঁড়ে বেড়াচ্ছেন।
বিগত ১৯৭২-৭৫ সালেও আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে একই কায়দায় দেশে হত্যা, সন্ত্রাস, দুঃশাসন, লুটপাট, দুর্নীতি শুরু করেছিল। ’৭৪ সালের দেশের ভয়াবহ দূর্ভিক্ষের কথা তুলে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সে সময় কুড়িগ্রামের বাসন্তী তাঁর লজ্জা নিবারণের জন্য এক টুকরা কাপড় পর্যন্ত পাননি। মাছ ধরা জাল নিয়ে তাকে লজ্জা নিবারণ করতে হয়েছে। কাপড়ের অভাবে মৃত্যু মানুষকে কলার পাতা দিয়ে দাফন করতে হয়।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful