Templates by BIGtheme NET
আজ- বুধবার, ৫ অগাস্ট, ২০২০ :: ২১ শ্রাবণ ১৪২৭ :: সময়- ৯ : ৫০ অপরাহ্ন
Home / বিনোদন / মমতাজ কে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করানোর নির্দেশ

মমতাজ কে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করানোর নির্দেশ

বিনোদন ডেস্ক: বাংলাদেশের খ্যাতনামা গায়িকা ও আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য মমতাজ বেগমকে একটি প্রতারণার মামলায় দ্রুত গ্রেপ্তার করে ভারতের আদালতে হাজির করানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আর এ ব্যাপারে ভারতে নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনারকে পূর্ণ সহযোগিতা করার কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশনকেও বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট বিভাগের সঙ্গে কথা বলার জন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। একাধিকবার আদালতের নির্দেশ না মানায় বিচারক অভিযুক্ত মমতাজকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

আইনজীবীদের মতে, মমতাজ বেগমের সশরীরে আদালতে উপস্থিত হওয়া ছাড়া অন্য কোন পথ খোলা নেই। সে ক্ষেত্রে তাকে গ্রেপ্তার করে জেলেও পাঠানো হতে পারে। তবে মাঝে অভিযোগকারীর সঙ্গে যোগাযোগ করে মমতাজ মীমাংসার চেষ্টা করলেও পরবর্তী সময়ে পিছিয়ে আসেন বলে জানা গেছে।

কলকাতাস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনের এক পদাধিকারীও অভিযোগকারীর সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন বলে একটি সূত্রে জানা গেছে। কিন্তু অভিযোগকারী আদালতের বাইরে কোনরকম মীমাংসায় যেতে এই মুহূর্তে রাজি নন বলে জানিয়ে দিয়েছেন। মমতাজ বেগমের বিরুদ্ধে মুর্শিদাবাদের বহরমপুরের আদালতে ভারতীয় পেনাল কোডের ৪০৬, ৪২০ এবং ৫০৬ ধারায় মামলা চলছে। পশ্চিমবঙ্গের নামী অনুষ্ঠান প্রযোজক শক্তিশঙ্কর বাগচি চুক্তিভঙ্গের অভিযোগে মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরের আদালতে একটি প্রতারণার মামলা দায়ের করেন।  ২০০৪ ও ২০০৮ সালে ভারতে অনুষ্ঠান করার জন্য মমতাজ বেগম লিখিত চুক্তির মাধ্যমে দুই পর্যায়ে শক্তিশঙ্কর বাগচির কাছ থেকে মোট ১৪ লাখ রুপি নিয়েছিলেন। কিন্তু পরবর্তী সময়ে আরও অর্থের দাবি জানিয়ে চুক্তি অনুযায়ী অনুষ্ঠান করতে মমতাজ বেগম অস্বীকার করেন। এই পর্যায়ে ডা. মঈন নামে এক ব্যক্তি মমতাজের হয়ে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করেন এবং তা পূরণ না করলে মমতাজ কোন অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন না বলে জানিয়ে দেন। এই ডা. মঈনকেই পরবর্তী সময়ে মমতাজ বেগম বিয়ে করেন বলে জানা গেছে। ২০০৯ সালে বহরমপুর আদালতে মমতাজের বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা (নং ১২২ সি) দায়ের করা হয়। এক পর্যায়ে ২০১০ সালের ১৪ই মে বহরমপুর সেশন জজের কাছ থেকে মমতাজ বেগম আগাম জামিন নিলেও আদালতের শর্ত না মানায় পরবর্তী সময়ে ২০১১ সালের ৮ই মার্চ কলকাতা হাইকোর্ট সেই জামিন বাতিল করে দেয়।

বিচারক অসীম কুমার ব্যানার্জি বহরমপুরের দ্বিতীয় কোর্টের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে অভিযুক্ত মমতাজ বেগমের বিরুদ্ধে প্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেন। সেই মত বহরমপুরের নিম্ন আদালতের বিচারক এ মণ্ডল  ২০১১ সালের ৩০শে নভেম্বর অভিযুক্ত মমতাজ বেগমের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে পশ্চিমবঙ্গ সরকার, ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রক এবং বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। কিন্তু এর পরেই একাধিকবার মমতা বেগম ভারতে এলেও তাকে গ্রেপ্তার না করায় পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের আচরণে ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়। এরই মধ্যে সমপ্রতি পশ্চিমবঙ্গে একাধিক অনুষ্ঠান করার জন্য কলকাতার একটি সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন প্রকাশের পর তা আদালতের গোচরে আনা হয়।

তবে বহরমপুরের নিম্ন আদালতের বিচারক এ মণ্ডল ২০১২ সালের ২০শে ডিসেম্বরের এক নির্দেশে স্পষ্ট করে জানান, বাংলাদেশ হাইকমিশনার আদালতের নির্দেশের প্রেক্ষিতে কোনরূপ তথ্য আদালতকে না জানানোয় ফের সহযোগিতার নির্দেশ দেয়া হয়। আদালতের ২০শে ডিসেম্বর ’১২-এর বিচারক বাংলাদেশের হাইকমিশনারকে মমতাজ বেগমকে তার বাড়ি নং ৫০৪, রাস্তা নং ৩৪, ডিওএইচএস, মহাখালী, থানা ক্যান্টনমেন্ট, ঢাকা বা অন্য কোন জায়গা থেকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করার ব্যাপারে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পূর্ণ সহযোগিতার নির্দেশ দিয়েছেন। কিন্তু আদালতের নির্দেশে বাংলাদেশের হাইকমিশনার এখন পর্যন্ত কোন রকম ব্যবস্থা নেননি। এমনকি গত ৩০শে জানুয়ারি মামলার নির্ধারিত দিনেও আদালতকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করার ব্যাপারে কোন তথ্যই জানানো হয়নি। বিচারক আগামী ১৫ই মার্চ পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছেন। এদিকে এ ব্যাপারে মমতাজের সঙ্গে গতকাল মুঠোফোনে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি তাকে। – See more at: http://mzamin.com/details.php?nid=NDQzODY=&ty=MA==&s=MjI=&c=Mjk=#sthash.T96gM4wG.dpuf

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful