Templates by BIGtheme NET
আজ- মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০ :: ১৪ আশ্বিন ১৪২৭ :: সময়- ১১ : ২২ পুর্বাহ্ন
Home / লালমনিরহাট / কালীগঞ্জে টেপারহাট নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে জাল সনদ ও ভুয়া নিবন্ধনের মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ

কালীগঞ্জে টেপারহাট নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে জাল সনদ ও ভুয়া নিবন্ধনের মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ

নিয়াজ আহমেদ সিপন, কালীগঞ্জ(লালমনিরহাট)প্রতিনিধি: লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার গোড়ল ইউনিয়নের টেপারহাট নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বিধি বহির্ভূতভাবে জাল সনদ ও ভুয়া নিবন্ধনের মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ দৈনিক দিনকাল সহ একাধিক পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর তদন্ত ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টায় তদন্তকারী কর্মকর্তা সহকারী জেলা শিক্ষা অফিসার ভবোশংকর বর্মার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে ওই প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির দাতা সদস্য ও সাবেক সভাপতিসহ এলাকাবাসী।

গত ২৬ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টায় কালীগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে ওই প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক বানোরাম রায় এর কাছে অভিযুক্ত তিনজন শিক্ষকের অবৈধ নিয়োগ সংক্রান্ত কাগজপত্র তলব করলেও মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে অভিযোগকারীদের না জানিয়ে একতরফা তদন্ত সম্পন্ন করেন। বিষয়টি পরবর্তীতে জানাজানি হলে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য,অভিভাবকসহ এলাকাবাসী নিয়োগ বাতিলসহ ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি করছে।

সরেজমিনে বিদ্যালয়ে গিয়ে জানা গেছে, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বানোরাম রায় যোগদানের পর থেকে নানা অনিয়ম,দুর্নীতির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির সীমাহীন ক্ষতিসাধন করেছে । ওই বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি বিনয় চন্দ্র রায় ২৯-০১-২০০৩ ইং হতে ২৮-০১-২০০৬ ইং পর্যন্ত দায়িত্বে থাকাকালীন মোঃ আনিছার রহমান নামের কৃষি শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হলেও ব্যাকডেটে নিয়োগ দেখিয়ে ২০১১ইং সালের জুন মাসের এমপিও তালিকায় (১)নিভা রাণী সরকার, ইনডেক্স নং-১০৫৮৯০৮,(২)ধনঞ্জয় কুমার রায়,ইনডেক্স নং-১০৫৮৯২০,(৩)অখিল চন্দ্র বর্মণ,ইনডেক্স নং-১০৫৮৯২১ নতুন তিনজন শিক্ষকের বেতন-ভাতা বরাদ্দ আসে। তাদেরকে সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের শাখা শিক্ষক হিসাবে নিয়োগ দেখানো হয়েছে।

অভিযোগকারী তৎকালীন ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি,বর্তমান কমিটির দাতা সদস্য বিনয় চন্দ্র রায় বলেন, প্রধান শিক্ষক বানোরাম রায় তার স্বাক্ষর জাল করে ওই তিনজন শিককে নিয়োগ দিয়েছেন। নিয়োগ-কৃত তিন শিকের সনদ পত্র ও নিবন্ধনপত্র ভুয়া। তাদের নিকট হতে মোটা অংকের উৎকোচ গ্রহণ করে প্রধান শিক্ষক প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে ব্যয় না করে প্রায় ১০লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। তিনি আরও বলেন,এ ঘটনায় গত ১৩ ফেব্রুয়ারি জেলা শিক্ষা অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ করলে স্মারক নং-জেঃশিঃঅঃ/লাল/কালী/২৭/২০৪ তাং- ১৯/২/২০১৩ সহকারী জেলা শিক্ষা অফিসার ভবোশংকর বর্মা স্বাক্ষরিত চিঠিতে ২৬/২/২০১৩ইং তারিখে তদন্ত করার কথা থাকলেও প্রকাশ্য তদন্ত না করে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে অভিযোগকারীদের না জানিয়ে একতরফা তদন্ত সম্পন্ন করেন। এমন কি তিনি তদন্ত ধামাচাপা দিতে ওই কর্মকর্তা পরদিন অভিযোগকারীদের তার কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে সাদা কাগজে স্বাক্ষর করতে বাধ্য করেন।
এ বিষয়ে লালমনিরহাট জেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার ভবোশংকর বর্মা তার অফিসে অভিযোগকারীদের ডেকে নিয়ে স্বাক্ষর নেয়ার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন,তিনজন শিক্ষকের নিয়োগ সংক্রান্ত কাগজপত্র প্রদানের জন্য প্রধান শিক্ষককে কিছু সময় দেয়া হয়েছে।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful