Templates by BIGtheme NET
আজ- শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০ :: ১০ আশ্বিন ১৪২৭ :: সময়- ৬ : ৩০ অপরাহ্ন
Home / গাইবান্ধা / গোবিন্দগঞ্জে নির্মাণাধীন খলসি ব্রিজ ১৪ বছর ধরে কার অপেক্ষায় প্রহর গুনছে?

গোবিন্দগঞ্জে নির্মাণাধীন খলসি ব্রিজ ১৪ বছর ধরে কার অপেক্ষায় প্রহর গুনছে?

গাইবান্ধা প্রতিনিধি: গোবিন্দগঞ্জে নির্মাণাধীন খলসি ব্রিজের অপেক্ষায় ১০ বছর ধরে দিন গুনছে ৫টি ইউনিয়নের লক্ষাধিক মানুষ। ১৯৯৮ সালে ব্রিজটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়। দীর্ঘ ১৪ বছর পর ব্রিজটির নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়নি। যার জন্য ৫ টি ইউনিয়নের ৫ লক্ষাধিক মানুষের হৃদয়ের প্রার্থনা ব্রিজটির নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হলে তাদের জীবনযাত্রা সুখকর হবে।

গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা সদরের সঙ্গে কাটাবাড়ি, সাপমারা, শাখাহার, রাজাহার ও কামদিয়া ইউনিয়নের লক্ষাধিক মানুষের যোগাযোগের একমাত্র পথে প্রায় এক যুগ ধরে নির্মিত হচ্ছে এই ব্রিজটি। দীর্ঘদিনের ব্রিজের নির্মাণ কাজ শেষ না হওয়ায় বিকল্প সড়কের ঝুঁকিপূর্ণ বেইলি ব্রিজ দিয়ে চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছে এলাকার মানুষ। ছোট এই বেইলি ব্রিজ ভারী যানবাহন উঠলেই দোল খায়। এরই মধ্যে প্রচন্ড ঝুঁকি নিয়ে এই বেইলি ব্রিজের উপর দিয়ে প্রতিদিন শত শত যানবাহন চলাচল করছে। গাইবান্ধা সড়ক ও জনপদ বিভাগ সূত্রে জানা যায় গোবিন্দগঞ্জ- দিনাজপুর সড়কের খলসি নামক স্থানে প্রায় ৫০ বছর আগে নির্মিত বড়পুল নামের এই ব্রিজটি ১৯৯৫ সালের প্রবল বন্যায় বিধ্বস্ত হয়। ১৯৯৮ সালে সড়ক ও জনপদ বিভাগের তত্বাবধানে এক কোটি ৪২ লাখ ৪৩ হাজার ৬শ’ ৭৬ টাকা ব্যয়ে ৪০.৩৫ মিটার দৈর্ঘ্য ব্রিজটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়। কিছুদিন পর অজ্ঞাত কারণে কাজ বন্ধ হয়ে যায়। এরপর ২০০২ সালে খলসি ব্রিজ পূনঃ নির্মাণের টেন্ডার আহবান ও ২০০৬ সালে কার্যাদেশ এবং নির্মাণ কাজ শুরু হয়। প্রথম দফায় ব্রিজের নির্মাণ কাজ পায় ঢাকার ঠিকাদার প্রতিষ্ঠার মেসার্স হোসেন আলী। ব্রিজ নির্মাণ ব্যয় ধরা হয় এক কোটি ৩৬ লাখ টাকা। কিন্তু বরাদ্দ মেলে ৩০ লাখ টাকা। যা দিয়ে তিনটি পিলারের অর্ধেকাংশ নির্মাণ করা হয়েছে। আবারও অর্থ বরাদ্দের অভাবে ব্রিজের নির্মাণ কাজ বন্ধ হয়ে যায়। তিন বছর পর ২০০৯ সালে দুই কোটি ৬০ লাখ টাকা ব্যয় বরাদ্দে আবারও টেন্ডার আহবান করা হয়। এবার এই কাজের দায়িত্ব পায় ঢাকার নির্মাণ শিল্পী লিমিটেড। এই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ব্রিজ এলাকায় পাথর, বালূ ফেলে কিছুদিন কাজ করার পর আবারও কাজ বন্ধ হয়ে যায়।

এ ব্যাপারে গাইবান্ধা সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী এম এম সেলিম বলেন ব্রিজের তিনটি পিলার উঠাতে সমস্যা সৃষ্টি হওয়ায় ডিজাইন পরিবর্তনের জন্য প্রধান কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। যা এখন অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। খুব শিঘ্রই কাজ পুনরায় শুরু হবে।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful