Templates by BIGtheme NET
আজ- শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২০ :: ২০ আষাঢ় ১৪২৭ :: সময়- ৩ : ৪৪ অপরাহ্ন
Home / টপ নিউজ / বগুড়ায় ঝড়ে নিহত ১৪, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

বগুড়ায় ঝড়ে নিহত ১৪, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

jhoreবগুড়া: বগুড়ায় প্রবল ঝড়ে দেয়াল ও গাছচাপা এবং বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শিশুসহ ১৪ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছে ৮৫ জন। শনিবার সন্ধ্যায় এ জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যায় কালবৈশাখী ঝড়। এতে পুরো জেলা লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে। বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে পড়ায় বন্ধ রয়েছে বিদ্যুৎ সংযোগ।

নিহতরা হলেন বগুড়া শহরের নাটাইপাড়া বউবাজারের আবদুল ওয়াহেদ সরকারের স্ত্রী আজিরন বিবি (৪০), তাদের আত্মীয় নজরুল ইসলামের ৬ মাসের শিশু কন্যা মিলা, শহরদীঘির খাজা মিয়ার ছেলে মো. রজব (১৫) ও মধ্যপালশার আইজলের ছেলে পলাশ (১৮), শাজাহানপুর উপজেলার ফুলকোট গ্রামের আবদুল মান্নান (৩৫), খাসিয়া গ্রামের রাবেয়া বেওয়া (৬৫) ও নয়মাইল কোয়ালপাড়ার বাবলু মিয়ার ছেলে পায়েল (১৬), সারিয়াকান্দি উপজেলার হাটফুলবাড়ির সুজন মিয়া (৩০) ও নারচি বিলপাড়ার শান্তা বেগম (৫০), কাহালুর হারতলা গ্রামের আজিজুল (১৯) ও একই গ্রামের ইসমাইল হোসেন (৩৮), ধুনটের জোড়শিমুল উত্তরপাড়ার আফজাল হোসেন (৬০), সোনাতলার লোহাগাড়া গ্রামের ফিরোজা বেওয়া (৬৫) এবং গাবতলীর তেলিহাটা গ্রামের সামিয়া বেগম (৩২)।

এদিকে, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতি নিহতের পরিবারকে ২০ হাজার টাকা ও ৩০ কেজি করে চাল দেওয়া হবে। আহতরা শুধু সমপরিমাণ চাল পাবেন বলে জানিয়েছেন জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আবদুর রহিম।

বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) আরিফ মণ্ডল জানান, ঝড়ে দেয়াল ও গাছচাপা পড়ে এবং বিদ্যুতায়িত হয়ে ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

বগুড়া আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ হারুনুর রশিদ জানান, শনিবার সন্ধ্যায় ঘন্টায় ৯৬ কিলোমিটার বেগে এ জেলার ওপর দিয়ে প্রবল ঝড় বয়ে যায়। ১৫ মিনিট স্থায়ী এ ঝড়ে পুরো এলাকা লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়। সন্ধ্যা ৬টা ৪ মিনিট থেকে রাত ১০টা ১০ মিনিট পর্যন্ত ৩৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হযরত আলী জানান, ঝড়ে গাছপালা ভেঙে পড়ে ও খুঁটি উপড়ে তার ছিঁড়ে যাওয়ায় বগুড়ার ৩২ কেভি সাব স্টেশন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে পুরো জেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য কাজ চলছে। দুই একদিনের মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক চন্ডিদাস কুন্ডু জানান, ঝড়ে জেলার বিভিন্ন স্থানে ৮৫০ হেক্টর জমির ভুট্টা, ৫০০ হেক্টর জমির শাক-সবজি ও ১০০ হেক্টর জমির কলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে ধানের ক্ষতি হয়নি। ক্ষয়ক্ষতির সঠিক হিসাব পেতে আর দুই তিনদিন সময় লাগবে।

বিভাগীয় বন কর্মকর্তা অজিত কুমার রুদ্র জানান, ঝড়ে গাছপালার ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। রবিবার দুপুর পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির প্রাথমিক হিসাব পাওয়া যায়নি।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful