Templates by BIGtheme NET
আজ- শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২০ :: ৯ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ২ : ৪৬ অপরাহ্ন
Home / টপ নিউজ / নীলসাগর থেকে প্রত্যাহার হচ্ছে বিলাসবহুল বগি

নীলসাগর থেকে প্রত্যাহার হচ্ছে বিলাসবহুল বগি

সেন্ট্রাল ডেস্ক: জামায়াত-শিবিরের নাশকতার মাশুল গুনতে হচ্ছে সৈয়দপুর-ঢাকা রেলপথে চলাচলকারী নীলসাগর এক্সপ্রেসের যাত্রীদের। ১৬ মার্চ এই ট্রেনটি থেকে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত একমাত্র বগিটি প্রত্যাহার করা হচ্ছে। ফলে দুর্ভোগ পোহাতে হবে এ রেলপথে ভ্রমণকারী যাত্রীদের। তাঁরা বগিটি প্রত্যাহার না করার দাবি জানিয়েছেন।
রেলওয়ে সূত্র জানায়, ২ মার্চ জামায়াত-শিবির রাজশাহী-ঢাকা পথে চলাচলকারী সিল্কসিটি ট্রেনটিতে আগুন দেয়। ওই দিন জামায়াত-শিবির হরতাল ডেকেছিল। হরতাল সমর্থকদের তাণ্ডবে বিদেশ থেকে আমদানি করা অত্যাধুনিক ট্রেনটির তিনটি বগি পুড়ে যায়। এতে রেলওয়ের ৭ কোটি ১২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। পুড়ে যাওয়া বগি তিনটির মধ্যে প্রথম শ্রেণীর শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বার্থ কম্পার্টমেন্টও ছিল। এ অবস্থায় রাজশাহী-ঢাকা পথে রেলবহরে প্রথম শ্রেণীর কোচের সংকট দেখা দেয়।
জানা যায়, পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের প্রধান কার্যালয় রাজশাহীতে অবস্থিত। এ ছাড়া রাজশাহী হচ্ছে মহানগর এবং বিভাগীয় শহর। কাজেই গুরুত্ব বিবেচনায় নগর থেকে চলাচলকারী ট্রেনে প্রথম শ্রেণীর শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বগি রাখা অধিকতর যৌক্তিক বলে মনে করে কর্তৃপক্ষ। কাজেই মাশুল গুনতে হচ্ছে রংপুর বিভাগের রেলযাত্রীদেরই।
রেলওয়ে সূত্রে আরও জানা যায়, প্রায় পাঁচ মাস আগে নীলসাগর থেকে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত স্নিগ্ধা চেয়ারকোচটি প্রত্যাহার করা হয়েছে। ওই কোচটিও সিল্কসিটি ট্রেনবহরে রাজশাহী-ঢাকা পথে চলাচল করছে। এখন নীলসাগর থেকে অপর শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বগিটিও সিল্কসিটি ট্রেনবহরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
সৈয়দপুর-ঢাকা পথের রেলযাত্রী ব্যবসায়ী জিকরুল হক জানান, কর্তৃপক্ষ বারবার নীলসাগর থেকে প্রথম শ্রেণীর কোচ কেটে নিয়ে তাঁদের অবহেলা করছে। রেলযাত্রী সিদ্দিকুল আলম বলেন, সৈয়দপুর উপজেলা হলেও এ শহরে দেশের বৃহত্তম রেলওয়ে কারখানা রয়েছে। আছে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। আরও আছে উত্তরা ইপিজেড। এ অঞ্চলের মানুষের কাছে ট্রেনযাত্রা দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছিল। অথচ কর্তৃপক্ষ বিকল্প ব্যবস্থা না করে নীলসাগর থেকে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বগি প্রত্যাহার করছে। এ সিদ্ধান্ত কোনোক্রমেই যৌক্তিক নয়। তিনি বলেন, ‘বগিটি চালু রাখতে কর্তৃপক্ষ সদয় ভূমিকা রাখবে এটা আমাদের দাবি।’
সৈয়দপুর রেলওয়ে স্টেশনের সহকারী মাস্টার আলমগীর হোসেন জানান, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশেই আগামী ১৬ মার্চ থেকে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বগিটি নীলসাগর থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়া হচ্ছে। এতে যাত্রীরা বিড়ম্বনায় পড়বেন বলে স্বীকার করেন তিনি।
স্থানীয় সাংসদ এ এ মারুফ সাকলান বলেন, নীলসাগরের ওই বগিটিতে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ কোটার ব্যবস্থা ছিল। বগিটি বন্ধ হলে রংপুর অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ রেলযাত্রীরা দুর্ভোগে পড়বেন। বগিটি চালু রাখতে রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানাবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful