Home / টপ নিউজ / রংপুর বিভাগের ট্রেন যাত্রায় নেমে এসেছে চরম ভোগান্তি

রংপুর বিভাগের ট্রেন যাত্রায় নেমে এসেছে চরম ভোগান্তি

 

সেন্ট্রাল নিউজ ডেক্সঃ  একের পর এক ট্রেন বন্ধ হওযায় রংপুর বিভাগের রেল পথে যাত্রী ভোগান্তি চরম পর্যায়ে পৌছেছে। আসন স্বল্পতা, ভাঙ্গাচুড়া কম্পা‌রমেন্ট, সময়-সুচীর বিপর্যয়, মেয়াদ উত্তীর্ণ ইঞ্জিন দ্বারা ট্রেন চালনা ও সমস্যা নিরসনে কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপ না থাকায় রেল বিভাগের স্থানীয় কর্মকর্তারাও রয়েছেন হতাশায়।

গাইবান্ধার রেলওয়ে জংশন স্টেশন থেকে সান্তাহার রুটে চলাচল করে কলেজ ট্রেন। সকাল ৭ টায় ট্রেনটি ছাড়ার সময় দেখা যায় বোনারপাড়াতেই সব আসন পূর্ণ হয়েও দ্বিগুন যাত্রী দাড়িয়ে থাকে। সান্তাহার পর্যন্ত ১৩টি স্টেশনে যাত্রা বিরতি কালে গাদাগাদি করে আসনের চার গুন যাত্রী উঠে ট্রেনটিতে।

দিনাজপুর থেকে ছেড়ে বোনারপাড়া হয়ে সান্তাহার পর্যন্ত চলাচলকারী আন্তনগর দোলনচাপা এক্সপ্রেস ট্রেনের আসন সমস্যা আরও প্রকট। ট্রেনটিতে ৪টি মাত্র কম্পা‌রমেন্ট থাকলেও প্রতিদিন যাত্রী হয় তিন গুন বেশি । আসন সংখ্যার চেয়ে অতিরিক্ত যাত্রী দাড়িয়ে দরজা জানালায় ও ইঞ্জিন অংশে বাদুর ঝোলা করে যাতায়াত করে। মাঝে মধ্যে দুর্ঘটনাও ঘটে।

লালমনিরহাট- বোনার পাড়া- সান্তাহার রুটে চলাচলকারী পদ্মরাগ এক্রপ্রেস, ২টি মেইল ট্রেন ও ৩টি লোকাল ট্রেনের অবস্থা আরও খারাপ । ট্রেন গুলোর জানালা- দরজা ও টয়লেট ভাঙ্গা । দুর্গন্ধে বসে থাকা কষ্ট কর । বেশকিছু বগির পাটাতন ভেঙ্গে গেছে ।

এদিকে এই রুটে কোন ট্রেনই সময়সুচী মেনে চলাচল করছে না । বোনারপাড়া জংশন ষ্টেশনে খোজ নিয়ে জানা যায়, সান্তারহার গামী বিকাল ৫.২০ মিনিটের পদ্মরাগ ট্রেন বিলম্ব হয়ে রাত ১০ টার দিকে আসে । ওই ট্রেনের যাত্রী শহিদুল ইসলাম ও রাজু খন্দকার জানান, ট্রেনের এত সময় বিপর্যয়ের কারনে যাত্রী ভোগান্তি চরম বেড়েছে।

এরই মধ্যে ট্রেনটির ইঞ্জিল বিকল হয়ে মহিমাগঞ্জ স্টেশনে প্রায় ৫ ঘন্টা পড়ে ছেড়ে ছিলো। রেলওয়ে সুত্র জানায়, এই রুটে ইঞ্জিন সংকট চরম আকার ধারন করেছে। ইঞ্জিন বিকল হলে তাৎক্ষনিক উদ্ধারে ইঞ্জিন পাঠিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার কোন উপায় নেই।

কোথাও ইঞ্জিন বিকল হলে লালমনিরহাট থেকে ইঞ্জিন এনে অনেক বেশি সময়ক্ষেপনের পর উদ্ধার পূর্বক ট্রেন চালাতে হয় বলে জানালেন সংশ্লিষ্টরা। বোনারপাড়া রেলওয়ে লোকোসেট অফিস জানায় ১৬টি ইঞ্জিনের কোনটিরই মেয়াদ নেই। একেবারে অচল হয়ে পড়ে আছে ১২টি ।

কোনমতে জংশন এলাকায় ওয়াগন সানটিং এর কাজে ব্যবহার হচ্ছে ৪টি ইঞ্জিন। এসব দিয়ে দুরপথের কোন ট্রেন চালনা সম্ভব হচ্ছে না। লোকোসেড ইনচার্জ (ফোরম্যান) আব্দুল হাদির সাথে কথা হলে তিনি জানান এ অঞ্চলে ট্রেন চলাচলে ইঞ্জিন সংকটই বড় সমস্যা। এইসংকট কাটলেই সমস্যা দুর হবে বলে জানান তিনি ।

 

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful