Templates by BIGtheme NET
আজ- শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০ :: ১০ আশ্বিন ১৪২৭ :: সময়- ৭ : ২১ পুর্বাহ্ন
Home / গাইবান্ধা / সুন্দরগঞ্জের বর্বর হামলার মূল হোতারা ধরা-ছোঁয়ার বাইরে

সুন্দরগঞ্জের বর্বর হামলার মূল হোতারা ধরা-ছোঁয়ার বাইরে

গাইবান্ধা প্রতিনিধি: সুন্দরগঞ্জের বামনডাঙ্গাসহ গাইবান্ধার বিভিন্ন এলাকার রেল স্টেশন, সরকারি অফিস, বাড়িঘর দোকানপাট জ্বালিয়ে চার পুলিশকে হত্যার পর উল্লাস করেছিলো জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা। অথচ এ রকম বর্বর সহিংস ঘটনার মূল হোতারা এখনও ধরা-ছোঁয়ার বাইরে। তারা নতুন করে হামলা ও হত্যার হুমকি দিচ্ছে প্রগতিশীল রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের। কয়েকজনের নাম ধরে ঘোষণাও করেছে কাটা মাথার মূল্য।

ফাঁড়িতে চার পুলিশকে বধ করার পর গত ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রথম বামনডাঙ্গা জয়ের উল্লাস করে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা। এরপর একে একে পুলিশ ফাঁড়ি, রেল স্টেশন, বেশ কয়েকটি সরকারি দপ্তর, সাধারণ মানুষের দোকানপাট, আশ্রয়স্থল ভেঙ্গেচুরে জ্বালিয়ে দেয়ার পর পাশবিক উল্লাস মেতে ওঠে তারা। সেদিনের হিংস্রতা থেকে কাউকেই রক্ষা করতে পারেনি পুলিশ, এখনও পারছে না। তার ওপর ভয়ার্ত খরগোশ বনে যাওয়া মানুষগুলোর পাশে দাঁড়িয়েছেন যে দু’চার জন, তাদের মাথার দাম হাকিয়ে পুরষ্কার ঘোষণা করেছে হামলাকারীরা।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি জামায়াত এবং শিবির যে এখানে ধ্বংস লীলা চালিয়েছে তা হার মানিয়েছে একাত্তরের স্মৃতিকেও। এই পরিস্থিতিতে এখানে যখন আতঙ্কিত মানুষ তখন আশ্রয় চেয়েছে পুলিশের কাছে। কিন্তু সেই পুলিশের বিরুদ্ধে রয়েছে প্রতিপক্ষের ভূমিকা গ্রহণের অভিযোগ।

সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুর রহমান বলেন, এই মামলার তদন্তে কোনো বিঘ্ন ঘটেনি। স্বাভাবিক গতিতেই কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। চার পুলিশের মৃত্যু, রাষ্ট্রীয় সম্পদ, সাধারণ মানুষের জানমাল রায় ব্যর্থ হওয়ায় সুন্দরগঞ্জের পুলিশ কর্মকর্তার প্রতি সাধারণ মানুষের ভরসা উঠে গেলেও তার ওপর উপর মহলের আস্থায় শঙ্কিত স্থানীয়রা।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful