Templates by BIGtheme NET
আজ- রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০ :: ১২ আশ্বিন ১৪২৭ :: সময়- ১ : ৫২ অপরাহ্ন
Home / কুড়িগ্রাম / খালেদা জিয়ার ডাকা হরতাল জনগণ প্রত্যাখান করেছে-

খালেদা জিয়ার ডাকা হরতাল জনগণ প্রত্যাখান করেছে-

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: খালেদা জিয়ার ডাকা হরতাল জনগণ প্রত্যাখান করেছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর। হরতালের নামে মানুষকে হত্যা করা, পরিবহন বিনষ্ট করা, পথে ঘাটে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা, দরিদ্র মানুষের দোকানপাট লুট করা এটা আমরা কোনো দিনও হতে দিবনা।”

তিনি মঙ্গলবার দুপুরে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী থানা ভবনের উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত সুধী সমাবেশে এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “অনৈতিকভাবে দেশের আর্থ সামাজিক কাজে বাধা দিয়ে কোনো হরতাল বাংলাদেশে আরোপিত করা যাবেনা। শক্ত হাতে ও দৃঢ়তার সঙ্গে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা প্রয়োগ করে অনৈতিক হরতালের সহিংসতা দমন করার জন্য আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।”

তিনি বলেন, “আগামী নির্বাচন অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠভাবে অনুষ্ঠিত হবে। হরতাল আরোপ করে যদি নৃশংস কোনো কর্মকাণ্ডে কারও প্রাণ যায়, তাহলে হরতাল আহ্বানকারীদের এসব হত্যার দায়ে তাদের আমি দায়ী করবো।”

কুড়িগ্রামের পুলিশ সুপার সঞ্জয় কুমার কুণ্ডুর সভাপতিত্বে সুধী সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- কুড়িগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য জাফর আলী, গাইবান্ধা-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী, পুলিশের আইজিপি হাসান মাহমুদ খন্দকার, র‌্যাবের মহাপরিচালক মোখলেছুর রহামান, রংপুরের বিভাগীয় পুলিশের ডিআইজি ইকবাল বাহার ও কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক মো. হাবিবুর রহমান।

উল্লেখ্য, ১ কোটি ৬২ লাখ ২৪ হাজার টাকা ব্যয়ে ফুলবাড়ী থানা ভবনটি নির্মাণ করা হয়।

 ১৯৭১ সালের তাণ্ডবকেও হার মানিয়েছে–গাইবান্ধায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

গাইবান্ধা প্রতিনিধি: জামায়াত-শিবিরের তাণ্ডবের ১৯ দিন পর আজ মঙ্গলবার গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর বলেছেন, ভয়াবহ এই ঘটনা ১৯৭১ সালের নারকীয় তাণ্ডবকেও হার মানিয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া হবে।

মন্ত্রী প্রথমে উপজেলার বামনডাঙ্গা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, জামায়াত-শিবির সুন্দরগঞ্জের বামনডাঙ্গা এলাকায় যে নারকীয় তাণ্ডব চালিয়েছে, তা ১৯৭১ সালের নারকীয় ঘটনাকেও হার মানিয়েছে। তাঁরা রেলস্টেশন পুড়িয়ে দিয়েছে, পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে হামলা করে পুলিশকে হত্যা করেছে, রাষ্ট্রের ওপর হামলা চালিয়েছে। ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মূল হোতাদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অপরাধী ও সন্ত্রাসীরা যত শক্তিশালী হোক, সর্বশক্তি দিয়ে তাদের দমন করা হবে।
তিনি নিহত পুলিশ কনস্টেবলদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বলেন, যাঁরা দেশের নিরাপত্তা রক্ষায় কাজ করেন, তাঁদের নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। তিনি এ ঘটনার জন্য ‘লজ্জিত এবং দুঃখ প্রকাশ’ করেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, জামায়াত-শিবিরের হামলায় নিহত কনস্টেবল সদস্যদের পরিবারপ্রতি দেড় লাখ টাকা করে দেওয়া হয়েছে। আরও ২০ লাখ টাকা দেওয়া হবে। নিহত পুলিশ সদস্যদের পুনর্বাসন করা হবে বলেও তিনি জানান।

পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ক্ষতিগ্রস্ত বামনডাঙ্গা রেলস্টেশন পরিদর্শন শেষে স্টেশন চত্বরে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বলেন, যারা পুলিশ হত্যা করেছে এবং রেলস্টেশন, আওয়ামী লীগের কার্যালয়, দোকানপাট ও সংখ্যালঘুদের বাড়িঘর ভাঙচুর করে পুড়িয়ে দিয়েছে, তাদের কেউ রেহাই পাবে না।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful