Templates by BIGtheme NET
আজ- রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০ :: ১২ আশ্বিন ১৪২৭ :: সময়- ১ : ১৪ অপরাহ্ন
Home / টপ নিউজ / পঞ্চগড়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে চায়ের চাষাবাদ

পঞ্চগড়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে চায়ের চাষাবাদ

নিজস্ব সংবাদদাতা: পঞ্চগড় জেলায় খুব অল্প সময়ের মধ্যে চায়ের চাষাবাদ বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এর প্রেক্ষিতে এখানে চায়ের উৎপাদনও বাড়ছে। গত বছর এখানে মোট ৬ লাখ ৫৮ হাজার ২৪ কেজি চা উৎপন্ন হয়েছে, যার বাজার মূল্য ১০ কোটি টাকা।

চা বোর্ড ও বাগান মালিকদের সূত্রে জানা গেছে, ২০০০ সালে প্রথম এখানে চা বাগান শুরু করা হয়। আর প্রথম চা উৎপন্ন হয় ২০০৫ সাল থেকে। ওই বছর ১ লাখ ৬১ হাজার ২২৬ কেজি চা উৎপাদিত হয়। তবে এখানকার চায়ের মান দার্জিলিংয়ের মতো হওয়ায় এর দাম অন্যান্য চায়ের চেয়ে একটু বেশি।

বাগান মালিক ও চা বোর্ডের কর্মকর্তারা বলেন, গত বছর এ জেলায় চা উৎপাদিত হয়েছে ৬ লাখ ৫৮ হাজার ২৪ কেজি। প্রতি কেজির মূল্য ১৫০ টাকা করে হিসাব করলে পঞ্চগড়ে গত বছর উৎপাদিত চায়ের আনুমানিক বাজার মূল্য হবে কমপক্ষে ১০ কোটি টাকা। বর্তমানে এ জেলায় ছোট-বড় মিলিয়ে ২৮০টি চা বাগান এবং আটটি এস্টেট রয়েছে। সব মিলিয়ে এ জেলায় ২ হাজার ২৫৫ একর জমিতে চায়ের চাষ হচ্ছে। চলতি বছর আরও ১শ’ একর জমি চা চাষের আওতায় আসবে।

বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ রুহুল আমীন সম্প্রতি পঞ্চগড়ে চা বাগানের মালিকের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় জানান, চা শিল্পের উন্নয়নে ১২ বছর মেয়াদী ৭৬১ কোটি টাকার একটি প্রকল্পের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ‘স্ট্রাটেজিক ডেভেলপমেন্ট প্লান্ট ফর টি ইন্ডাস্ট্রি অফ বাংলাদেশ ভিশন-২০২১’ শীর্ষক প্রকল্পটি অনুমোদন ও বাস্তবায়ন হলে দেশে বছরে চায়ের উৎপাদন বাড়বে চার কোটি কেজি। এর ফলে ২০২১ সালে চায়ের উৎপাদন ১০ কোটি কেজিতে উন্নীত হবে। এ থেকে বছরে রাজস্ব আয় হবে ৫শ’ কোটি টাকা। এ প্রকল্পের আওতায় পঞ্চগড়ে ক্ষুদ্র চা চাষীদের জন্যও ১শ’ কোটি টাকার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

এদিকে চা বোর্ড এবার দুই লাখ চারা উৎপাদন করেছে। এই চারা ক্ষুদ্র চা চাষীদের মাঝে স্বল্প বা বিনামূল্যে বিতরণ করা হবে বলে জানান চা বোর্ডের আঞ্চলিক অফিসের উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ আমীর হোসেন। পঞ্চগড়ে চায়ের চাষাবাদ উৎসাহিত করতে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব) চলতি বছর ছয় কোটি ২১ লাখ টাকার ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত এক কোটি ২৫ লাখ টাকা বিতরণ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ স্মল টি গার্ডেন ওনার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি আমিরূল হক বলেন, চা বাগানগুলোতে ৫ হাজার শ্রমিকের কর্মসংস্থান হয়েছে, যা দিন দিন বাড়ছে। তবে চা বোর্ডের আঞ্চলিক কার্যালয়ে দক্ষ জনবল ও কারিগরি সহায়তার অভাব, ঋণ বিতরণে জটিলতা, জমি-জমার সমস্যা, চা-পাতার ন্যায্য মূল্যের অনিশ্চয়তা এবং শ্র্রমিক কল্যাণ সুবিধা না থাকায় পঞ্চগড়ে অনেক সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও চায়ের চাষ সম্প্রসারিত হচ্ছে না। এসব প্রতিবন্ধকতা দূর হলে এখানে চায়ের চাষাবাদ বাড়বে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

করতোয়া চা কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ কামাল উদ্দীন হায়দার বলেন, আমরা ঠিকমতো বিদ্যুৎ পাই না, জেনারেটর দিয়ে উৎপাদন করতে হয়, যে কারণে সিলেট ও চট্রগ্রামের তুলনায় প্রতি কেজি চা প্রক্রিয়াজাতকরণে জ্বালানী খরচ ৩৫ টাকা বেশি হয়।

চা বোর্ড সূত্র জানায়, চা চাষের পরিধি আরও বাড়ানোর জন্য নির্ধারিত চাষীদের কারিগরি ও প্রযুত্তিগত প্রশিক্ষণ এবং হেক্টর প্রতি ১৪ হাজার টাকা করে ভর্তুকি দেয়া হচ্ছে।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful