Templates by BIGtheme NET
আজ- শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০ :: ৩ আশ্বিন ১৪২৭ :: সময়- ৪ : ৫৩ অপরাহ্ন
Home / টপ নিউজ / ভারতের একতরফা পানি প্রত্যাহার নীতির কারণে অস্তিত্ব সংকটে উত্তরাঞ্চলের নদ-নদী

ভারতের একতরফা পানি প্রত্যাহার নীতির কারণে অস্তিত্ব সংকটে উত্তরাঞ্চলের নদ-নদী

সেন্ট্রাল ডেস্ক: ভারতের একতরফা পানি প্রত্যাহার নীতির কারণে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের ছোট-বড় ৪০ নদী অস্তিত্ব হারিয়েছে। অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে পদ্মা, যমুনা, তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্রের পানিপ্রবাহও কমেছে। ছোট নদী দূরে থাক, এখন এসব বড় নদীও মরা খালে পরিণত হয়েছে।

এক সময়ের প্রবল খরস্রোতা এসব নদীর বুকে জেগে উঠছে বিশাল বালুচর। দু’কূলে ছাপিয়ে ছন্দবদ্ধ ঢেউ খেলানো এসব নদীর দিকে তাকালে নজরে পড়ে মরুভূমির ন্যায় মরিচিকার হাতছানি। ফলে নদীমাতৃক বাংলাদেশের নদীবিধৌত এই অঞ্চলের ভূ-প্রাকৃতিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে। এতে করে পরিবেশ বিপর্যয়ের দীর্ঘমেয়াদি বিশাল ক্ষতি ছাড়াও বছরে আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা।

জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব আর পানিশূন্যতায় প্রবাহ কমে যাওয়া এসব নদীতীরবর্তী বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে শুরু হয়েছে মরুকরণ প্রক্রিয়া। এতে করে একদিকে যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে উত্তরাঞ্চলের কৃষি, তেমনি মৎস্যভাণ্ডারও মাছশূন্য হয়ে পড়ছে। বেকার হচ্ছেন হাজার হাজার মৎস্যজীবী পরিবার। কৃষি অর্থনীতি থেকে শুরু করে ব্যবসা-বাণিজ্য সবকিছুতেই বিরূপ প্রভাব পড়ছে নদীবিধৌত পাললিক উত্তর জনপদে।

উত্তরাঞ্চলের পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলীরা বলেন, “উত্তরাঞ্চলে প্রবাহিত এসব নদীর উৎসমুখ ভারতে। আর এসব নদীর উজানে ভারত একতরফা পানি প্রত্যাহর করায় নদীগুলো একের পর এক অস্তিত্ব হারাচ্ছে।এছাড়াও নদীগুলো দীর্ঘদিন ড্রেজিং না হওয়ায় অভ্যন্তরীণ প্রবাহও বাধাগ্রস্ত হয়ে দিন দিন ভরাট হয়ে যাচ্ছে।”

তিস্তা, যমুনা, ব্রহ্মপুত্র আর ঘাঘট নদীর তীরজুড়ে গড়ে ওঠা রংপুর, গাইবান্ধা ও কুড়িগ্রাম এলাকাজুড়ে বয়ে চলা ছোট ছোট আরো আটটি নদী একেবারে অস্তিত্ব হারিয়েছে। এসব নদীতে বর্ষাকালে খালের মতো পানিপ্রবাহ থাকলেও গ্রীষ্মকালে একফোঁটা পানিও থাকে না। নদীগুলো মরে যাওয়ায় এ অঞ্চলের প্রায় এক লাখ মৎস্যজীবী এখন বেকার হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। পানিপ্রবাহ না থাকায় ভরাট হয়ে যাওয়া এসব নদীতীরবর্তী এলাকা শুধু মরুকরণই হচ্ছে না, সেইসঙ্গে বন্যাপ্রবণ হয়ে উঠছে এই জনপদ।

অনেক ছোট নদনদী একসময় এই অঞ্চলকে সমৃদ্ধ করেছে। এসব নদীতে পাওয়া যেত হাজারো প্রজাতির দেশি মাছ। এখন সেসব মাছ যেমন বিলুপ্ত হয়ে গেছে তেমনি নদীতে পানি প্রবাহ না থাকায় মাছ থাকার সুযোগও নেই। এসব নদী পাড়ের অনৈক মানুষ মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করত। এখন তাদেরও দুর্দিন চলছে। নদীর পানিতে ফসল ফলানোর সেই সোনালি সময় নেই কৃষকদের হাতে।
নদী ড্রেজিং না হওয়া পর্যন্ত তাদের ভাগ্য ফিরবে না বলেই বিশ্বাস করেন স্থানীয় জনগণ। নৌপথে এই ড্রেজিং বগুড়ার ৪৫ কিলোমিটার নদীপথকে শুধু সম্প্রসারিত করবেই না, এ অঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মুখে ফোটাবে সুখের হাসি।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful