Templates by BIGtheme NET
আজ- রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০ :: ১২ আশ্বিন ১৪২৭ :: সময়- ১০ : ৩৬ অপরাহ্ন
Home / গাইবান্ধা / অনুসন্ধান: পলাশবাড়ীতে চাঞ্চল্যকর জোড়া শিশু হত্যার নৈপথ্য কাহিনী

অনুসন্ধান: পলাশবাড়ীতে চাঞ্চল্যকর জোড়া শিশু হত্যার নৈপথ্য কাহিনী

গাইবান্ধা প্রতিনিধি: গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার করতোয়া পাড়ার জোড়া খুনের মামলার রহস্য উদঘাটিত হয়েছে। অন্যকে ফাঁসাতে গিয়ে মামলা দায়ের করা হয় মর্মে ডিবির তদন্তকারী কর্মকর্তা ওই মামলার বাদী আব্দুল আজিজের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে পূর্ববতী মামলার সকল আসামিদের অব্যাহতি দিয়ে চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করেছেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ঘটনার দিন গত বছর ১৬ নভেম্বর আব্দুল আজিজ তার ছোট বোন ফেন্সি আক্তার (৭), কন্যা রাজিয়া সুলতানা (২) এবং ছোট মাতা শাহেনা বেগম (৩৫) ও তার ছেলে মোঃ শামীম মিয়া (৭) সহ তাদের পত্তন-কৃত জমিতে লাগানো ভুট্টা ও আলুর পাখী তাড়ানোর জন্য যায়। সেখানে যাওয়ামাত্রই জমিজমা নিয়ে বিরোধকারী লোকজন পূর্ব পরিকল্পিতভাবে তাদের উপর হামলা করে। এতে শামিম মিয়া লাঠির আঘাতে জখম হয়, ফেন্সি ও তার কোলে থাকা রাজিয়া সুলতানার বুকে ছুরির আঘাত লেগে গুরুতর জখম হয়। পরে তারা পালিয়ে যায়। আহতদের গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা ফেন্সি আক্তারকে মৃত ঘোষণা করে। ছেলে শামীম ও মেয়ে রাজিয়া সুলতানার অবস্থার অবনতি হলে তাদের রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাজিয়ার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় ১৬ নভেম্বর আব্দুল আজিজ বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পলাশবাড়ী থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক দীর্ঘদিন ধরে তদন্ত করাকালে সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে গত ১৭ ফেব্রুয়ারী মামলাটি গাইবান্ধার ডিবি পুলিশের উপর ন্যস্ত করে। দীর্ঘ তদন্ত শেষে ডিবির তদন্তকারী কর্মকর্তা গত ১৬ মার্চ মামলার চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করেছে।

জানা গেছে, চূড়ান্ত রিপোর্টে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ধারে ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও খুনের ঘটনায় ব্যবহৃত ছোড়া উদ্ধার এজাহারে উল্লেখিত সাক্ষিদের জিজ্ঞাসাবাদ করাকালে সাক্ষি হযরত আলী জানায় সে নিজে ওই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী নয়। কিন্তু পূর্বের লিপিবদ্ধকৃত ১৬১ ধারার জবানবন্দিতে সে বর্ণনা করেছিল এজাহার নামীয় আসামীগণকে সে ঘটনা ঘটাতে দেখেছে।ফলে জোড়া-খুনের ওই মোটিভ সম্পর্কে তদন্তকারীর সন্দে তীব্র হওয়ায় পরে এজাহারে উল্লেখিত সাক্ষি বাদীর স্ত্রী মোছা: শায়না বেগম, ছেলে শামীম মিয়াকে নিবিড় ভাবে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে বাদী আব্দুল আজিজের স্ত্রী শায়মা কেঁদে উঠে বলে প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর জন্য আব্দুল আজিজ নিজেই তার ননদ ফেন্সি এবং কন্যা রাজিয়াকে ছুরি দিয়ে আঘাত করায় তাদের মৃত্যু হয়। আঃ আজিজ তাকেও লাঠি দিয়ে আঘাত করায় সেও জখম হয়েছে।

সাক্ষি শায়মা, শহিদুল, সাখাওয়াত হোসেন, নজরুল ছাড়াও গ্রেফতারকৃত আব্দুল আজিজ জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে নিজের অপকর্ম স্বীকার করে অনুতপ্ত হয়ে জোড়া খুনের বিস্তারিত ঘটনা বর্ণনা করে ও অন্যকে ফাঁসাতে গিয়ে খুনের ঘটনা ঘটিয়েছে মর্মে দোষ স্বীকার করে। এজাহার নামীয় আসামীরা ঘটনার সাথে জড়িত না থাকায় তাদের দায় থেকে অব্যাহতি দিয়ে চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করা হয়। আব্দুল আজিজকে জোড়া-খুনের আসামী করে পলাশবাড়ী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই অশোক সিংহ জানান।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful