Templates by BIGtheme NET
আজ- বৃহস্পতিবার, ১৪ নভেম্বর, ২০১৯ :: ৩০ কার্তিক ১৪২৬ :: সময়- ৭ : ৩৪ পুর্বাহ্ন
Home / নীলফামারী / নীলফামারীতে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস

নীলফামারীতে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস

ইনজামাম-উল-হক, নীলফামারী ১২ এপ্রিল॥ নীলফামারীতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন পত্র ফাঁস হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত একটি চক্র হাতে লেখা প্রশ্নপত্রের ফটোকপি নিয়ে জেলা সদরসহ বিভিন্ন উপজেলায় ছড়িয়ে পড়ে। তারা একহাজার টাকা থেকে শুরু করে দশ হাজার টাকা পর্যন্ত পরীক্ষার্থীদের কাছে ওই প্রশ্নপত্র বিক্রি করে।

শুক্রবার পরীক্ষার দিন ফাঁস হওয়া সেই প্রশ্নপত্রের সাথে পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে করতোয়া সেট নম্বর ১ এর হুবহু মিল পেয়েছে পরীক্ষার্থীরা। তবে পরীক্ষার প্রশ্নপত্র কারা ফাঁস করলো সে সম্পর্কে পুলিশ কাউকেই চিহ্নিত বা আটক করতে পারেনি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে জেলার ৬ উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা জেলা সদর ও সৈয়দপুর উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কেন্দ্র অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে জেলা সদর, কিশোরীগঞ্জ ও সৈয়দপুর উপজেলার প্রার্থীদের কেন্দ্র ছিল সৈয়দপুরে। অপর দিকে জলঢাকা, ডোমার ও ডিমলা উপজেলার পরীক্ষা কেন্দ্র ছিল নীলফামারী জেলা সদরে। লিখিত পরীক্ষায় ২০ হাজার ৭৩০জন প্রার্থী ছিল।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জেলার ডিমলা উপজেলার একজন পরীক্ষার্থী জানান, বৃহস্পতিবার রাতে পাওয়া প্রশ্নপত্রের সাথে মুল প্রশ্নপত্রের হুবহু মিল রয়েছে। অনেকেই সে প্রশ্নপত্র সংগ্রহ করে শতভাগ উত্তর দিয়েছে।
শুক্রবার পরীক্ষা কেন্দ্রগুলোর বাইরে পরীক্ষার্থীদের সাথে আসা অপেক্ষমাণদের মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়ে এসব রটনা।

ডোমার উপজেলার এমন একজন অভিভাবক জানান, বৃহস্পতিবার রাত থেকে এমন গুজব শুনেছি। পরীক্ষাকেন্দ্রের বাইরে হাতে লেখা এমন প্রশ্নপত্র অনেকের কাছে দেখেছি। জলঢাকা উপজেলার শাহীন নামে এক পরীক্ষার্থী জানান, রাতে পাওয়া প্রশ্নের সাথে পরীক্ষার প্রশ্নের মিল রয়েছে। হুব হু-মিল পাওয়া প্রশ্নপত্রটি হলো করতোয়া, সেট নম্বর ১।

শুক্রবার পরীক্ষা শেষে শহরের বিভিন্ন স্থানে এমন প্রশ্নপত্রের সাথে মুল প্রশ্ন পত্র মিলিয়ে দেখেন অনেকে। তাঁদের মধ্যে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মাধ্যমিক স্কুলের একজন শিক্ষক জানান, ফাঁস হওয়া প্রশ্নের সাথে পরীক্ষার প্রশ্নের মিল রয়েছে। একটি চক্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে এ প্রশ্নপত্রের ব্যবসা করেছে বলে তিনি মনে করেন।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সিদ্দিক মোহাম্মদ ইউসুফ রেজা জানান, জেলায় এবার ২০ সাতশত ত্রিশ জন পরীক্ষার্থী রয়েছে। পরীক্ষার বিভিন্ন স্থানে পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়টি গণমাধ্যমে জেনেছি। পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ট্রেজারীতে থাকে। পরীক্ষার এক ঘণ্টা আগে আমরা হাতে পাই। নীলফামারীতে প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়ে আমার জানা নেই।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful