Templates by BIGtheme NET
আজ- বুধবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৯ :: ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ :: সময়- ১০ : ০২ অপরাহ্ন
Home / টপ নিউজ / ১৪ বছর সাজার বিধান রেখে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন

১৪ বছর সাজার বিধান রেখে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন

I-T-Law cort ডেস্ক: সর্বোচ্চ ১৪ বছর সাজার বিধান রেখে ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন-২০১৬’ করতে যাচ্ছে সরকার। পাশাপাশি ৫৭ নম্বরসহ কয়েকটি ধারা বিদ্যমান আইসিটি আইন থেকে বাদ দিয়ে সেগুলো আরও স্পষ্ট করে নতুন আইনে যুক্ত করা হবে।

রোববার দুপুরে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের তৈরি করা আইনের খসড়া নিয়ে সচিবালয়ে বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘৫৭ ধারা নিয়ে সাংবাদিকদের মধ্যে একটি শঙ্কা আছে জানি। নতুন ডিজিটাল আইন প্রণয়ন হলে তা থাকবে না আশা করি।’ তিনি বলেন, নতুন আইনে সর্বোচ্চ ১৪ বছরের শাস্তির বিধান রাখা হচ্ছে। তবে সর্বনিম্ন শাস্তি নির্ধারণ করা হয়নি জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী তা নির্ধারণ হবে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘যে যে ব্যাপারে আইসিটি আইনের ৫৭ ধারায় উদ্বেগ ছিল, এখানে সেগুলো পরিবর্তন করা হয়েছে। ৫৭ ধারাকে স্পষ্টীকরণ করা হয়েছে। ‘যখন এই আইন পাস করা হবে, তখন হয়ত আইসিটি অ্যাক্ট থেকে ৫৪, ৫৫, ৫৬ ও ৫৭ ধারা রিপিল (বাতিল) করে এই আইনের আওতায় নিয়ে নেওয়া হবে। দ্বৈততা যেন সৃষ্টি না হয় সেজন্য আইসিটি আইন থেকে ওগুলো রিপিল করে এই আইনের আওতায় নিয়ে নেওয়া হবে।’

নতুন আইনে বিতর্কের যেন পুনরাবৃত্তি না হয়ে সেই বিষয়ে সরকার সচেতন বলে জানান আনিসুল হক। বাংলাদেশে ইন্টারনেটের প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে সাইবার জগতে অপরাধের ঘটনাও ঘটতে থাকে। আইনমন্ত্রী বলেন, ‘নতুন আইন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ৫৭ ধারার ব্যাপারে যে ক্রিটিসিজম ও বক্তব্য ছিল আমার মনে হয় সেইসব শঙ্কা, দুশ্চিন্তা দূর হবে।’

আইনমন্ত্রী জানান, আইসিটি আইনের সঙ্গে নতুন আইনের যেন কোনো অসামঞ্জস্য না থাকে, সেজন্য খসড়া চূড়ান্ত করার আগে আরও আলোচনা করা হবে। নতুন আইনের আওতায় অপরাধগুলো জামিনযোগ্য হবে কি না- এ প্রশ্নের কোনো জবাব না দিয়ে তিনি বলেন, এখন এটা প্রস্তাবিত আছে, আলাপ-আলোচনার মধ্যে আছে।

তিনি বলেন, সাংবাদিকদের ওপর অবিচার হবে এমন কোনো আইন অন্তত শেখ হাসিনার সরকারের সময় হবে না। আপনাদের দৃষ্টি বিবেচনায় নিয়ে এ আইনের মধ্যে যা করার করা হবে। ৫৭ ধারা নিয়ে যে সংশয় ছিল তা আর থাকবে না। বিদ্যমান আইনের সঙ্গে যেনো কোনো সংঘর্ষ না থাকে তাও সর্বশেষ এ আইনে দেখা হবে। নতুন আইনের আওতায় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে কিছু কমিটি গঠন করা হবে বলেও জানান আইনমন্ত্রী।

আইনের খসড়া তৈরির দায়িত্বে থাকা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক সাংবাদিকদের বলেন, ‘তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় অপরাধের যে ধরন-সংজ্ঞা ছিল, নতুন আইনে তা আরও স্পষ্ট করা হয়েছে। আইসিটি আইনের ৫৪, ৫৫, ৫৬, ৫৭ ধারা সম্পর্কে নতুন আইনে আরও ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে।’

নতুন আইন করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, সমসাময়িক বিশ্বে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে এ আইন করতে যাচ্ছেন তারা।

‘এখন অফলাইন আর অনলাইনের অপরাধের মধ্যে বিরাট একটা ফারাক আছে। অনলাইনে কোনো অপরাধ সংঘটিত হলে, সেটা নিয়ে অপপ্রচার হলে সেটার ইমপ্যাক্ট বেশি, অফলাইনে ইমপ্যাক্ট কম। ব্যক্তি, পরিবার বা রাষ্ট্রীয় জীবনে যে নিরাপত্তা ঝুঁকি, সেটা সবচেয়ে বেশি সাইবার থ্রেট, তা সব রাষ্ট্রই অনুভব করছে।’

পলক বলেন, ‘এই মুহূর্তে একটা রাষ্ট্রকে ধ্বংস করার জন্য অ্যাটম বোমা ফেলার দরকার নেই। সাইবার অ্যাটাক করে পুরো রাষ্ট্রকে ক্ষতিগ্রস্ত করা সম্ভব। সেটা অর্থনৈতিকভাবে, প্রশাসনিকভাবে, সবভাবেই। কারো সুনাম ও মর্যাদা ক্ষুণ্ন করতে মিথ্যা সংবাদ, তথ্য অপপ্রচারেও প্রভাব ফেলে।’ প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে অর্থনৈতিক লেনদেনে ইলেকট্রনিক ট্রানজেকশন খুব দ্রুত বাড়ছে, এখন ৩০ শতাংশই অনলাইনে লেনদেন হচ্ছে, ই-কমার্স দ্রুত অগ্রসরমান।

‘সবকিছু মিলিয়ে সেই অপরাধগুলোকে তদন্ত করা, তদন্ত শেষে তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করা এবং অপরাধীকে বিচারের আওতায় আনা- এই তিনটি বিষয়ের উত্তর খুঁজতে গিয়েই ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট প্রণয়ন করতে হচ্ছে।’

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful