Templates by BIGtheme NET
আজ- শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২০ :: ৮ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ১১ : ৩২ পুর্বাহ্ন
Home / টপ নিউজ / রংপুর মহানগরীতে আশংকাজনক হারে পতিতা ব্যবসা বৃদ্ধি পেয়েছে

রংপুর মহানগরীতে আশংকাজনক হারে পতিতা ব্যবসা বৃদ্ধি পেয়েছে

potita1স্টাফ রিপোর্টার; রংপুর নগরীর আবাসিক এলাকায় পতিতা ব্যবসা আশংকাজনক হারে বেড়ে গেছে। চাকচিক্য ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে নিরাপদে এই ব্যবসা চালানোর জন্য স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সহায়তায় গড়ে তোলা হচ্ছে শক্তিশালী নেটওয়ার্ক।

মঙ্গলবার রাত ১২ টায় নগরীর ধাপ এলাকার একটি ফ্ল্যাট থেকে ৩ মহিলা ও ৪ খদ্দের আটক হওয়ার পর এ চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস হয়।

বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, রংপর নগরীর বিভিন্ন আবাসিক এলাকায় পতিতা ব্যবসা বেশ জমে উঠেছে। স্থানীয় কয়েকটি চক্র অন্যান্য জেলা থেকে মেয়ে নিয়ে এসে অনেকটা নিরাপদেই এই ব্যবসা চালিয়ে সমাজকে অবক্ষয়ের দিকে ধাবিত করছে।

সূত্রগুলো জানায়, চাকচিক্য বা আধুনিক ফ্ল্যাট ভাড়া নেয়ার জন্য চক্রের সদস্যরা নিজেদের বড় চাকুরীজীবি, ব্যবসায়ী, কোম্পানীর কর্ণধার হিসেবে পরিচয় দেয়। তাছাড়া স্থানীয় প্রভাবশালী বা মাস্তান টাইপের শ্রেণীর ব্যক্তিরা এ ধরনের ব্যবসায় সহযোগিতা করে। ফলে অন্য জেলা থেকে আগত মাঝ বয়সি মহিলা বা পতিতাদের সর্দ্দানী হিসেবে পরিচিতরা ফ্ল্যাট ভাড়া নেয়। এরপর খদ্দেরের চাহিদা মেটাতে বিভিন্ন স্থান থেকে মেয়ে এনে বাসায় রাখে। আর পাড়া-পড়শিদের জানিয়ে দেয় যে, মেয়েগুলো তার মেয়ে, ভাগনী, ভাতিজি, ছোট বোন হয় এবং তারা পড়ালেখার জন্য এখানে থাকে। এছাড়া ঢাকা, নওগাঁ, যশোর, নীলফামারী, দিনাজপুর, রাজশাহী থেকে মেয়ে এনে বলে, বেড়াতে এসেছে। তাই পাড়া-পড়শিদের সন্দেহ দুর হয়।

সূত্রগুলো জানায়, নগরীতে বসবাসরত পতিতারা যখন খদ্দেরের চাহিদা মেটাতে কথিত সর্দ্দানীর বাড়িতে যায় তখন বলা হয়, আত্নীয় বেড়াতে এসেছে। এভাবেই মানুষকে বোকা বানিয়ে মাসের পর মাস একটি ফ্ল্যাটে পতিতা ব্যবসা চালানো হয়। তবে এই ব্যবসায়ীরা ঘটনা ফাঁস হওয়ার ভয়ে কোন ফ্ল্যাটে বা বাড়িতে ২/৩ মাসের বেশি থাকে না। তাছাড়া পতিতা বৃত্তি বিরোধী আইনে সাজা বা জরিমানা কম হওয়ায় আদালত থেকে জামিনে বের হতে কোন সমস্যা হয় না।

এদিকে মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে পুলিশ এক অভিযান চালিয়ে নগরীর ধাপ এলাকার আপডেট ক্লিনিকের পিছনে অবস্থিত পাঁচতলা ভবনের ২য় তলা থেকে ৩ ভদ্রবেশী পতিতা ও ৪ জন খদ্দেরকে আটক করে। আকটকৃত পতিতারা তাদের নাম লিখিয়েছে লাকি আক্তার অন্তরা, অন্তরা আক্তার লাইজু ও লাকি বেগম এবং খদ্দেররা হল শাহজাহান মিয়া, মিঠুন কুমার, শামীম মিয়া ও শ্যামল।

উল্লেখিত নাম প্রসঙ্গে পুলিশ জানায় যে, পতিতারা সহযে নিজেদের আসল পরিচয় প্রকাশ করে না। । টিএসআই কিবরিয়া জানায়, ঐ ভবনের মালিক ঢাকায় থাকে। আমরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে অন্তরঙ্গ মুহুর্তে আটক করেছি।

কোতয়ালী থানা সূত্র জানায়, আটককৃতদের ৫৪ ধারায় মামলা দিয়ে গতকাল বিকেলে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful