Templates by BIGtheme NET
আজ- মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২০ :: ৫ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ৫ : ০৭ অপরাহ্ন
Home / কুড়িগ্রাম / কুড়িগ্রামে প্রথম শেণির ছাত্রী ধর্ষিত; ইজ্জতের মূল্য ১৫ হাজার টাকা

কুড়িগ্রামে প্রথম শেণির ছাত্রী ধর্ষিত; ইজ্জতের মূল্য ১৫ হাজার টাকা

baby repকুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: ধর্ষনের ঘটনা ধামাচাপা দিতে হতদরিদ্র এক শিশুর ইজ্জতের মূল্য ১৫ হাজার টাকা নির্ধারন করলেন ইউপি চেয়ারম্যান। ধর্ষককে নাকে খত দিয়ে আর জরিমানা করে মুক্তি দিয়েছেন ধর্ষণের অভিযোগ হতে। এলাকায় মানুষজন ধর্ষককে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানিয়েছে। এ ঘটনা ঘটেছে কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার দলদলিয়া ইউনিয়নের ওরজুন দলদলিয়া গ্রামে।

জানা গেছে,  ওই গ্রামের শিশুমেয়ে (৭) তার বাড়ী লাগোয়া রাজনগর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১ম শ্রেনির মেধাবী ছাত্রী সে। প্রতিদিনের ন্যায় গত ২৮ মে মঙ্গলবার স্কুলের মাঠে খেলা করে সন্ধার দিকে বাড়ী ফিরছিল ঐ শিশুটি। মাঠ সংলগ্ন মৃত মেহের আলীর পুত্র ধর্ষক আব্দুস সোবহান ওরফে বিন্দিয়ার (৩৮) বাড়ী। বাজার হতে একটি লেবু কিনে বাড়িতে ফেরার সময় লম্পট বিন্দিয়ার  কুনজর পরে ঐ শিশুটির উপর। লেবু দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে নিজের ঘরে ডেকে নিয়ে মুখ চেপে ধর্ষন করে নিষ্পাপ শিশুটিকে।

ধর্ষণের শিকার ৭ বছরের শিশুটি উলঙ্গ অবস্থায় দৌড়ে তার বাড়ীতে গিয়ে ঘটনা জানায়। ধর্ষিতার বাবা-মা সহ এলাকার লোকজন বিন্দিয়াকে আটকিয়ে রেখে চিকিৎসার জন্য তাকে উলিপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান।

সরেজমিন খোজ নিয়ে জানা যায়, ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দিতে ঐ রাতেই রাজনগর প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে সালিশ বৈঠক বসে। গভীর রাত পর্যন্ত চলা এ সালিশ বৈঠকে দলদলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হান্নান সরকার এর নেতৃত্বে মাতব্বরদের ৭ সদস্যের জুড়ি বোর্ড গঠন করা হয়। বোর্ডের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ধর্ষক বিন্দিয়াকে ১৫ হাজার জরিমানা সহ ১৫ হাত নাকে খত দিয়ে তওবা করিয়ে মুক্তি দেয়া হয় ধর্ষনের অভিযোগ হতে। চেয়ারম্যান আব্দুল হান্নান সরকারসহ জুড়ি বোর্ডে রাজনগর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক আবুল কালাম,ঐ গ্রামের ইউপি সদস্য জিয়াউর রহমান,নজরুল ইসলাম,আব্দূল কাদের,আব্দুল জলিল ও আবুল প্রামানিক উপস্থিত ছিলেন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মামলা না করতে মাতব্বরদের অব্যহত হুমকি-ধামকির মুখে আইনের আশ্রয় নিতে পারছে না ধর্ষিতার হতদরিদ্র পরিবার। এ

দিকে মাতব্বরদের অবস্থা ‘গাছে কাঁঠাল গোফে তেল’,জরিমানার টাকা হাতে আসার আগেই ১৫ হাজার টাকায় ভাগ বসিয়েছেন তারা। ৫ হাজার টাকা খরচ বাবদ কেটে নিয়ে ১০ হাজার টাকা ধর্ষিতার পরিবারকে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। ধর্ষককে আইনের কাছে সোপর্দ না করে সালিশ বৈঠকে নাকে খত দেয়ার ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হান্নান সরকারকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি ােভের সাথে বলেন, আপনারা সব পারেন আমরা কিছুই পারি না। উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহীনুর আলমের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, ভিকটিম মামলা না করলে আমরা কি করব!

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful