Templates by BIGtheme NET
আজ- সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২০ :: ১১ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ৩ : ৩১ অপরাহ্ন
Home / টপ নিউজ / হিলি স্থলবন্দরে চলতি অর্থবছরে আয় হয়েছে ৩৬ কোটি ৩৭ লাখ টাকা

হিলি স্থলবন্দরে চলতি অর্থবছরে আয় হয়েছে ৩৬ কোটি ৩৭ লাখ টাকা

Hili-Portদিনাজপুর প্রতিনিধি: বানিজ্য ভিত্তিক হিলি স্থলবন্দর দিয়ে রফতানী খাতেই শুধু বছরে কোটি কোটি ডলার আয় করা সম্ভব। কিন্তু, কাগজীয় জটিলতা ও সুযোগ সুবিধার অভাবে কিছুটা হলেও ঝিমিয়ে পড়েছে এখানকার রফতানি কার্যক্রম। ফলে বৈদেশিক মুদ্রা ডলার আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার।
১৯৮৬ সাল থেকেই হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানী- রফতানী বানিজ্য শুরু হয়। বন্দরের গতি বৃদ্ধি ও সরকারের রাজস্ব বাড়াতে ২০০৭ সালে এটিকে বে-সরকারী খাতে ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে সরকার ক্ষমতায় আসার পর আমদানী খাতে এর গতি বৃদ্ধি পেলেও কাগজীয় জটিলতা ও সুযোগ সুবিধার অভাবে রফতানী খাত কিছুটা ঝিমিয়ে পড়ে।

চলতি অর্থ বছরের গেল ১১ মাসে চিটাগুড়, প্লাষ্টিক ঝুড়ি, ঝুট কাপড়, তুষের তেল, সিমেন্ট, পানির পাম্প ভারতে রপ্তানি করে ৪৫ লাখ ৪৬ হাজার মার্কিন ডলার আয় করেছে কাষ্টমস কর্তৃপক্ষ। যা দেশীয় টাকায় ৩৬ কোটি ৩৭ লাখ টাকার সমান।
এদিকে পণ্য রফতানিতে স্থানীয় কাষ্টমস কর্তৃপক্ষের হয়রানির কথা দৃড়তার সাথে বললেন- হিলি কাঁচামাল আমদানি ও রপ্তানী কারক গ্রুপের আহ্বা‌য়ক হারুন-উর-রশিদ। তিনি আরও বলেন, ভারত থেকে আমরা যদি কোন পন্য আমদানি করি তখন কোন ঝামেলা আমাদেরকে পোহাতে হয় না।

মহুর্তের মধ্যেই আমরা পণ্য আমদানি করতে পারি। পাশাপাশি দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে পণ্য সামগ্রী রফতানিতে বেগ পেতে হয়না। তবে স্থানীয় কাষ্টমস কর্তৃপক্ষ রফতানি সংশ্লিষ্ট কাগজপত্রাদি তড়িৎ সম্পাদন করে দেন তাহলে এই বন্দর দিয়ে রফতানি বেড়ে যাবে। সরকারও পাবে বৈদেশিক মুদ্রা।

স্থানীয় রফতানি কারক আমিনুল ইসলাম আমিনার ও কার্তিক দাস অভিযোগ করে বললেন, শুধু বাংলাদেশেই নয় ভারতেও পণ্য রফতানির ক্ষেত্রে হয়রানীর শিকারে পড়তে হয়। ভারতে পণ্য সরবরাহ করে খালি ট্রাক ফেরত পেতে মাঝে মাঝেই ওপার সীমান্তের পার্কিং জটিলতার কারনে ট্রাকগুলো ফেরত আনতে বিলম্ব ঘটে। ফলে ট্রাক প্রতি গচ্চা দিতে হয় অতিরিক্ত ডিটেনশন চার্জ।
বন্দরটি পণ্য আমদানী নির্ভর হলেও রপ্তানি খাতের এই সাফল্যকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন ব্যবসায়ীসহ সংশ্লিষ্টরা। তাদের দাবি বন্দরের রাস্তাঘাটসহ অবকাঠামো উন্নয়ন। তাতে রপ্তানী খাতে গতিশীলতা আরও বৃদ্ধি পাবে এমন দাবি রেখে বললেন, হলি কাষ্টমস সিএন্ড এফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি আলহাজ্ব আবুল কাশেম আজাদ।

চলতি অর্থবছরের ইতিবাচক সাফল্যের কথা স্বীকার করে কাষ্টমস সহকারী কমিশনার হুমায়ুন আখতার বললেন- গেল ১১ মাসে তারা রপ্তানি খাত থেকেই আয় করেছেন ৪৫ লাখ ৪৬ হাজার মার্কিন ডলার। তাতে বাংলাদেশী মুদ্রায় ৩৬ কোটি ৩৭ লাখ টাকা।

তিনি আরও বলেন, বন্দরের রাস্তাঘাট, অবকাঠামোগত উন্নয়নের প্রসার ঘটানো হলে ৩ গুনেরও বেশি বৈদেশিক মুদ্রা এ বন্দর দিয়ে রাজস্ব আয় করা সম্ভব। তাতে বন্দরের কর্মচাঞ্চল্য বেড়ে যাবে। সরকারও পাবে কোটি কোটি টাকার রাজস্ব।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful