Templates by BIGtheme NET
আজ- বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২০ :: ১৩ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ৭ : ৩২ অপরাহ্ন
Home / টপ নিউজ / রংপুরের পত্যন্ত চরাঞ্চল: চোরাকারবারিই যাদের জীবিকা নির্বাহের একমাত্র পথ!

রংপুরের পত্যন্ত চরাঞ্চল: চোরাকারবারিই যাদের জীবিকা নির্বাহের একমাত্র পথ!

Crime-2ছাদেকুল ইসলাম রুবেলঃ রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার প্রত্যন্ত জনপদের একটি গ্রাম বিছনার চর। যে গ্রামের সবগুলো পরিবারই চোরাকারবারিকেই জীবিকা নির্বাহের পথ হিসেবে বেছে নিয়েছে।

উপজেলা সদর হতে বিশ কিলোমিটার দূরে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করতোয়া নদীর ধার ঘেঁষে অর্ধশত বছর পূর্বে এখানে বসতি গড়ে ওঠে। গ্রামের অধিকাংশ পরিবারেরই নিজস্ব কোন জমি নেই শুধুমাত্র বাস্তুভিটা ছাড়া। যে দু একটি পরিবারের যৎসামান্য জমি রয়েছে সেখানেও কোন আবাদ হয় না খরা এবং বর্ষা দুই মওসুমেই। চারিদিকে শুধু ধু ধু বালুচর। বর্ষাকালে বন্যার পানি প্রবেশ করে ঘরের ভেতর।

গোটা গ্রামে ২শ পঞ্চাশটি পরিবারের কর্মক্ষম পুরুষ রয়েছে মোট ৩৪০ জন। রোজ প্রত্যুষে এরা ঘর ছাড়ে, ফিরে আসে গভীর রাতে। অনেকেই মোটা মজুরীতে চোরাই পণ্য পরিবহনের কাজ করে। কেউ আবার সামান্য তহবিল সংগ্রহ করেছে বিভিন্নভাবে। যা দিয়ে অবৈধভাবে আমদানিকৃত ভারতীয় পণ্য সংগ্রহ করে নিয়ে এসে চাহিদানুযায়ী বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ দেয়। যা আয় হয়,তা দিয়ে চাল,ডাল নুন তেল কিনে নিয়ে গভীর রাতে বাড়ি ফিরে আসে। হালে অবশ্য কিছু পরিবার কৃষিকাজে ঝুঁকে পড়েছে। বছরের পর বছর ধরে এভাবেই কেটে যাচ্ছে এদের জীবন।

দিনাজপুরের হিলি সীমান্ত পথে অবৈধভাবে রাতারাতি ভারতীয় চিনি,কাপড়, মসলা, প্রসাধনী, সার, কীটনাশক, খুচরা যন্ত্রাংশ এমনকি ফেনসিডিল পর্যন্ত আমদানি করে নবাবগঞ্জ, দাউদপুর, ভাদুরিয়া, ঘোড়াঘাট ও রানীগঞ্জের কতিপয় কোটিপতি মহাজন বিশাল বিশাল গোপন গুদামে স্তূপ করে রাখে। রোজ প্রত্যুষে রংপুর-বগুড়া মহাসড়কের পার্শ্ববর্তী এলাকার চোরাকারবারিরা ওইসব মহাজনের কাছ থেকে তা নগদ টাকায় ক্রয় করে স্ব স্ব এলাকায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে। রোজ শত শত বাইসাইকেল,রিক্সা ভ্যানযোগে আরোহীরা নগদ টাকা ও বস্তা নিয়ে যায় ওই পৃথক ৫টি স্থানের মহাজনদের কাছে। বাইসাইকেলের সামনে পেছনে বোঝাই করে ভারতীয় মালামাল নিয়ে ফিরে আসে ২/৩ ঘণ্টা পরেই। টুকুরিয়া ইউনিয়নের বিছনার চর (ভিটাপাড়া) গ্রামের তিন শতাধিক পুরুষ এ কাজে নিয়োজিত।

সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশের সাথে এদের মাসিক চুক্তি রয়েছে মর্মে অভিযোগ রয়েছে। থানা পুলিশ এবং স্থানীয় ঝুট ঝামেলা মেটানোর পরেও এরা প্রত্যেকে গড়ে দৈনিক দুশো হতে তিনশ টাকা পর্যন্ত রোজগার করে। পেশা হিসেবে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হলেও ওই গ্রামের মানুষ এই পেশাকেই জীবিকা নির্বাহের প্রধান অবলম্বন হিসেবে বেছে নিয়েছে।

এসব পরিবারের জীবিকার মান উন্নয়নে বা স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলার জন্য কোন এনজিও বা কোন সংস্থা কাজ করেনি কখনো। হালে ২/১টা এনজিও ওই এলাকায় গেলেও তারা শুধুমাত্র সহজ শর্তে ঋণ দিয়ে চড়া সুদে তা কিস্তিতে আদায় করছে। সামান্য বৃষ্টিতেই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় রোগে শোকে আধুনিক চিকিৎসা তো দূরের কথা এমবিবিএস ডাক্তার চোখেও দেখে না অবহেলিত এ জনপদের নিরীহ সাধারণ মানুষ!

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful