Templates by BIGtheme NET
আজ- রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২০ :: ১০ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ২ : ৪৩ অপরাহ্ন
Home / আলোচিত / তামিম- আয়েশার প্রেম কাহিনী

তামিম- আয়েশার প্রেম কাহিনী

tamim ayshaযাকে ‘বধ’ করতে বিশ্বখ্যাত পেসারদের ঘাম ঝড়াতে হয় খেলার মাঠে সেই তামিম ইকবালকে কীভাবে বধ করলেন আয়েশা সিদ্দিকা? কী মন্ত্র আছে তার কাছে? তামিম ভক্তদের মনে ঘোরপাক খাচ্ছে এমন প্রশ্ন। খুব জানতে ইচ্ছে করছে তামিমের জীবন সঙ্গী হতে যাওয়া নারী, কে এই আয়েশা। এই নিয়ে কথা বলেছেন ২২ জুনের অপেক্ষায় থাকা চনমনে তামিম। জানালেন, দীর্ঘ আটবছরের প্রেম কাব্যের নানা অজানা অধ্যায়। বেশ উচ্ছ্বসিত তিনি। কেন-ই বা হবেন না বলুন, ওই দিন তো জীবনের নতুন অধ্যায় ‘ওপেন’ করতে যাচ্ছেন জাতীয় দলের এই ওপেনার।

হ্যাঁ, আট বছরের দীর্ঘ প্রেমের শুভ পরিণয় ঘটবে ২২ জুন। বিয়ের আয়োজন নিয়ে ব্যতিব্যস্ত তামিমের এখন দিন-রাত বলে কিছু নেই। গায়েহলুদের অনুষ্ঠানের জন্য ভারতীয় দুই শিল্পী আনবেন। সঙ্গে কেনাকাটা আর অন্যান্য আয়োজনের ঝামেলাও আছে। ক্রিকেটার তামিমের বিশ্বাসই হচ্ছে না, তাঁর পক্ষে এসবও করা সম্ভব, ‘কল্পনাও করিনি, জীবনে কোনো দিন এতটা ব্যস্ত সময় কাটবে। প্রতিদিনই নতুন কাজ বের হচ্ছে। বেশির ভাগ কাজ আম্মু, ভাইয়া আর চাচা-ফুফুরাই করছেন। তার পরও আমি ব্যস্ত।’
চট্টগ্রামের সানসাইন গ্রামার স্কুলের ‘এ’ লেভেলের ছাত্র তামিম। আয়েশা স্ট্যান্ডার্ড এইটের। দূর থেকে দেখে-টেখে আয়েশাকে তামিমের দারুণ পছন্দ হয়ে গেল। কিন্তু নাটক-সিনেমার চেয়ে বাস্তব জীবন আর কতই বা অন্য রকম! আড্ডাবাজ তামিমের প্রেমের প্রস্তাব ছক্কা মেরে বাউন্ডারি পার করে দিল কিশোরী আয়েশা। নাছোড়বান্দা তামিম হাল ছাড়ে না। বন্ধুদের দিয়ে সুপারিশ করিয়েও যখন কাজ হলো না, নিজেই আয়েশাকে দিল বন্ধুত্বের প্রস্তাব। আয়েশার কাছে প্রেমটেমের চেয়ে এটাকেই অনেক বেশি গ্রহণযোগ্য মনে হলো। কিন্তু সে কি জানত, বন্ধুত্বের ফাঁদেই আটকা পড়বে বাকি জীবনের গল্প!
tamim aysha.2বন্ধুত্ব থেকে প্রেম, আর প্রেম মানেই বিরহ। তামিম-আয়েশার প্রেমে সেই বিরহের আগমন বাংলাদেশের একটি অলিখিত ‘আইনের’ কারণে। প্রেমে বাধা দেওয়াটা যে এই দেশের প্রায় সব পরিবারেরই নিয়ম! তামিমের সামনে সেই বাধার দেয়ালটাকে সীমাহীন উঁচু করে দিয়ে উচ্চ শিক্ষার্থে বিদেশ গমন করলেন আয়েশা। উঠতি ক্রিকেটার তামিমের পক্ষে তো আর প্রতিদিন মালয়েশিয়ায় যাওয়া সম্ভব নয়। কিন্তু সৌভাগ্য থাকে সাহসীদের সঙ্গে, আরও বেশি থাকে সম্ভবত সাহসী প্রেমিকদের সঙ্গে। আয়েশা ঠিক যখন মালয়েশিয়ার বিমানে উঠে বসলেন, ওল্ড ডিওএইচএস ক্লাবের টেন্টে বসে তামিম পেলেন জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়ার সুখবর।
নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে যাওয়ার পর ভৌগোলিক দূরত্বও আর কোনো ব্যাপার থাকল না। তা ছাড়া আয়েশা দেশে থাকলে দেখাসাক্ষাৎ করতে হতো তাঁর পরিবার আর দারোয়ান জামালের শ্যেন দৃষ্টি এড়িয়ে। এর চেয়ে মালয়েশিয়াই ভালো।
আগ্রাবাদের সম্ভ্রান্ত মুসলিম ব্যবসায়ী পরিবারের মেয়ে আয়েশা কুয়ালালামপুরের সানওয়ে ইউনিভার্সিটি থেকে মার্কেটিংয়ে স্নাতক। দেশে ফিরে ব্র্যাক ব্যাংকে ইন্টার্নি করার পর আপাতত স্বেচ্ছা-বেকার জীবন যাপন করছেন। ‘স্বেচ্ছা’য় বলাটা ভুল হলো, আসলে তামিমের ইচ্ছাতেই বিয়ের পর অন্তত এক বছর চাকরি করবেন না মিসেস তামিম, ‘আমি বলেছিলাম দুই বছর। ও তর্কাতর্কি করে এটাকে এক বছর করল। আমি মেনে নিয়েছি। এত কষ্ট করে পড়াশোনা করেছে। করুক চাকরি…।’
আয়েশা সম্পর্কে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলো, ক্রিকেট তাঁর পছন্দ ছিল না কিছুদিন আগেও। তামিমকে ভালোবাসেন বলে এখন ক্রিকেটও ভালোবাসতে শুরু করেছেন। যদিও মাঠে বসে এখনো দেখেননি তামিমের খেলা। এশিয়া কাপের দুটি ম্যাচ দেখেছেন, তা-ও টেলিভিশনে। তামিমের কথা অনুযায়ীও দুজনের সম্পর্কে সবচেয়ে উপেক্ষিত বিষয় ক্রিকেটই, ‘খেলাটেলা নিয়ে ওর কোনো আগ্রহ নেই। আট বছরে মনে হয় না আটবারও ওর সঙ্গে ক্রিকেট নিয়ে কথা হয়েছে। তার সব আগ্রহ জুতা আর কাপড় নিয়ে।’
 তামিম ইকবালের সব গল্পেই একজনের উপস্থিতি ধ্রুব—প্রয়াত বাবা ইকবাল খান। ‘আব্বা থাকলে আমার জন্য সবকিছু আরও সহজ হয়ে যেত।’ বলছিলেন তামিম। জাতীয় দলের হয়ে যেদিন খেলতে নেমেছিলেন সেদিনও বাবাকে মনে করে ছলছল ছিল তামিমের দুচোখ। জীবনের নতুন দিগন্ত সূচনার দিনও বাবাকে মিস করবেন তিনি।
Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful