Templates by BIGtheme NET
আজ- সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২০ :: ১১ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ৬ : ৪৮ পুর্বাহ্ন
Home / টপ নিউজ / সরকারী ধান চাল সংগ্রহ: রংপুর বিভাগে দালাল ফড়িয়ার পকেটে যাবে ২শ কোটি টাকা

সরকারী ধান চাল সংগ্রহ: রংপুর বিভাগে দালাল ফড়িয়ার পকেটে যাবে ২শ কোটি টাকা

dhan 0আব্দুর রহমান মিন্টু:বাজারে দাম ৫শ থেকে সাড়ে ৫শ টাকা। সরকারি দাম ৭২০ টাকা। মাঝখানে ২শ টাকার ওপর নেই। এই টাকা যাচ্ছে রংপুর বিভাগে প্রায় ১৪ হাজার দালাল ফড়িয়ার পকেটে। সরকারের সঠিক সিদ্ধান্তের অভাব, খাদ্য বিভাগের ঢিলেমি আর সিন্ডিকেটের কারণে মধ্যস্বত্ব ভোগীরা কৃষকদের কাছ থেকে কম দামে ধান চাল কিনে ২শ কোটি ওপর টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। ফলে সংগ্রহ মূল্য বাড়ালেও উৎপাদক কৃষকরা বঞ্চিত হচ্ছে সরকারি দাম থেকে।

সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে, চলতি বোরো সংগ্রহ মৌসুমে চালের গতবারের সংগ্রহ মূল্য ২৮ টাকার স্থলে প্রতি কেজি ১ টাকা বাড়িয়ে ২৯ টাকা এবং ধান ১৮ টাকার স্থলে কেজিতে ৫০ পয়সা বাড়িয়ে ১৮ টাকা ৫০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়। এ হিসেবে প্রতি মণ (৪০ কেজি) ধানের সংগ্রহ মূল্য দাঁড়ায় ৭৪০ টাকা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এ অঞ্চলে প্রায় সর্বত্র প্রতি মণ ধান ৫০০ টাকা থেকে ৫৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। মাঝারি মানের ২৮ জাতের ধান বিক্রি হচ্ছে এলাকা ভেদে মণ প্রতি ৫৬০ থেকে ৫৭০ টাকা পর্যন্ত। একইভাবে মোটা চালের খুচরো বাজার দর এই এলাকায় ২৫ থেকে ২৬ টাকায় কেনাবেচা হচ্ছে। অথচ এ মোটা চালের সরকারি সংগ্রহ মূল্য কেজি প্রতি ২৯ টাকা। এ হিসাবে দেখা যায় প্রতি মণ ধানের সংগ্রহ মূল্য অনুযায়ী কৃষকরা ঠকছে ২০০ থেকে ২৪০ টাকা করে। চালের ক্ষেত্রে বাজারদর অনুযায়ী কেজি প্রতি ৩ টাকা হিসেবে ধরলেও প্রতি টনে ৩ হাজার টাকা লাভ করবে সরবহরাহকারী ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটটি ।

জানা গেছে, রংপুর বিভাগের জন্য ২৩ হাজার ৯শ ৮৩ মেট্রিক টন ধান এবং ২ লাখ ৬৩ হাজার ৩শ ৭৪ মেট্রিক টন চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। গত ৩ মে থেকে দেশব্যাপী সংগ্রহ অভিযান শুরুর ঘোষণা দেয়া হয়। রংপুর বিভাগে প্রায় ১৪ হাজার মিলার ও ব্যবসায়ী মে মাসের ২৬ তারিখে চাল সরবরাহের জন্য চুক্তি স¤পাদন করেন। আর এই সুযোগে ফড়িয়া, মহাজন ও মিল-চাতাল মালিকরা হাজার হাজার মণ ধান কম দানে কিনে গুদামজাত করছে সরকারি গুদামে দেয়ার জন্য। বর্তমান বাজার এবং সরকারী সংগ্রহ মূল্যের বিরাট পার্থক্যের জন্য সিন্ডিকেটটি ধান চাল

dhan 1সরবরাহ করে টন প্রতি ৩ হাজার টাকার বেশি লাভ করবে। সেই হিসেবে উত্তরের ১৬ জেলায় প্রায় ৬ লাখ মেট্রিক টন ধান চাল সংগ্রহ করা হবে। সংগৃহিত এসব ধান চাল সরকারি গুমামে বিক্রি করে ২’শ কোটি টাকার ওপর সিন্ডিকেটটির পকেটে যাবে। আর ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিতই থাকবে সাধারণ চাষিরা। তবে বাজার মূল্যের চেয়ে সরকারী সংগ্রহ মূল্য অনেক বেশী থাকায় সংগ্রহ অভিযান সফল হওয়ার বিষয়ে খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তারা যেমন খুবই আশাবাদী।

এব্যাপারে রংপুর অঞ্চলের আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক পরিমল চন্দ্র সরকার জানান, এই অঞ্চলের পরিস্থিতি যথেষ্ট অনুকূলে আছে উল্লেখ করে সংগ্রহ অভিযান সফল হবার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। কৃষি দপ্তরের রংপুর অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মোঃ সেকেন্দার আলীপ্রতি মণ ধানের সরকারী সংগ্রহ মূল্য ৭৪০ টাকা এবং প্রতি কেজি চালের সরকারী সংগ্রহ মূল্য ২৯ টাকা নির্ধারণ করায় এ মূল্যকে আশানুরূপ বলে মন্তব্য করেন।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful