Templates by BIGtheme NET
আজ- সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২০ :: ১১ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ৭ : ১০ পুর্বাহ্ন
Home / টপ নিউজ / চাঁদাবাজদের দাপটে তিস্তার প্রতিরক্ষামূলক কাজ ৭ দিন ধরে বন্ধ; মন্ত্রীর নির্দেশও উপেক্ষিত

চাঁদাবাজদের দাপটে তিস্তার প্রতিরক্ষামূলক কাজ ৭ দিন ধরে বন্ধ; মন্ত্রীর নির্দেশও উপেক্ষিত

tistaলালমনিরহাট প্রতিনিধি: লালমনিরহাটে তিস্তার ভাঙ্গন প্রতিরোধে চলমান একটি প্রতিরক্ষামূলক কাজ চিহ্নিত চাঁদাবাজদের প্রতিবন্ধকতার কারণে বন্ধ হয়ে গেছে। মন্ত্রীর নির্দেশেও কাজটি শুরু হয়নি। অথচ, চলতি জুন মাসের মধ্যে প্রকল্পটি শেষ করা না গেলে বরাদ্দকৃত অর্থ ফেরত যাবে বলে আশঙ্কা করছেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা।

জানাগেছে, লালমনিরহাট সদর উপজেলার গোকুন্ডা ইউনিয়নের পাঙ্গাটারী ও তিস্তা এলাকায় তিস্তা নদীর ভাঙ্গন প্রতিরোধের জন্য ৫৫০ মিটার দীর্ঘ প্রতিরক্ষামূলক কাজটি বাস্তবায়নের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয় প্রায় ৭ কোটি টাকা। কার্যাদেশ পেয়ে রাজশাহীর ঠিকাদার আবুল হোসেন প্রকল্পটির কাজটি যতাসময়ে শুরু করেন। নানা প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে ইতোমধ্যে প্রকল্পটির ৪০০ মিটার কাজ সম্পন্ন করা হয়। দ্রুত গতিতে কাজ এগিয়ে চললেও শেষ পর্যায়ে এসে একটি চিহ্নিত মহল প্রকল্পের উপর বেশ কয়েকটি টিনের শেড নির্মাণ করে কাজের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। বিষয়টি নিয়ে জেলা সমন্বয় কমিটির সভাসহ বিভিন্ন পর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হলেও সমস্যার নিরসন হয়নি। এরই এক পর্যায়ে ১৩ জুন শুক্রবার লালমনিরহাট-৩ আসনের এমপি ও বাণিজ্য মন্ত্রী গোলাম মোহাম্মদ কাদের লালমনিরহাট সফরে এলে বিষয়টি তার গোঁচরে আনা হয়। মন্ত্রী অনির্ধারিত হলেও প্রকল্প এলাকায় পরিদর্শন করে প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। পরদিন শনিবার মন্ত্রীর আশ্বাষের পর ঠিকাদার পুনরায় কাজ শুরু করলে আবারও ওই মহলটি ঠিকাদারসহ শ্রমিকদের এলাকা থেকে তাড়িয়ে দেয় বলে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল সূত্র গুলো অভিযোগে জানিয়েছে। বিষটি পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারও স্বীকার করেছেন। এ নিয়ে প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের মধ্যে একে অন্যের উপর দায় চাপানোর চেষ্টা করছেন বলে জানাগেছে।

এ ব্যাপারে লালমনিরহাট সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নাজমুল হুদার কাছে জানতে চাইলে , তিনি বলেন আমরাতো সহযোগিতার জন্য আছি। কিন্তু পানি উন্নয়ন বোর্ড এখনও আমাদেরকে লিখিতভাবে কিছ জানায়নি।

এদিকে, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ এনায়েত উল্লাহ এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ইতোপূর্বে সমন্বয় কমিটির সভায় বিষয়টি আলোচনা করা হয়েছে, তাছারাও গত ১৩ জুন প্রশাসনের কর্মকর্তাদের কাছে লিখিতভাবে বিষয়টি অবহিত করে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের স্বার্থে প্রতিবন্ধকতা দূরীকরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানানো হয়।

অপরদিকে নির্ভরযোগ্য ও দায়িত্বশীল সূত্র গুলো থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানাযায়, বিশেষ একটি মহলের ইন্ধনে এবং মোটা অঙ্ক হাতিয়ে নেয়ার জন্য প্রকল্পের উপরে যে দুইটি বাড়ি রাতারাতি নির্মাণ করা হয়েছে- প্রকৃত বাড়ির মালিক তারা নয়।’ দায়িত্বশীল কর্মকর্তা এবং একাধিক সূত্র স্বীকার করেছে- নদীতে মাটি কেটে ভিটি উঁচু করা থেকে শুরু করে অন্য স্থান থেকে ঘর নিয়ে এসে সেখানে উত্তোলন করা পর্যন্ত যাবতীয় খরচ দিয়েছে একটি বিশেষ মহল। এবং এ কারণেই সমস্যাটির খুব সহজে সমাধান সম্ভব হচ্ছে না।

এদিকে, পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা জানান, অর্থ বছরের শেষ পর্যায়ে এসে প্রকল্পের কাজটি আটকে যাওয়ায়, এটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হচ্ছে না। জুন মাসের ৩০ তারিখের মধ্যে কাজটি শেষ করা না গেলে সেটি অসমাপ্ত থেকে যাবে এবং অর্থ ফেরত দিতে হবে। এ অবস্থায় এলাকার হাজার হাজার সাধারণ মানুষ আসন্ন বন্যার কথা ভেবে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful