Templates by BIGtheme NET
আজ- শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২০ :: ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ :: সময়- ১২ : ৪২ পুর্বাহ্ন
Home / টপ নিউজ / কাশিমপুর কারাগারে প্রস্তুত ফাঁসির মঞ্চ

কাশিমপুর কারাগারে প্রস্তুত ফাঁসির মঞ্চ

mir kasem ডেস্ক: যুদ্ধাপরাধী মীর কাসেম আলীর ফাঁসির দণ্ড কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে কার্যকর করতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।

এরই মধ্যে ফাঁসির মঞ্চ প্রস্তুত করে প্রাথমিক মহড়া দেয়া হয়েছে। প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে জল্লাদ দলকেও।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২-এর জেল সুপার প্রশান্ত কুমার বনিক বৃহস্পতিবার বলেন, ‘সরকারের আদেশ পেলে আমরা রায় কার্যকর করব। এজন্য আমাদের যাবতীয় প্রস্তুতি আছে।’

জেল সুপার আরও বলেন, বৃহস্পতিবার মীর কাসেম আলীর কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, তিনি মাননীয় রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন করবেন কিনা। তিনি (কাসেম) চিন্তা করার জন্য আরও সময় চেয়েছেন। তবে সেই সময়টা মীর কাসেম আলীকে কত দিন দেয়া হবে তার সিদ্ধান্ত নেবে সরকার।

মীর কাসেমের রায় কার্যকরের বিষয়ে জানতে চাইলে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, ‘আমাদের আইনে যত নিয়ম-কানুন আছে, সব নিয়ম-কানুন মেনে আমরা এই রায় কার্যকর করব। কোনো নিয়ম বাদ দেয়া হবে না।’

একই প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মো. মোজাম্মেল হক খান বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বলেন, ‘আমরা সবকিছু আইন অনুযায়ী করতে চাই। এক্ষেত্রে তাকে রায় শোনানোর দিন থেকে তিনি সাত দিন সময় পাবেন। তবে এজন্য যুক্তিযুক্ত কারণ থাকতে হবে। এর আগেই যদি তিনি প্রাণভিক্ষার বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেন সে অনুযায়ী পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেয়া হবে।’

কারাসূত্র জানায়, কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে ফাঁসির মঞ্চ আছে একটি। মঞ্চটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়েছে। মোম মাখানো দড়িতে বালুর বস্তা দিয়ে প্রাথমিক মহড়া সম্পন্ন হয়েছে। প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে জল্লাদ শাহজাহান, রাজু, পল্টুসহ কয়েকজনকে।

এই জল্লাদ দল ইতিপূর্বে যুদ্ধাপরাধের মামলায় দণ্ডিত আসামি মতিউর রহমান নিজামী, কাদের মোল্লা, আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ফাঁসি কার্যকর করেছিল। এখন সরকারের সিদ্ধান্ত পেলেই দণ্ড বাস্তবায়ন করা হবে।

সূত্র আরও জানায়, দেশের ৬৮টি কারাগারের মধ্যে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ একটি ব্যতিক্রমী ও আধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্পন্ন কারাগার। সেখানে বন্দিদের থাকার জন্য রয়েছে ৬তলা বিশিষ্ট ৬টি ভবন। প্রতিটি ফ্লোরে রয়েছে ২১টি করে ওয়ার্ড। এই কারাগারে ফাঁসির আসামিদের জন্য আছে ৪০টি কনডেম সেল, যার একটিতে রয়েছেন মীর কাসেম আলী।

এমনিতেই কারাগারটি অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সমন্বয়ে নিরাপত্তা বেষ্টিত। এরপরও যেহেতু এখানে কোনো যুদ্ধাপরাধীর দণ্ড প্রথমবারের মতো কার্যকর হতে যাচ্ছে, তাই কারাগারে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।

জেলা পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যকর করা হয়েছে। এমনিতেই এই কারাগার এলাকা সম্পূর্ণভাবে ক্লোজড সার্কিট (সিসি) ক্যামেরার আওতাধীন, তারপরও নিরাপত্তা নিশ্ছিদ্র করতে বাড়তি কিছু সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।

জেলার নাসির আহমদ জানান, মীর কাসেম আলীকে ৪০নং কনডেম সেলে রাখা হয়েছে। তিনি সুস্থ আছেন। কারাগারের চিকিৎসকরা তার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করেছেন। তাকে স্বাভাবিক খাবার দেয়া হয়েছে।

খবর- যুগান্তর

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful