Templates by BIGtheme NET
আজ- শনিবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২০ :: ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ :: সময়- ৮ : ০৩ পুর্বাহ্ন
Home / টপ নিউজ / এবার কাসেমের ফাঁসি বন্ধের আবদার হিউম্যান রাইটস ওয়াচের

এবার কাসেমের ফাঁসি বন্ধের আবদার হিউম্যান রাইটস ওয়াচের

hrw ডেস্ক: মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিতদের ফাঁসি স্থগিতের আবেদনের ধারাবাহিকতায় এবার জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর ফাঁসি বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ।

সংস্থাটির এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক ব্র্যাড অ্যাডামসের পক্ষ থেকে শুক্রবার এক বিবৃতিতে এই আহ্বান জানানো হয়।

জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মীর কাসেমকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেল ২০১৪ সালের ২ নভেম্বর। এরপর চলতি বছরের ৮ মার্চ সে রায় বহাল রাখে আপিল বিভাগ। পরে জামায়াত নেতা এই রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন করলে সে আবেদনও নাকচ করে সর্বোচ্চ আদালত। আইন অনুযায়ী এখন জামায়াত নেতার সামনে কেবল রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনার সুযোগ আছে।

যে অপরাধে কাসেম আলীকে ফাঁসি দেয়া হয়েছে, বাংলাদেশের অনেক মানুষ এটা বিশ্বাস করে বলে মনে করে খোদ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ। তারপরও তার ফাঁসি বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি। ব্র্যাড অ্যাডামস বলেন, ‘বাংলাদেশের অনেকে অবশ্য বিশ্বাস করে কাসেম দোষী এবং তারা তার শস্তি চায়। কিন্তু সেই বিচার হতে হবে নিরপেক্ষভাবে। অন্যায্য বিচারের মাধ্যমে দ্রুত ফাঁসি দিলে ভুক্তিভোগীদের কাছে কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে।’

মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার শুরুর পর থেকেই এর বিপক্ষে অবস্থান নেয় মানবাধিকার সংস্থাটি। জামায়াত নেতা আবদুল কাদের মোল্লা, মুহাম্মদ কামারুজ্জামান, আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদ, মতিউর রহমান নিজামী এবং বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ফাঁসি কার্যকরের আগেও তাদের দণ্ড স্থগিতের আহ্বান জানিয়েছিল সংস্থাটি।

সংস্থাটি কেন সব সময় চিহ্নিত অপরাধীদের পক্ষে এমন বিবৃতি দেয়- শুরু থেকেই এ নিয়ে প্রশ্ন তুলে আসছেন মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের দাবিতে সোচ্চার ব্যক্তিরা। হিউম্যান রাইটস ওয়াচের সমালোচকরা বলছেন, দেশে প্রায় প্রতি সপ্তাহেই হত্যা মামলায় কারও না কারও ফাঁসির আদেশ হয়। সেসব নিয়ে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ কোনো প্রতিক্রিয়া না দিলেও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের রায় হলেই তারা কেন এই ধরনের প্রতিক্রিয়া দেয়, সে প্রশ্নও উঠেছে।

সবশেষ গত বুধবার লক্ষ্মীপুরে এক যুবদল নেতা হত্যা মামলায় আদালত ১১ জনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছে। এ নিয়ে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার পক্ষ থেকে কোনো ধরনের প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। একই দিন দেশের দুটি আদালত আরও তিন জনকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছে। কয়েক মাস আগে একদিনে দেশের বিভিন্ন আদালত ২৮ জনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছিল। তখনও কোনো আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা বিবৃতি বা প্রতিক্রিয়া দেখায়নি।

কাসেম আলীর ফাঁসি কার্যকরের আনুষ্ঠানিকতা যখন চলছে সেই সময় হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলেছে, ‘বাংলাদেশ সরকার ১৯৭১ সালের অপরাধের জন্য যে বিচার করছে সেটা ত্রুটিপূর্ণ। আন্তর্জাতিক মানের ন্যায় বিচার এখানে দরকার।’ বিবৃতিতে বলা হয়, ‘যদি কাসেম আলীর বিচারে এতটুকু সন্দেহের ছায়া থাকে, তবে সেটা বন্ধ করা উচিত।’

মীর কাসেম আলীর মামলায় ট্রাইব্যুনালে রাষ্ট্রপক্ষের ভূমিকার সমালোচনা করেছেন প্রধান বিচারপিত সুরেন্দ্র কুমার সিনহা। এই প্রসঙ্গ উল্লেখ করে ব্র্যাড অ্যাডামস দাবি করেছেন, কাসেম আলীর বিরুদ্ধে যে সাক্ষ্যপ্রমাণ হাজির করা হয়েছে তা ‘অর্ধসত্য’ এবং ‘দায়িত্বহীন’। কাসেম আলীর বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের মামলা অসঙ্গতিপূর্ণ। ব্র্যাড অ্যাডামসের দাবি, চট্টগ্রামে ডালিম হোটেলের নির্যাতনকেন্দ্রে যখন কিশোর মুক্তিযোদ্ধা জসিমউদ্দিনকে হত্যা করা হয় তখন মীর কাসেম ঢাকায় ছিলেন।

মীর কাসেমের ছেলে মীর আহমেদ বিন কাসেমকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে তুলে নেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে তার পরিবার ও জামায়াতের পক্ষ থেকে। তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল নিশ্চিত করেছেন তাকে আটক করেনি কোনো বাহিনী।

তবে নিউম্যান রাইটস ওয়াচ জামায়াত ও কাসেম আলীর অভিযোগের ভিত্তিতে আহমান বিন কাসেমকে ধরে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তারা বলেছে, ‘মীর আহমেদ বিন কাসেমকে তুলে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারটি খুবই দুঃখজনক।’

অ্যাডামস বলেন, ‘সাধারণ মানুষকে নির্বিচারে গ্রেপ্তার করার নজির এটি। সাধারণত কোনো সরকার এটা পছন্দ করে না।’

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful