Templates by BIGtheme NET
আজ- বুধবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২০ :: ১১ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ :: সময়- ৫ : ৪৪ পুর্বাহ্ন
Home / আলোচিত / রংপুর বিভাগে কোরবানির জন্য প্রস্তুত ৮ লাখ ৬৫ হাজার গরু

রংপুর বিভাগে কোরবানির জন্য প্রস্তুত ৮ লাখ ৬৫ হাজার গরু

IMG_0284

ছবি- রণজিত দাস

স্টাফ রিপোর্টার: রংপুরে জমে উঠেছে গরুর হাট। এবার কোরবানির জন্য এ বিভাগে গরুর চাহিদা রয়েছে ৬ লাখ ৩০ হাজার গরু। আর কোরবানির জন্য প্রস্তুত রয়েছে ৮ লাখ ৬৫ হাজার গরু।

জানাগেছে, রংপুরে এবার কোরবানির হাটে ছোট ও মাঝারি আকৃতির দেশি গরুর চাহিদা বেশি। দাম ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে থাকা, দেশি খাদ্যে লালনপালন করায় এসব গরুর চাহিদা বেশি হওয়ার কারণ বলে ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ের পক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে।

নগরের মধ্যে বড় দুটি হাট হলো লালবাগ ও বুড়িরহাট। এই হাট দুটি থেকে প্রতিবছরই রংপুরের অধিকাংশ লোক কোরবানির গরু কেনেন। এরপরও ঢাকা, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জেলা শহর থেকেও ব্যবসায়ীরা গরু কিনতে আসেন। হাট দুটি সপ্তাহে দুদিন করে চার দিন বসে। লালবাগ হাট সপ্তাহে রবি ও বুধবার এবং বুড়িরহাট সোম ও বৃহস্পতিবার বসে।

গতকাল রোববার লালবাগ হাটে সরেজমিনে দেখা গেছে, সকাল থেকে গরু আসতে শুরু করে। দুপুরের পর ক্রেতাদের ভিড় বাড়তে থাকে। দেশি ছোট গরু ৩০-৩৫ হাজার ও মাঝারি ৩৫-৪০ হাজার টাকা দামের গরু বেশি বিক্রি হচ্ছে।

৩২ হাজার টাকা দিয়ে দেশি গরু কিনেছেন শহরের গুপ্তাপাড়ার আলী হোসেন। তিনি বলেন, দেশি গরু বেশি করে বিক্রি হলে খামারিরা উৎসাহিত হবেন। তাই হাটে দেশি গরুই বেশি।

নগরের দর্শনা এলাকা থেকে শমসের মিয়া তাঁর বাড়িতেই ছোট থেকে বড় করা একটি দেশি গরু বিক্রি করতে নিয়ে এসে বললেন, ‘এর আগের হাট বুধবারে আরও একটি দেশি গরু বিক্রি করেছি ৩৫ হাজার টাকায়। আগামী দুই হাটেও চারটি দেশি গরু বিক্রি করব।’

লালবাগ হাটে গরু কিনতে আসা অবসরপ্রাপ্ত এক ব্যাংক কর্মকর্তা মোকলেছুর রহমান বলেন, প্রথমত সাধ্যের মধ্যে দাম থাকতে হবে। সেই সঙ্গে দেশি গরুর চর্বি তুলনামূলকভাবে কম। ৩১ হাজার টাকা দিয়ে একটি ছোট গরু কিনেছেন তিনি।

লালবাগ হাটের ইজারাদার আবদুল্লাহেল কাফী জানালেন, গত বুধবার এই লালবাগ হাটে দেশি ছোট ও মাঝারি গরু কেনাবেচা হয়েছে প্রায় ৬০০। ঈদের আগের দুই হাটে তিন হাজারের বেশি দেশি গরু কেনাবেচা হবে বলে আশা করা যায়।

এদিকে গত বৃহস্পতিবার রংপুর নগরের আরও একটি বড় পশুর হাট বুড়িরহাটে সরেজমিনে দেখা গেছে, দেশি ছোট গরু ৩০-৩৫ ও মাঝারি জাতের গরু ৩৫-৪০ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে।

ছবি- রণজিত দাস

ছবি- রণজিত দাস

বুড়িরহাটের ইজারাদার ইউনুস আলী জানান, গত বৃহস্পতিবার ৪০০-এর বেশি গরু বিক্রি হয়েছে। এর মধ্যে অধিকাংশই ছোট ও মাঝারি দেশি গরু।

এদিকে রংপুরের তারাগঞ্জ গরুর হাট ঘুরে দেখা গেছে, ৮-৯ হাজার গরু বিক্রির জন্য বাজারে আনা হয়েছে। এর মধ্যে বেশির ভাগই মোটাতাজা করা।

ওই হাটে কয়েকজন ক্রেতা ও বিক্রেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মূলত পাইকারেরা ঈদুল আজহা সামনে রেখে এসব গরু নিয়ে এসেছেন অধিক লাভের আশা। এ ছাড়া স্থানীয় কিছু ব্যবসায়ী গ্রাম থেকে দুর্বল গরু কিনে ক্ষতিকর বিভিন্ন বড়ি ও ইনজেকশন প্রয়োগ করে অল্প সময়ের মধ্যে মোটাতাজা করে বাজারে তুলছেন। এর ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে ক্রেতারা অবগত হয়ে এসব গরু কেনার ব্যাপারে তেমন আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। বেশি দাম হলেও তাঁরা দেশি গরু কিনছেন।

রংপুর প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের উপপরিচালক চিকিৎসক স্বপন কুমার পাল বলেন, এবার কোরবানির জন্য এ বিভাগে গরুর চাহিদা রয়েছে ৬ লাখ ৩০ হাজার গরু। আর কোরবানির জন্য প্রস্তুত রয়েছে ৮ লাখ ৬৫ হাজার গরু। এবার ভারত থেকে গরু আমদানির কোনো প্রয়োজন নেই।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful