Templates by BIGtheme NET
আজ- মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২০ :: ১০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ :: সময়- ১ : ০২ অপরাহ্ন
Home / আলোচিত / রিশা হত্যার আসামীকে ধরিয়ে দেওয়ায় তিনজনকে সংবর্ধনা দিল পুলিশ

রিশা হত্যার আসামীকে ধরিয়ে দেওয়ায় তিনজনকে সংবর্ধনা দিল পুলিশ

Pic 1ইনজামাম-উল-হক নির্ণয়, নীলফামারী ৬ সেপ্টেম্বরনীলফামারীর ডোমার উপজেলার সেই মাংস ব্যবসায়ী দুলাল হোসেনসহ তিনজনকে পুরস্কৃত করেছে জেলা পুলিশ।

ঢাকার উইলস লিটল ফাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছাত্রী সুরাইয়া আক্তার রিশার (১৫) হত্যাকারী ওবায়দুল হককে (২৮) ধরিয়ে দেওয়ার অনন্য অবদানের জন্য আজ মঙ্গলবার ডোমার থানা চত্ত্বরে অনুষ্ঠিত ওপেন হাউস ডে এবং কমিউনিটি পুলিশিং সভায় তাদেরকে পুরস্কৃত করা হয়। অনুষ্ঠানে পুরস্কারের অর্থ হাতে তুলে দেন পুলিশ সুপার জাকির হোসেন খান। দুলাল হোসেনের সংগে অপর পুরস্কার প্রাপ্তরা হলেন, ইজিবাইক চালক ইসমাইল হোসেন (২৫) ও সোনারায় ইউপি সদস্য শাহজাহান আলী (৩৫)।

পুলিশের এমন পুরস্কার পেয়ে দুলাল বলেন,‘এখন প্রতিদিন অন্তত একটি করে ভালো কাজ করার ইচ্ছা জাগছে আমার। স্কুল ছাত্রী রিশার খুনী ওবায়দুলকে ধরিয়ে দেওয়ার সময় ভাবতে পারিনি আমি প্রসংশিত হবো, মানুষের কাছে এতো সম্মান পাবো। সবার প্রসংশা আরো ভালো কাজ করার অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে আমার।’

Pic 2গত ৩১ আগস্ট সকালে জেলার সোনারায় বাজার থেকে চাঞ্চল্যকর ওই হত্যাকান্ডের পলাতক আসামী ওবায়দুলকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন ওই বাজারের মাংস ব্যবসায়ী দুলার হোসেনসহ অপর দুই সহযোগী। তারা ওই বাজারে ওবায়দুলকে ঘোরাফেরা করতে দেখে সন্দেহ হলে পুলিশের সরবরাহ করা ছবির সঙ্গে মিল পেয়ে তাকে আটক করে। এরপর পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকায় নেয়।

Pic 3ডোমার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আহমেদ রাজিউর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভার প্রধান অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার জাকির হোসেন। অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন পৌর মেয়র মনছুরুল ইসলাম, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি অধ্যাপক খায়রুল আলম, ডোমার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোসাব্বের হোসেন, সোনারায় ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, ডোমার বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রবিউল আলম প্রমুখ।

ডোমার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আহমেদ রাজিউর রহমান বলেন, ‘রিশা হত্যা মামলার আসামী ওবায়দুলকে ধরিয়ে দেয়ার কাজে সহযোগীতার জন্য দুলালসহ ওই তিনজনকে আর্থিক পুরস্কৃত করেছে জেলা পুলিশ।’

risha_edউল্লেখ যে, চলতি বছরের গত ২৪ আগস্ট দুপুর পৌনে ১২টার দিকে রাজধানীর কাকরাইল ফুটওভার ব্রিজে উইলস লিটল ফাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৮ম শ্রেণির ছাত্রী রিশাকে ছুরিকাঘাত করে ওবায়দুল। তার পেটের বাম পাশে ও বাম হাতে ছুরিকাঘাত করা হয়।টানা চার দিন ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের নিবিড় পর্যবেণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৮ আগস্ট সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মারা যায় রিশা।

এ ঘটনায় রমনা থানায় রিশার মা তানিয়া হোসেন বাদী হয়ে একটি মামলা করেন। মামলায় রাজধানীর ইস্টার্ন মল্লিকা শপিং কমপ্লেক্সের বৈশাখী টেইলার্সের কাটিং মাস্টার ওবায়দুল খানকে আসামি করা হয়। রিশার বাবার নাম মো. রমজান আলী। তিনি একজন ক্যাবল ব্যবসায়ী। রাজধানীর বংশালে তাদের বসবাস।

obaydul-rishaএ ঘটনার পর  দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের মিরাটঙ্গী গ্রামে মহল্লার মৃত. আব্দুস সামাদের ছেলে আসামী ওবায়দুল ঢাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। তাকে ধরতে ডিএমপি পুলিশ ও র‌্যাব বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায়। এ অবস্থায় গত ৩০ আগষ্ট আসামী ওবায়দুল নীলফামারীর ডোমারে এসে আতœগোপন করে। যা জানতে পারেন ডোমার থানার ওসি। খবর পেয়ে ডোমারে ছুটে আসে ডিএমপি পুলিশ ও র‌্যাব। এরমধ্যে আসামীর ছবি ডোমারে সাধারন মানুষজনের কাছে ছড়িয়ে দেয় ডোমার থানা পুলিশ। ওই দিন সারা রাত ধরে চলে অভিযান। পুলিশের অভিযানে আসামী বাঁশঝাড়ে লুকিয়ে থাকে। পরেরদিন ৩১ আগস্ট সকালে আসামী ডোমারের সোনারায় বাজারে এসে পায়ে হেটে নীলফামারী দিকে অগ্রসর হতে থাকে।

যা দেখতে পায় সোনারায় বাজারের মাংস ব্যবসায়ী দুলাল হোসেন। তিনি বিষয়টি অপর দুইজনকে অবগত করে আসামীর সাথে কথা বলেন। আসামী তাদের কাছে ঘটনার কথা জানিয়ে আশ্রয় চেয়ে তার কাছে কোন টাকা নেই এবং দুইদিন ধরে কিছু খায়নি ক্ষুদ্ধাত্ব বলে খেতে চায়।  দুলাল হোসেন ও অপর দুইজন ওবায়দুলকে সোনারায় বাজারের রফিকুলের হোটেলে বসিয়ে পরাটা খাওয়াতে থাকে। আর এ মাঝে ডোমার থানায় মোবাইলে খবরটি জানিয়ে দেয়। খবর পেয়ে ডোমার থানার ওসি আহমেদ রাজিউর রহমান, ডিএমপি পুলিশ ও র‌্যাব ঘটনাস্থলে ছুটে এসে আসামীকে নাস্তা খাওয়া অবস্থায় গ্রেফতারে সক্ষম হয়। আসামীর নাস্তার ২৫টাকা বিল হোটেলে পরিশোধ করেন দুলাল হোসেন।

আসামী ওবায়দুলকে সেদিন দুপুরে ডোমার হতে ঢাকায় নেয়া হয়। পরেরদিন ১ সেপ্টেম্বর আদালতের মাধ্যমে তাকে ৬ দিনের রিমান্ড নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে রমনা থানার পুলিশ। এরপর আসামী ঘটনার দায় স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দেয়। আসামী ওবায়দুল এখন ঢাকার কারাগারে। তার দ্রুত বিচারের মাধ্যমে ফাসির দাবি উঠেছে শিক্ষার্থী সহ সর্বমহলে।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful