Templates by BIGtheme NET
আজ- শুক্রবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২০ :: ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ :: সময়- ১০ : ৪২ অপরাহ্ন
Home / টপ নিউজ / গাজীপুরে কারখানায় বয়লার বিস্ফোরণে নিহত বেড়ে ২৫

গাজীপুরে কারখানায় বয়লার বিস্ফোরণে নিহত বেড়ে ২৫

tongiডেস্ক: গাজীপুরের টঙ্গী বিসিক শিল্পনগরীতে প্লাস্টিক কারখানা ট্যাম্পাকো ফয়েলস লিমিটেডে বয়লার বিস্ফোরণে অগ্নিদগ্ধ হয়ে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৫ জনে দাঁড়িয়েছে।

নিহত ১৯ জনের লাশ টঙ্গী জেনারেল হাসপাতাল, পাঁচজনের লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল এবং একজনের লাশ বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

আগুনে পাঁচতলা ভবনটির চারতলা প্রায় পুরোটাই ধসে পড়েছে। নিহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ট্যাম্পাকো নামের ওই কারখানায় শনিবার সকাল ৬টার দিকে বয়লার বিস্ফোরণের এ ঘটনা ঘটে। হতাহতদের উদ্ধার করে টঙ্গী ৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য আহতদের অধিকাংশকেই ঢামেকে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে হাসপাতালটিতে ৩জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এ ঘটনায় আহতদের মধ্যে প্রথমে ৩০ ও পরে ৬ জনকে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শনিবার বিকেল পর্যন্ত সেখানে মারা যান পাঁচজন। নিহতরা হলেন- আনোয়ার হোসেন (৪০), ওয়াহিদুজ্জামান তপন (৩৫), দেলোয়ার হোসনে (৪০), তাহমিনা  আক্তার (২০) ও আশিক (২৫)। চিকিৎসাধীনদের মধ্যে দু’জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এরা হলেন-রিপন দাশ (৩৫) ও আতিক(১২)।

এছাড়া বয়লার বিস্ফোরণের ঘটনায় নিহতদের মধ্যে রয়েছেন- সোলেমান (৩০), ইদ্রিস (৪০), আব্দুল হানান (৬৪), আল মামুন (৪০), শংকর (২৫), জাহাঙ্গীর আলম (৫০), শুভাষ চন্দ্র (৪০), রফিকুল ইসলাম (২৮), রেদোয়ান (৩৫),জয়নুল (৩৫), আনোয়ার হোসেন (৪০), আনিসুর রহমান (৪০), রাজেশ (২২), রাশেদ (২৮), এনামুল হক (৩৫), গোপাল দাশ (২৫) ও মো. হুসাইনসহ (৩০) অজ্ঞাত পরিচয় আরও দুইজন। তাদের মরদেহ গাজীপুর ৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল থেকে ঢামেকে স্থানান্তর করা হয়েছে।

ঘটনার সময় ভবনের পাশের রাস্তায় থাকা একটি রিকশার উপর দেয়াল ধসে পরে এক আরোহী নিহত হন। পরে তার পরিচয় জানা যায়। তিনি হবিগঞ্জের বাসিন্দা মর্জিনা বেগম (২০)। তিনি পাকিজা গার্মেন্টসে কাজ করতেন। ঘটনার সময় তার সঙ্গে থাকা তার বোন তাহমিনাও (১৬) গুরুতর আহত হন। পরে তিনি ঢামেকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। ঘটনার পর পরই মর্জিনা বেগমের লাশ তার স্বামী সুমন বাড়িতে নিয়ে যান।

টঙ্গী সরকারি হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার পারভেজ হোসেন জানান, টঙ্গী হাসপাতালে ১৯ জনের লাশ আছে। ইতোমধ্যে লাশগুলো ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

গাজীপুরের জেলা প্রশাসক এসএম আলম, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ভারপ্রাপ্ত মেয়র আসাদুর রহমান কিরনসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

গাজীপুরের জেলা প্রশাসক এসএম আলম বলেছেন, গাজীপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রাহেদুল ইসলামকে প্রধান করে পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন। এছাড়া, নিহত প্রত্যেক পরিবারকে ২০ হাজার টাকা এবং আহতদের প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে।

ওই কারখানায় বিভিন্ন ধরনের প্যাকেজিংয়ের কাজ করা হতো বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। প্লাস্টিক জাতীয় দ্রব্য দিয়ে বিভিন্ন ধরনের জিনিস বানানো হতো। এই কারখানায় প্রতি শিফটে ৩০০ শ্রমিক কাজ করত। যখন বিস্ফোরণ হয় তখন রাতের শিফটে লোকজন কাজ করে সকালে বের হওয়া প্রস্তুতি নিচ্ছিল, এমন সময় বিস্ফোরণ ঘটে।

জানা গেছে, রাতের শিফটে দেড়শতাধিক লোক কাজ করত। সকালের শিফটের কিছু শ্রমিকও কারখানায় প্রবেশ করেছিল।

বিস্ফোরণের পর ওই কারখানার দাহ্য পদার্থ থেকে আগুন ধরে যায়। দ্রুত সে আগুন পুরো কারখানায় ছড়িয়ে পড়ে। বিস্ফোরণ এবং অগ্নিকাণ্ডের ফলে ৪তলা ওই ভবনের প্রায় পুরোটা ধসে পড়েছে।

সকাল ১০টার দিকে ভেতরে থেকে দুজনের লাশ বের করা হয়। তারা দেয়াল চাপায় নিহত হয়েছেন। লাশ দুটি টঙ্গী সরকারি হাসপাতালে পাঠানো হয়।

বিস্ফোরণের পর কারখানাটিতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে জয়দেবপুর, টঙ্গী, কুর্মিটোলা, সদর দফতর, মিরপুর এবং উত্তরাসহ আশেপাশের ফায়ার স্টেশনের ২৫টি ইউনিট।

জয়দেবপুর ফায়ার স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. রফিকুজ্জামান জানান, শনিবার সকালে টঙ্গীর বিসিক নগরীতে ট্যাম্পাকো কারখানায় বয়লার বিস্ফোরণ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful