Templates by BIGtheme NET
আজ- সোমবার, ২৫ জানুয়ারী, ২০২১ :: ১১ মাঘ ১৪২৭ :: সময়- ৪ : ৩০ পুর্বাহ্ন
Home / নীলফামারী / সৈয়দপুর হাসপাতাল নিজেই যেন রোগী!

সৈয়দপুর হাসপাতাল নিজেই যেন রোগী!

s-1বিশেষ প্রতিনিধি, ১৬ সেপ্টেম্বরনামেই ১শ শয্যা হাসপাতাল। কিন্তু প্রয়োজনীয় ওষুধ নেই, জনবল ও অ্যাম্বুলেন্স সংকটসহ রোগীদের বেড জরাজীর্ণ, নেই ব্যবহারের বালিশও। ফলে হাসপাতালটি বর্তমানে নিজেই রোগী হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় চলছে নীলফামারীর সৈয়দপুর ১শ শয্যা হাসপাতাল।

উত্তরের সৈয়দপুর ও আশপাশের খানসামা, চিরিরবন্দর, পার্বতীপুর, তারাগঞ্জ প্রভৃতি এলাকাসহ হাইওয়ে রোডে সড়ক দুর্ঘটনায় আহতদের চিকিৎসার জন্য অনেকেই সৈয়দপুর ১শ শয্যা হাসপাতালে ছুটে আসেন। ইতিপূর্বে হাসপাতালটি ৫০ শয্যা বিশিষ্ট থাকলেও এটিকে ১শ শয্যায় উন্নীত করে অবকাঠামো তৈরি করা হয়। বিগত ২০১৫ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অধীনে প্রায় ২১ কোটি ব্যয়ে হাসপাতালের চারতলা ভবন, ডাক্তার ও স্টাফ কোয়ার্টার, ডাক্তারদের স্ব স্ব চেম্বার, উন্নত অপারেশন থিয়েটার, যথেষ্ট ওষুধ সরবরাহসহ চিকিতসার জন্য সকল ত্রেই প্রস্তুত করা হয়েছে। আগামী সপ্তাহখানেকের মধ্যে এটি হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছেন নীলফামারী-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বিরোধীদলীয় হুইপ আলহাজ শওকত চৌধুরী। রোগীদের বেডের ফোম ছেঁড়াফাটা, বালিশও নেই। নেই প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র। সবকিছু বাইরে থেকে কিনতে হয় এমন অভিযোগ রোগীদের। এ ছাড়া হাসপাতালে জনবল সংকটের কারণে চিকিতসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপ।

সিনিয়র কনসালট্যান্ট মেডিসিন একজন, সিনিয়র কনসালট্যান্ট সার্জারি একজন, জুনিয়র কনসালট্যান্ট প্যাথলজি একজন, জুনিয়র কনসালট্যান্ট ইএনটি একজন, জুনিয়র কনসালট্যান্ট অ্যানেসথেসিয়া একজন, আরএম প্যাথলজি একজন ও রেডিওলিস্ট নেই হাসপাতালে। বর্তমানে একজন ডেন্টাল সার্জন, একজন এমও এবং একজন জুনিয়র কনসালট্যান্ট গাইনি মিলে অনুমোদিত পদে আছেন কেবল তিন জন। হাসপাতালের স্টাফ নার্স, সহকারী নার্স, ফার্মাসিসস্ট, এমএলএস, কুক মশালচি, সুইপারসহ ৬৩টি পদ অনুমোদিত থাকলেও ১৭টি পদে কোনো জনবল নিয়োগ করা হয়নি। ফলে চিকিৎসক ও নার্স সংকটে উপজেলার বিভিন্ন কমিউনিটি কিনিকের তিন জন সেকমো আর তিন জন ডাক্তার দিয়ে প্রতিদিন জরুরি আন্তঃ ও বহিঃবিভাগে রোগীদের চিকিৎসাসেবা চলছে।

s-2হাসপাতালের কোনো জরুরি রোগীকে রেফার্ড করলে রোগীর স্বজনদের দুর্ভোগের সীমা থাকে না। কারণ হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্সটি দীর্ঘদিন ধরে বিকল হয়ে পড়ে আছে। মেরামতের বা নতুন করে অ্যাম্বুলেন্স আনারও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। অ্যাম্বুলেন্সের দুজন চালকের মধ্যে একজন বসে বসে বেতন গুনছেন, অপরটিতে কোনো লোক নেই। উন্নত চিকিতসার জন্য রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও অন্যত্র নেওয়ার েেত্র রোগী ও পরিবারের লোকজনকে অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হচ্ছে।

নীলফামারী সিভিল সার্জন ডা. আব্দুর রশীদ জানান, দ্রুত হাসপাতালের সমস্যা সমাধান করা হবে। জনবল সংকটসহ সমস্যার কথা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপকে অবহিত করা হয়েছে।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful