Templates by BIGtheme NET
আজ- শনিবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২০ :: ১৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ :: সময়- ৮ : ২২ অপরাহ্ন
Home / টপ নিউজ / রংপুর বিভাগে বিএনপির এক নেতা এক পদ নীতি বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেই

রংপুর বিভাগে বিএনপির এক নেতা এক পদ নীতি বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেই

bbbbডেস্ক: মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাড়া রংপুর বিভাগে বিএনপির এক নেতা এক পদ নীতি এখনো বাস্তবায়িত হয়নি। তবে একাধিক পদধারী নেতাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে তারা কেন্দ্রের পদ ছাড়তেই আগ্রহী বেশি।
অন্য দিকে নির্বাহী কমিটির সদস্যদের দাবি তাদের ক্ষেত্রে এই নীতি প্রযোজ্য নয়। বিএনপি ঘোষিত ৫০২ সদস্যের কমিটিতে রংপুর বিভাগ  থেকে আছেন ২ জন স্থায়ী কমিটির সদস্য, একজন মহাসচিব, একজন সাংগঠনিক সম্পাদক, ৩ জন কেন্দ্রীয় সম্পাদক, দুইজন সহসাংগঠনিক সম্পাদক, একজন সহসম্পাদক, ১৬ জন নির্বাহী সদস্য। এর মধ্যে কেবল মহাসচিব গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কৃষক দল ও ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতির পদ ছেড়ে দিয়েছেন। গত ৪ এপ্রিল তিনি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কাছে এ দু’টি পদের পদত্যাগপত্র জমা দেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে ঘোষিত স্থায়ী কমিটির সদস্য লে. জে. (অব:) মাহবুবুর রহমান দিনাজপুর জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির ১ নম্বর সদস্য। ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার পঞ্চগড় জেলা বিএনপির কমিটি সদস্য। এখনো দুই পদে বহাল আছেন সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল হাবিব দুলু (রংপুর বিভাগ)। তিনি লালমনিরহাট জেলা বিএনপির সভাপতি।
ঘোষিত কমিটির ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্পবিষয়ক সম্পাদক মোজাফফর হোসেন রংপুর মহানগর বিএনপির সভাপতি। গ্রাম সরকারবিষয়ক সম্পাদক আনিসুজ্জামান বাবু গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সভাপতি। আন্তর্জাতিক সম্পাদক নওশাদ জামীর পঞ্চগড় জেলা বিএনপির সাধারণ সদস্য। সহসাংগঠনিক সম্পাদক শামসুজ্জামান (রংপুর বিভাগ) নীলফামারী জেলা বিএনপির সেক্রেটারি। আরেক সহসাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন দিনাজপুর জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির ২ নম্বর সদস্য ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি। সহগ্রাম সরকারবিষয়ক সম্পাদক আমজাদ হোসেন সরকার ভজে নীলফামারীর সৈয়দপুর সাংগঠনিক জেলা বিএনপির সেক্রেটারি।
ঘোষিত জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মোজাহার হোসেন পঞ্চগড় জেলা কমিটির সভাপতি, ফরহাদ হোসেন আজাদ যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি (রংপুর বিভাগ), রীনা পারভীন পঞ্চগড় জেলা মহিলা দলের সভানেত্রী। আরেক সদস্য মীর্জা ফয়সাল আমীন ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি, জেড এম মর্তুজা চৌধুরী তুলা ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সহসভাপতি। কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য এ জেড এম রেজওয়ানুল হক দিনাজপুর জেলা বিএনপির আহবায়ক, আখতারুজ্জামান মিয়া যুগ্ম আহবায়ক, রেজিনা ইসলাম যুগ্ম আহবায়ক। কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য বিলকিস ইসলাম নীলফামারী জেলা বিএনপির উপদেষ্টা, অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান চৌধুরী সিনিয়র সহসভাপতি, শাহরিন ইসলাম তুহিন জেলা কমিটির ১ নম্বর সদস্য এবং অ্যাডভোকেট রাজিব হাসান প্রধান অন্যতম সদস্য।
কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য নুর মোহাম্মদ মণ্ডল রংপুর জেলা বিএনপি সহসভাপতি, সাঈদা রহমান জোৎস্না রংপুর জেলা মহিলা দলের সভাপতি, তাসভিরুল ইসলাম কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির সভাপতি, সাইফুর রহমান রানা সেক্রেটারি। কেন্দ্রীয় সদস্য রওশন আরা ফরিদ গাইবান্ধা জেলা মহিলা দলের সভাপতি।
এসব নেতার সাথে কথা বলে জানা গেছে, তারা কেন্দ্রের থেকে স্থানীয় পদেই থাকতে বেশি আগ্রহী। তবে দুটোতে এক সাথে থাকতে পারলে আরো ভালো। স্থানীয় পর্যায়েও এসব নেতার ব্যাপক ভূমিকা আছে। তাদের অবর্তমানে শূন্যতা সৃষ্টির ভয়ও আছে কোনো কোনো কর্মীর মধ্যে। সে কারণে তারা দুই পদ সামলাতেই তদবির করছেন। অন্য দিকে নির্বাহী কমিটির সদস্যদের ধারণা তাদের স্থানীয় পদ ছাড়তে হবে না।
এক নেতা এক পদ নীতি বাস্তবায়ন না হওয়া প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্পবিষয়ক সম্পাদক এবং রংপুর মহানগর বিএনপির সভাপতি মোজাফফর হোসেন বলেন, সবার বেলায় যে সিদ্ধান্ত হবে আমার বেলায়ও তাই হবে। ম্যাডাম ফিরে আসুন। তার পর আমি সবার সাথে পরামর্শ করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবো। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক চিঠি পাননিও বলে জানান তিনি।
পদ ছেড়ে দেয়ার বিষয়ে এখনো কোনো চিঠি পাননি দাবি করে কেন্দ্রীয় সহগ্রাম সরকারবিষয়ক সম্পাদক এবং সৈয়দপুর সাংগঠনিক জেলা বিএনপির সেক্রেটারি আমজাদ হোসেন সরকার (ভজে) জানান, আমি সেন্ট্রাল পদটিই ছেড়ে দেবো। কারণ যে পদ দেয়া হয়েছে দেশে তার কোনো ভিত্তিই নেই।
তবে নির্বাহী সদস্য থাকলেও তাকে পদ ছেড়ে না দিলেও হবে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য ও ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি মীর্জা ফয়সাল আমীন। তিনি জানান, সম্পাদকীয় ও সহসম্পাদকীয় পোস্টেই কেবল এক নেতা এক পদ নীতি বাস্তবায়িত হবে। নির্বাহী সদস্যদের বেলায় সেটি প্রযোজ্য নয়। একই দাবি করেছেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য ও কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির সভাপতি তাসভিরুল ইসলাম। তিনি জানান, কাউন্সিলে উপস্থিত জেলা কমিটির সভাপতি ও সেক্রেটারিরা পদাধিকার বলেই নির্বাহী কমিটির সদস্য হয়ে থাকেন।
এসব বিষয়ে জানার জন্য কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (রংপুর বিভাগ) ও লালমনিরহাট জেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলুর মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অনেক বার ফোন করেও কথা বলা সম্ভব হয়নি গ্রাম সরকারবিষয়ক সম্পাদক গাইবান্ধা জেলা বিএনপির সভাপতি আনিসুজ্জামান বাবুর সাথে। সহসাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন ও শামসুজ্জামানের মোবাইল ফোন এক টানা ৮ ঘণ্টা বন্ধ পাওয়া যায়।
বিষয়টি সম্পর্কে খোলাসা হতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তার ফোনটিও বন্ধ পাওয়া যায়। তার ব্যক্তিগত সহকারী ইউনুসের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, মোবাইলটি নষ্ট হয়ে গেছে।
তবে ঢাকায় বিএনপি বিট করেন তেমন একাধিক সাংবাদিকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, এক নেতা এক পদ নীতি নির্বাহী সদস্যদের বেলায়ও প্রযোজ্য।
দলটির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার জানান, গত কাউন্সিলে গঠনতন্ত্রে এক নেতার এক পদ নীতি করা হয়েছে। তা কঠোরভাবে মেনে চললে অনেক নেতাকে বিভিন্ন পদে পদায়ন করা যাবে। এতে দল সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী হবে। এ বিবেচনা থেকেই একাধিক পদ দখলে থাকা নেতাদের অতিরিক্ত পদ ছেড়ে দিতে কঠোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে। প্রথম বৈঠকেই বিষয়টি ব্যাপকভাবে আলোচনা করা হয়েছে। তিনি বলেন, যারা এখনো পদ ছাড়েননি তারা দ্রুত ছেড়ে দেবেন বলে আমার বিশ্বাস।
ষষ্ঠ কাউন্সিলে বিএনপির গঠনতন্ত্রে সংযোজিত নতুন বিধান মতে, দলের একজন নেতা একটির বেশি কোনো পদে থাকতে পারবেন না। তবে দলীয় প্রধান প্রয়োজন মনে করলে বিশেষ মতাবলে কাউকে অস্থায়ীভাবে একাধিক পদে রাখতে পারেন।
খবর- নয়া দিগন্ত
Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful