Templates by BIGtheme NET
আজ- শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২০ :: ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ :: সময়- ৫ : ৩৮ অপরাহ্ন
Home / লালমনিরহাট / হাতীবান্ধায় শহীদ মিনার নির্মাণে বাঁধা

হাতীবান্ধায় শহীদ মিনার নির্মাণে বাঁধা

map of lalmonirhatনিয়াজ আহমেদ সিপন, লালমনিরহাট প্রতিনিধি: লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শহীদ নির্মাণে বাঁধা দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। শুধু তাই নয়, শহীদ মিনার নির্মাণের জন্য ক্রয়করা ইট, সীমেন্ট ও রডসহ বিভিন্ন মালামাল স্কুল ঘর থেকে জোড় করে নিয়ে গেছে প্রভাবশালী এক ইউ,পি সদস্য ও তার লোকজন।

এঘটনায় স্কুলের প্রধান শিক্ষক হাতীবান্ধায় থানায় অভিযোগ দিলেও গত দুদিনেও তা নথিভুক্ত হয়নি বলে জানা গেছে।

জানা যায়,সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উন্নয়নের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থে হাতীবান্ধা উপজেলায় বেশ কয়েকটি স্কুলে শহীদ মিনার নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়। সে অনুযায়ী উপজেলার ভেলাগুড়ি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শহীদ মিনার নির্মাণের জন্য ইট, সীমান্ট, রডসহ বিভিন্ন মালামাল ক্রয় করে স্কুল ঘরে রাখা হয়। তবে জায়গা সমস্যার কারণে সোমবার স্কুলের সীমানা প্রাচীরের সামান্য অংশ ভেঙে সেখানে শহীদ মিনার তৈরীর কাজ শুরু করে রাজমিস্ত্রীরা। এই অবস্থায় ভেলাগুড়ি ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড সদস্য মজিবর রহমান মজিসহ ক্ষমতাসীন দলের আব্দুল মান্নান, আজিমুদ্দিন আব্দুল রউফ,আমিন,আব্দুল হক,খায়রুরজ্জামানসহ কয়েকজন নেতাকর্মীরা তাতে বাঁধা দেন। এক পর্যায়ে ওই ইউ,পি সদস্য শহীদ মিনার নির্মাণের জন্য ক্রয়কৃত মালামাল নিয়ে যায় বলে অভিযোগ স্কুল শিক্ষকদের। এদিকে এঘটনায় ওই স্কুলের শিক্ষার্থীরা আতংকিত রয়েছেন। অনেকই ঘটনার পর থেকে স্কুল আসনা বন্ধু রেখেছেন বলেও জানা গেছে।

ভেলাগুড়ি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিলরুবা ফরিদা বেগম অভিযোগ করে বলেন, সোমবার বেলা ১১ টার দিকে স্কুলের ওই শহীদ মিনার নির্মাণের কাজ করছিল মিস্ত্রিরা। এমন সময় মজিবুর রহমান(মজি) মেম্বরসহ কয়েকজন লোক এসে তাদেরকে না জানিয়ে কাজ শুরু করার জন্য গালমন্দ করেন। পরে তারা জোর করে স্কুল ঘরে থাকা ইট, সীমেন্ট ও রডসহ বিভিন্ন মালামাল ভ্যানে তুলে নিয়ে যায়।

এ নিয়ে ইউ,পি সদস্য মজিবর রহমানসহ ৭ জনের নাম উল্লেখ করে হাতীবান্ধা থানায় এজাহার দেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
ভেলাগুড়ি ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড সদস্য মজিবর রহমান কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘স্কুলের দেয়াল ভেঙে শহীদ মিনার নির্মাণের কাজ করায় দলীয় (আ‘লীগের) লোকজন প্রথমে তাতে বাঁধা দেয়। পরে আমি গিয়ে ৮৫ টি ইট, হাফ বস্তা খোয়া ও ১০ টি ভাঙা ইট নিয়ে এসে ইউনিয়ন পরিষদে রেখেছি।”

ভেলাগুড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মহির উদ্দিন জানান, স্কুলে প্রধান শিক্ষক বিষটি আমাকে জানিয়েছেন। তবে শহীদ মিনার নির্মাণে বাঁধা সৃষ্টি করছে তা খতিয়ে দেখা হবে।

উপজেলা প্রথামিক শিক্ষা কর্মকর্তা হাসান আতিকুর রহমান বলেন, প্রধান শিক্ষককে থানায় অভিযোগ দেয়ার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি ঘটনাটি দেখতে একজন সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম বলেন, ‘বিষয়টি হাতীবান্ধা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান দেখতে চেয়েছেন। তাই এই প্রতিবেদককে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সাথে যোগাযোগ করতে বলেন।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful