Templates by BIGtheme NET
আজ- রবিবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২০ :: ১৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ :: সময়- ৬ : ৫৮ পুর্বাহ্ন
Home / ক্যাম্পাস / চাপের মুখে রাবি শিক্ষকদের ডিজিটাল হাজিরা স্থগিত

চাপের মুখে রাবি শিক্ষকদের ডিজিটাল হাজিরা স্থগিত

raj uni রাবি প্রতিবেদক: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য আগামী ১ অক্টোবর চালু হতে যাওয়া ‘ডিজিটাল অ্যাটেন্ডেন্স’ পদ্ধতি চাপের মুখে স্থগিত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি ও ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধে বিশ্বাসী প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ’ এর চাপের মুখে উদ্বোধনের দুইদিন আগে এ স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মুহাম্মদ এন্তাজুল হক স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তিতে স্থগিতাদেশ সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও দফতরে পাঠানো হয়।

এর আগে গত ৮ সেপ্টেম্বর ‘ডিজিটাল অ্যাটেনডেন্স মনিটরিং সিস্টেম’এ শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি প্রদান করতে হবে জানিয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি বিভাগগুলোতে পাঠানো হয়। সেখানে আগামী ১ অক্টোবর থেকে তা কার্যকর করা হবে বলেও জানানো হয়।’

এরপর থেকে এ পদ্ধতি নিয়ে আপত্তি তোলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি ও প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ। ডিজিটাল উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি প্রত্যাহার করার দাবি নিয়ে গত ২৭ সেপ্টেম্বর সকালে উপাচার্যের সঙ্গে দেখা করেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক শহীদুল্লাহ্ ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক শাহ্ আজম। সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার না হলে ১ অক্টোবর ১১টা থেকে এক ঘণ্টা কর্মবিরতির হুশিয়ারিও দেন তারা। পরে প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের আহ্বায়ক অধ্যাপক রকীব আহমদের নেতৃত্বে একই দাবি উপাচার্যকে লিখিতভাবে জানানো হয়।

আপত্তিকারী শিক্ষকদের অভিযোগ, এই পদ্ধতির মাধ্যমে শিক্ষকদের স্বাধীনতা খর্ব করে নিয়ন্ত্রণারোপ করা হবে। এভাবে শৃঙ্খলিত করা বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ও মুক্তচিন্তার পরিপন্থি। তাদের মতে, জ্ঞান বিতরণের কোনও সময় নেই, সেটা সকাল, বিকেল, রাত যে কোনও সময় হতে পারে। ’৭৩-এর অধ্যাদেশ অনুযায়ী শিক্ষকরা শুধু বিবেকের কাছে দায়বদ্ধ থাকবে। কিন্তু এ ডিজিটাল উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ পদ্ধতিতে আমাদের সে স্বাধীনতা ক্ষুন্ন হবে।

সিদ্ধান্ত স্থগিতের বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ^বিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক মুহম্মদ মিজানউদ্দিন বলেন, ‘কিছু শিক্ষকের মধ্যে এই নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে, তাই আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। আমরা সময় নিয়ে যাচাই-বাছাই করে ঘাটতিগুলো পূরণ করে আবারো চালু করবো।’

শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. মো. শহীদুল্লাহ বলেন, ‘বিশ^বিদ্যালয় প্রশাসনের সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানাই যে, তারা শিক্ষকদের মতামতকে প্রধান্য দিয়েছে।’

একইভাবে প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তকে ধন্যবাদ জানান বিশ^বিদ্যালয় মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধে বিশ^াসী প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের আহ্বায়ক প্রফেসর ড. রকীব আহমাদ। এসময় তিনি বলেন, ‘স্থগিত করলে হবে না, ১৩ শত শিক্ষকের দাবি অনুযায়ী এই পদ্ধতি প্রত্যাহার করতে হবে।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful