Templates by BIGtheme NET
আজ- শুক্রবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২০ :: ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ :: সময়- ১১ : ১০ অপরাহ্ন
Home / টপ নিউজ / তাহমিদের সংশ্লিষ্টতা মেলেনি, হাসনাতে নিশ্চিত নয় পুলিশ

তাহমিদের সংশ্লিষ্টতা মেলেনি, হাসনাতে নিশ্চিত নয় পুলিশ

tahmid ডেস্ক: গুলশান হামলার ঘটনায় তদন্তে তাহমিদ হাসিব খানের সংশ্লিষ্ঠতা মেলেনি। আর হাসনাতের ব্যাপারে এখনো নিশ্চিত নয় পুলিশ। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের প্রধান মো. মনিরুল ইসলাম সোমবার দুপুরে ডিএমপিতে পুলিশ কর্মকর্তাদের নিয়ে এক সেমিনারের বিরতিকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক আলাপে এ কথা বলেন।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মনিরুল ইসলাম বলেন, আমরা তাহমিদকে কখনো গুলশান হামলা মামলায় আসামি করিনি। তবে সে তথ্য গোপন করেছে। তদন্ত কর্মকর্তাদের অসহযোগিতা করেছে। সে জন্য আমরা তাকে ৫৪ ধারায় আটক দেখিয়েছি।

তিনি বলেন, তাহমিদকে আমরা অনেকবার জিজ্ঞাসাবাদ করেছি। সেখানে তাকে গুলশান হামলার সঙ্গে জড়িত বলে মনে হয়নি। কোনো প্রমাণ মেলেনি। এমনকি তাহমিদকে টাস্কফোর্স ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেলেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু জিজ্ঞাসাবাদে মনে হয়েছে সে সম্পৃক্ত নয়।

হাসনাত করিমের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তার বিষয়ে এখনো তদন্ত চলছে। তাকেও টিএফআই সেলে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঠানো হয়েছিল। তদন্ত প্রতিবেদন এখনো হাতে আসেনি। আসলে তার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বৈশ্বিক পরিস্থিতি কিংবা অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা দেখা দিলে জঙ্গিরা মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন মহানগর পুলিশের এ গোয়েন্দা কর্মকর্তা।

আলাপকালে তিনি বলেন, জঙ্গিবাদ মুলত যে দুটি কারণে উৎসাহিত হয় তার মধ্যে একটি হল বৈশ্বিক। অন্যটি আমাদের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতির বিশৃঙ্খলতা। সুতরাং দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতি আবারো ঘোলাটে হলে গা ঢাকা দেওয়া জঙ্গিরা সুযোগ নিয়ে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে।

জঙ্গি দমন প্রশ্নে পুলিশের ওই কর্মকর্তা বলেন, জঙ্গিরা মুলত আদর্শিক বা মতবাদ কেন্দ্রিক। ফলে তাদের মধ্যে প্রোথিত ভুল মতবাদ থেকে ফিরিয়ে আনতে পারলে বলা যাবে জঙ্গিদের নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।

তিনি বলেন, জঙ্গিদের মধ্যে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি শক্তিশালী হল জামায়াতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ এর নেতৃত্বের দ্বন্দ্বে পৃথক হওয়া নতুন গ্রুপটি। যা নব্য জেএমবি নামে পরিচিত।

মনিরুল ইসলাম বলেন, কিন্তু গুলশান হামলার পর ধারাবাহিক অভিযানে জঙ্গিদের মাস্টার মাইন্ডদের অনেকেই নিহত ও একজন আত্মহত্যা করেছেন। ফলে এখন তাদের কোমর ভেঙে গেছে। কিন্তু তাই বলে তাদের নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে এমনটি দাবি করার কোনো কারণ নেই। যদি তাদের মধ্যে বিদ্যমান আদর্শ থেকে জঙ্গিদের সরিয়ে আনা সম্ভব হয় তবেই তাদের নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। ফলে বর্তমানে নিষ্ক্রিয় মনে হলেও বৈশ্বিক পরিস্থিতি বা অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে আবার যে কোনো সময় তাদের উত্থান ঘটতে পারে।

জঙ্গিদের অস্ত্র ও অর্থের উৎস প্রসঙ্গে মনিরুল ইসলাম বলেন, জঙ্গিদের অস্ত্র ও অর্থের উৎস নিয়ে তদন্ত চলছে। তবে আমরা প্রাথমিকভাবে জঙ্গিদের অর্থের রুট ও ট্রানজিট চিহ্নিত করতে পেরেছি। শুধূ তাই নয়, দুই দফায় আসা প্রায় ২০ লাখ টাকা কে গ্রহণ করেছে তাকেও চিহ্নিত করেছি। তবে কে এই অর্থ পাঠিয়েছেন তাকে এখনো চিহ্নিত করা যায়নি। দেশে টাকা গ্রহণ করেছেন বাশার ওরফে চকলেট বাশার। চকলেট তার সাংগঠনিক নাম।

তিনি বলেন, টাকাগুলো যেহেতু হুন্ডির মাধ্যমে এসেছে সে কারণে সে ব্যক্তি বাংলাদেশেরও কেউ হতে পারেন। আবার প্রবাসী বাঙালি বা বিদেশি কেউ হতে পারেন।

আজিমপুরের আস্তানায় অভিযানকালে আত্মহত্যাকারী জঙ্গি তানভীর কাদেরী ওরফে করিমের ছেলে তাহরিম কাদেরী যে স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দিয়েছে তাতে গোয়েন্দাদের অনেক তথ্যের গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য (এভিডেন্স) পাওয়া গেছে। গুলশান হামলায় ব্যবহৃত অপারেশনাল আস্তানা সম্পর্কেও অনেক সাক্ষ্য পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে কল্যাণপুর আস্তানায় অভিযানে আটক জঙ্গি রিগ্যানকে জিজ্ঞাসাবাদেও অনেক তথ্য পাওয়া গেছে। রিগ্যান যদি স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দিতে রাজি হয় তবে আরো কিছু সাক্ষ্য (এভিডেন্স) যুক্ত হবে। যা তদন্ত এগিয়ে নিতে অনেক সহায়ক হবে।

পুলিশের এ কর্মকর্তা বলেন, আমরা মারজান, রাজিব গান্ধি, চকলেট বাশারসহ সংশ্লিষ্ট জঙ্গিদের গ্রেফতারে অভিযান চালাচ্ছি।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful