Templates by BIGtheme NET
আজ- মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২০ :: ১০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭ :: সময়- ১১ : ৩২ অপরাহ্ন
Home / খোলা কলাম / কারে তুমি ‘মফিজ’ বলো!

কারে তুমি ‘মফিজ’ বলো!

মাহবুব কামাল

kolam pen editorilইউনিভার্সিটি জীবনের মধ্যভাগে এক ব্যর্থ প্রেমিক আমাকে শিখিয়েছিল, শেখাতেই বা হবে কেন, নিজ জীবন থেকে প্রাপ্ত আমারও অভিজ্ঞতা তেমনই যে, once a doubt is always a doubt- একবারের সন্দেহ মানে তা সব সময়ের সন্দেহ। সন্দেহ জিনিসটা আসলে ব্লাড প্রেসার বা ডায়াবেটিসের মতো, একবার ধরা পড়লে যতই ওষুধ বা ইনসুলিন প্রয়োগ করা হোক, কন্ট্রোলে হয়তো থাকবে, নিরাময় হবে না। তো আমি সন্দেহ করে আসছিলাম জাসদ ভেঙে যাবে। ’৮০ সালের গোড়ার দিকে জাসদের প্রথম ভাঙন প্রক্রিয়া যখন শেষ হল, ধুপ করে আবারও সন্দেহ জাগল যে, এই ভাঙনের চেইন-ইফেক্ট চলতেই থাকবে এবং তাই এই দলটির সঙ্গে আর ঘর করার কোনো মানে নেই। ফলে কী করি কী করি, সিদ্ধান্ত হয় শিক্ষকতা করব এবং ফার্¯¡ কাম ফার্স্ট সার্ভের ভিত্তিতে যোগ দিই স্কলাসটিকায়। আমার কেবলার পরিবর্তন ঘটে; পরিত্যক্ত ঘোষিত হয় মধুর ক্যান্টিন ও বায়তুল মোকাররমের উল্টোদিকে অবস্থিত জাসদ-অফিস; মুখ করি ধানমণ্ডির দিকে, সেখানে অবস্থান করছে স্কলাসটিকার একমাত্র শাখা।

বিখ্যাত সব লোকদের ছেলেমেয়েরা পড়ছে সেখানে। ছাত্রছাত্রী হিসেবে আমি পেয়ে যাই দিনা, দ্বিতীয় ও বিদিতাকেও। প্রথমজন ড. কামাল হোসেনের মেয়ে, বাকি দু’জন সৈয়দ শামসুল হকের ছেলে ও মেয়ে। এরা তখন পড়ত যথাক্রমে সেভেন, এইট ও নাইনে। এত ছাত্রছাত্রী থাকতে এদের নাম করলাম এ কারণে যে, তখন বন্ধু মহলের একটি বিশেষ অপ্রীতিকর, বেমক্কা প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়েছে আমাকে। প্রশ্নটি- বাঙালি জাতীয়তাবাদের ধারক-বাহকদের সন্তানকে ইংরেজি মিডিয়ামে শিক্ষা দিতে কেমন লাগে তোর? বলাবাহুল্য, এটি ড. কামাল ও সৈয়দ হককে নির্দিষ্ট করে একটি খোঁচাধর্মী প্রশ্ন। নেহায়েত তথ্য জানতে চাওয়া হলে ভিন্ন কথা, কোনো প্রশ্ন বিশ্লেষণ দাবি করলে সেই প্রশ্নের মধ্যে যদি উত্তরের অর্ধেকটা না থাকে, আমি সাধারণত উত্তর দিই না। কারণ অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখেছি, এমন প্রশ্নের উত্তর দিতে হলে উত্তরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যাকরণ শেখাতে হয় প্রশ্নকর্তাকে। মহৎ উদ্দেশ্য থাকলেই মানুষ ধৈর্যের পরিচয় দিয়ে থাকে। রাজনীতি ছেড়ে দেয়ায় আমার সামনে তখন মহৎ বলে কিছু নেই, তাই রাজনীতির সঙ্গে ধৈর্যটাও হারিয়ে ফেলেছিলাম। এমনও নয় যে, আমি ও প্রশ্নকর্তা হাসিনা-খালেদার মতো দুই সাংঘর্ষিক পক্ষ, অন্য পক্ষ একটা কিছু বললে আমাকে oppose করতেই হবে। বন্ধুদের উপরের প্রশ্নটি আমি এড়িয়ে চলতাম তাই। জাতীয়তা কী, ভিন্ন ভাষার সঙ্গে এর কেমিস্ট্রিটাই বা কী- এত লম্বা লেকচার বিনা পয়সায় কী দরকার দেয়ার!

তো হক ভাই সন্তানদের টিউশন ফিস দিতে আসতেন স্কুলে। এমন একবার প্রিন্সিপাল মিসেস ইয়াসমিন মোরশেদের সঙ্গে তার কথা বলা দরকার, কিন্তু তিনি আসবেন ঘণ্টাখানেক পরে। ব্যস, আমি বাগে পেয়ে যাই হক ভাইকে। গেস্টরুমে বসে একথা-সেকথা। ‘নায়ক’ ছবিতে উত্তম কুমার তার বন্ধুকে জিজ্ঞেস করলেন তুই কি পরজন্মে বিশ্বাস করিস? সত্যজিৎ সেই বন্ধুর মুখ দিয়ে বলালেন ‘পরজন্মের সেই আমি যে এই আমিই তা বুঝছি কীভাবে?’ মারভেলাস সংলাপ। হ্যাঁ পরজন্ম যদি থেকেই থাকে, তাতে কী লাভ! এই জন্মের সুখস্মৃতি তো আর থাকছে না তখন। আমার কথা, পরজন্ম যদি পেয়েই যাই, এই জনমের কিছু স্মৃতি যেন থাকে অটুট। এগুলোর একটি স্কলাসটিকায় হক ভাইয়ের সঙ্গে সেই দিনের আলাপ। আরেকটি, ’৯৯ সালে বস্টনের কেমব্রিজ পাবলিক লাইব্রেরির বাংলা বিভাগের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গেস্ট স্পিকার হিসেবে একসঙ্গে বক্তৃতা দেয়ার পর নিউ ইংল্যান্ডের প্রবাসী বাংলাদেশীদের সংগঠন ‘ভিন গোলার্ধ’-এর সংগঠক নাসিম ভাইয়ের বাসায় শহীদ কাদরীর সঙ্গে যে দীর্ঘ আড্ডা মেরেছিলাম, সেটি। আমি আগে ভাবতাম, কবিতা মানে শুধুই ছন্দোবদ্ধ কল্পনা আর কবি মানে সুন্দরতম শব্দের সুন্দরতম বিন্যাস ঘটান যিনি। অথবা ভাবনাটা এমন ছিল যে, একটি বিশুদ্ধ আত্মা এবং শব্দ ও ছন্দজ্ঞান থাকলেই কবি হওয়া যায়। না, এই দু’দিন বুঝেছি কবিতা ও কবি এর অতিরিক্ত অনেক কিছু। দ্বিতীয়ত, জ্ঞানের চেয়ে মানুষের বড় সম্পদ তার কল্পনাশক্তি। বাংলাদেশ ব্যাংকে ফরেন কারেন্সির রিজার্ভ এখন কত? এ দু’জনের কল্পনার রিজার্ভ তার চেয়েও বেশি। সহজে কাউকে শিক্ষিত বলি না আমি। এমন কবিও দেখেছি, যিনি জর্জ ও টিএস- কোনো এলিয়টেরই নাম শোনেননি। হক ভাই ও শহীদ কাদরী শিক্ষিত কবি বটে।

হক ভাইকে একটি মাত্র শব্দ দ্বারা চেনাতে চাই আমি। সেটা বলার আগে একটা লম্বা ঢ়ৎবভধপব লাগবে। রংপুর অঞ্চলের মানুষদের সারল্য কখনও কখনও গ্রাম্যতা, এমনকি অসভ্যতা বলে ভ্রম হয়। তো আমরা যেমন ইউনিভার্সিটি জীবনে মফস্বল থেকে আসা সহপাঠীদের ‘মফু’ কিংবা বিএ পাস করে প্রিলিমিনারিতে ভর্তি হওয়া ছাত্রছাত্রীকে ‘পিলু’ ডাকতাম, ঠিক তেমন রংপুরের লোকদের ‘গ্রাম্যতা’ ব্যঙ্গ করতে একটি নামের প্রচলন ঘটেছে চতুর্দিক। নামটি হল ‘মফিজ’। এ নামের ব্যুৎপত্তিটা এমন : একবার এক বাসযাত্রীর প্রাকৃতিক চাপ উঠল, রংপুরের লোক তিনি। ড্রাইভার কী আর করে, বাস থামিয়ে তাকে কর্মটি সারতে সুযোগ দেয়। তো সেই লোক সেই যে ঝোপ-ঝাড়ের আড়াল হয়েছে, আর ফেরার নাম নেই। ড্রাইভার, সুপারভাইজার বিরক্ত, লোকটির নামও জানে না তারা। এক পর্যায়ে সুপারভাইজার নিজে থেকেই একটি নাম বানিয়ে হাঁক ছাড়ে- ওই মফিজ, গাড়ি ছাইড়া দিলাম কিন্তু। সেই থেকে রংপুরের লোক হয়ে গেল মফিজ!

‘মফু’, ‘পিলু’, ‘মফিজ’- এসব দ্বারা যা বোঝাতে চাওয়া হয়, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সেই চেষ্টা পরিহাস মাত্র। যেমন সাংবাদিক বন্ধু বিভুরঞ্জন সরকারের এক ভাতিজা এসএসসি পাসের পর পঞ্চগড়ের ঘোর গ্রাম থেকে ঢাকায় এসে নটর ডেম, বুয়েট পেরিয়ে নাসা পর্যন্ত গিয়ে হাজির; সে হিসেবে ঢাকায় জন্ম নিয়েছি বলে আমার তো নাসার মঙ্গলগ্রহ মিশনের প্রজেক্ট ডিরেক্টর থাকার কথা।

তো হক ভাই রংপুরের লোক, আমিও। কাক উড়ে গেলে আমার বাড়ি থেকে তার বাড়ির দূরত্ব খুব বেশি নয়, নদী-নালার কারণে ঘুরে যেতে হয় বলে সময় লাগে অনেক। হ্যাঁ যা বলতে চেয়েছিলাম, রংপুরবাসীকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করাটা যখন একটা মানসিক রোগের আকার নিল, তখন সাপ্তাহিক মৃদুভাষণের একটি কলামে লিখেছিলাম- ‘কারে তুমি মফিজ বলো? সৈয়দ হককেও?’ তার পরিচয়টা এবার এক শব্দেই দিই- না, তিনি রংপুরিয়া নন, ঢাকাইয়াও নন, নন তিনি ওরিয়েন্টাল অথবা অকসিডেন্টাল, তিনি আসলে কসমোপলিটান। একবার বলেওছিলেন- সাহিত্যে আমি কারও প্রতিদ্বন্দ্বী নই, আমার প্রতিপক্ষ যদি কেউ থাকে, সে মহাকাল।

হক ভাইয়ের সাহিত্যকর্ম নিয়ে কোনো কথাই হবে না। আমার মনস্তত্ত্বটা হল, সবটুকু যখন নয়, কোনোটুকুও নয়। এই কলাম আর চার-পাঁচশ’ শব্দে শেষ করতে হবে। এই সীমার মধ্যে যদি কিছু লিখি, পাঠক হয়তো ভাববেন- হক সাহেব তাহলে এতটুকুই! তাছাড়া, আমার কিছু রিজার্ভেশনও আছে, সেগুলো শুনতে ভালো লাগবে না। তারচেয়ে বরং তিনি সাহিত্যকর্মে কেন, কীভাবে উদ্বুদ্ধ হলেন, সেই ইন্টারেস্টিং আখ্যানটাই বলি। তার মুখ থেকেই শোনা, কোথাও লিখেছেন কিনা পড়িনি। এক ভূমিহীন হতদরিদ্র লোক হক ভাইদের বাড়িতে কাজ করতেন, স্থায়ী চাকরি। জমি-জমা দেখভালের কাজ। ছেলেবেলায় হক ভাই খেয়াল করতেন, ওই লোক তার বাবার কাছে মিথ্যা কথা এত গুছিয়ে বলতেন যে সেটা বিশ্বাসযোগ্য হয়ে উঠত। শিল্পিত মিথ্যা যাকে বলে। প্রেমও অবশ্য এক ধরনের শিল্পিত মিথ্যা। তো হক ভাইয়ের রিফ্লেকশন হল, আরে মিথ্যা কথা এত সুন্দরভাবে বলা যায়! তো এই শিল্প তিনি কার সঙ্গে চর্চা করবেন? আশপাশে তো কেউ নেই। এই হয়ে উঠলেন তিনি কথাশিল্পী, কবি। এ দেশের রাজনীতিকরা অহরহই মিথ্যা বলেন। আমি বলি কী, মিথ্যা যদি বলতেই হয়, একটু শিল্প মিশিয়ে বললে কী হয়! তাতে নাগরিকদের জীবন এতটা বিষিয়ে উঠত না।

আওয়ামী লীগেরটা জানি, হক ভাই সম্পর্কে বিএনপির মূল্যায়ন কী, তা বোঝার জন্য তেমন এক বন্ধুকে টেলিফোনে বলেছিলাম- চল্ সৈয়দ হকের নাগরিক স্মরণসভায় যাই। সে বলল, যাবে না, কারণ হক ভাইয়ের ব্যাপারে তার অনুভূতি নাকি মিশ্র! এই মিশ্রণের নেগেটিভ উপাদান কী আমি জানি; তবে সে জানে না রবীন্দ্রনাথও মুসোলিনির আতিথ্য গ্রহণ করেছিলেন বলে তাকে সহ্য করতে হয়েছিল নিন্দা। জানবে কীভাবে, তার তো জিয়ার ইতিহাসটুকু জানাই যথেষ্ট। এই বন্ধুটি আমার নিঃসন্দেহে ক্ষুদ্রত্ববাদী। এই শ্রেণীর লোক মানবদেহের সবচেয়ে অবিন্যস্ত জায়গা পায়ের কোনার আঙুল ও সেই নখের দিকে তাকায় প্রথম। এদের কাছে গোসলের আগের স্ত্রীই সুন্দর, গোসলের পরের সৌন্দর্যের দিকে এরা ফিরেও তাকায় না। বন্ধু, তুই কি পড়ছিস এই লেখা? কী আর করবি, সাংবাদিকের যে বন্ধু থাকতে নেই।

অফিস ফাঁকি দিয়ে শোকসভায় তো গেলাম; কিন্তু বিএনপি নেই মানলাম, আওয়ামী লীগ কই? তবে যে এতদিন শুনে এলাম সৈয়দ হক এদেশের অসাম্প্রদায়িক আন্দোলনের স্টিয়ারিং ধরে রাখা গুটিকয়েকের একজন! তবে কি কাজ শেষ হয়ে গেছে বলে পাষাণের বুকে লিখে রেখেছি তার নাম?

২.

কারও পক্ষে ওকালতি নয়, নোবেল পুরস্কার নিয়ে কিছু কথা আছে আমার। ’৯৯ সালে বেলফাস্টে ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গে আইরিশদের একটি চুক্তি হল যখন, তখন আমি শহরটির কাছাকাছি অবস্থান করছিলাম। ’৯৫ সালে নোবেল পাওয়া আইরিশ কবি সীমাস হিনি তখন আইরিশদের দীর্ঘ সংগ্রামের ওপর ভিত্তি করে তাৎক্ষণিকভাবে একটি কবিতা লিখেছিলেন, যা ইংল্যান্ডের পত্রপত্রিকায় ছাপা হয়েছিল। পড়ে দেখলাম, এর চেয়ে ভালো দেশপ্রেমমূলক কবিতা বাংলাসাহিত্যে প্রচুর লেখা হয়েছে। ভাবলাম, তাৎক্ষণিক রচনা, তাই এত ঘাটতি। এরপর উৎসাহী হয়ে তার আরও কিছু কবিতা পড়ার পর একটাই প্রশ্ন জাগল- আচ্ছা, নোবেলটা আসলে কী? হ্যাঁ প্রশ্ন তো বটেই, রবীন্দ্র-উত্তর তিন বন্দ্যোপাধ্যায়-মানিক, বিভূতি ও তারাশংকর- এদের একজনও কি নোবেল পাওয়ার উপযুক্ত ছিলেন না? মানিকের কথা বাদ দিলাম, পুঁজিবাদের ক্রিটিক হলে নোবেল না পাওয়ারই কথা; কিন্তু বিভূতি তো পুঁজিবাদের গায়ে ফুলের টোকাটাও দেননি। তবে কি এটা অনুবাদের সমস্যা? ইয়েটস যেমন পরম মমতায় অনুবাদ করেছিলেন রবীন্দ্রনাথের ‘গীতাঞ্জলি’, তেমনটা ঘটেনি তিন বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাহিত্যকর্মের ক্ষেত্রে, তাই? অথবা এমন কি যে, বাংলাসাহিত্যের অনুবাদ করা এত সহজ নয়? হবে হয়তো। ‘লক্ষ্মী’র অনুবাদ darling হয় না, অথবা ‘মন যে কেমন করে’- এর অনুবাদ my heart bleeds হয় কি? ‘পরানের গহীন ভিতর’-এর অনুবাদ যদি করা হয় deepest corner of the heart, তা কি যতটা গভীরের কথা বলা হচ্ছে, সেখানে পৌঁছানো যাবে? অনুবাদ অনেকটা কাচের এপাশ থেকে একটি সৌন্দর্যকে দেখার মতো, কিছুটা ঝাপসা থেকেই যাবে।

সব ভাষার সাহিত্য অনূদিত হয়ে নোবেল পাচ্ছে দুমদাম। বাংলা পারছে না। তবে কি উপসংহারই টানব যে, বাংলা অনুবাদ-অযোগ্য একটি ভাষা, যেমন অনুবাদ করা যায় না ফুঁপিয়ে কেঁদে ওঠা অভিমানী বাঙালি কিশোরীটিকে। অথবা প্রমিত ভাষা এড়িয়ে যাওয়া এক অনন্য কমিউনিকেটিভ যে সংলাপ- জাগো বাহে কোনঠে সবাই-তারই বা অনুবাদ কী? কোন্ সেই ইংরেজি অনুবাদক, এই সংলাপ রংপুরের লোক হিসেবে আমাকে যেভাবে ছুঁয়ে যায়, তাকেও সেভাবে পারে?

লেখক : সাংবাদিক

mahbubkamal@08 yahoo.com

দৈনিক যুগান্তর হতে সংগৃহিত

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful