Templates by BIGtheme NET
আজ- মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২০ :: ৫ কার্তিক ১৪২৭ :: সময়- ৮ : ২০ অপরাহ্ন
Home / টপ নিউজ / নীলফামারীতে প্রেমিকা হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটিত; ঘটনার নায়ক কলেজ শিক্ষক গ্রেপ্তার

নীলফামারীতে প্রেমিকা হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটিত; ঘটনার নায়ক কলেজ শিক্ষক গ্রেপ্তার

1.Photo Nilphamari 29.06.2013ইনজামাম-উল-হক নির্ণয়,নীলফামারী ২৯ জুন॥ মোবাইল ফোনে গড়ে উঠা প্রেমে নীলফামারীতে প্রেমিকা হত্যাকাণ্ডের ঘটনার ৮মাস ২০দিন পর রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে পুলিশ প্রেমিকা হত্যাকাণ্ডের নায়ক কুড়িগ্রাম জেলার রাজার হাট মেটলী গ্রামের কলেজ শিক্ষক মিজানুর রহমানকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে। গ্রেফতারকৃত মিজানুর রহমান(৩৩) অকপটে নিজের অপরাধের কথা শুক্রবার সন্ধ্যায় নীলফামারী আমলী আদালত ২ এর বিচারক অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শাহাদৎ হোসেনের কাছে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি দিয়েছে বলে পুলিশ জানায়। তাকে শনিবার জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

নীলফামারী পুলিশ সুপার আলমগীর রহমান জানান গত বছরের ৮ ডিসেম্বর জেলার কিশোরীগঞ্জ উপজেলার মাগুড়া ইউনিয়নের শাহাপাড়ার তিস্তা সেচ ক্যানেলের পাশ থেকে এক অজ্ঞাত যুবতীর লাশ উদ্ধার করে কিশোরীগঞ্জ থানা পুলিশ।
পড়ে নিহত যুবতীর পরিচয় মিললে তার মোবাইল নম্বরের মাধ্যমে ঘটনার নায়ককে সন্ধান অভিযান শুরু করা হয়। সেই অনুযায়ী ২৭ জুন রাতে ঘটনার নায়ক কুড়িগ্রাম জেলার খলিলগঞ্জ স্কুল এন্ড কলেজের মনোবিজ্ঞানের প্রভাষক মিজানুর রহমানকে তার মেটলী গ্রামের বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। মিজানুর ওই গ্রামের আনছার আলী ও রেজিয়া বেগমের ছেলে। গ্রেপ্তার হওয়ার পর সে পুলিশের কাছে তার দোষ স্বীকার করায় তার জবানবন্দি গ্রহনের জন্য আদালতে প্রেরণ করা হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কিশোরীগঞ্জ থানার এস আই মশিউর রহমান জানান, গত বছরের ৭ ডিসেম্বর রাতে ওই হত্যাকান্ডটি ঘটে। ৮ ডিসেম্বর সকালে ওই যুবতীর লাশ উদ্ধার করে অজ্ঞাত পরিচয়ে তার ময়না তদন্ত করা হয়। পরে তার পরিচয় জানা যায়। নিহত যুবতীর নাম ফাতেমা বেগম ওরফে নিলুফা । সে দিনাজপুর জেলার চিরির বন্দর উপজেলার আলোকদীঘি ইউনিয়নের গুড়িয়া পাড়ার তাজির উদ্দিনের মেয়ে।
এ ঘটনায় ওই বছরের ৮ ডিসেম্বর কিশোরীগঞ্জ থানার এসআই শাহজালাল বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঘটনার ৮ মাস ২০ দিন পর কলেজ শিক্ষক মিজানুর কে গ্রেপ্তারের পর শুক্রবার সন্ধ্যায় নীলফামারী অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে জবানবন্দি নেওয়া হয়। মিজানুর রহমান স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলেও জানান তিনি ।

প্রেমিক কলেজ শিক্ষক মিজানুর সাংবাদিকদের বলেন, আমি এক সময় ইসলামিক রিলিফ নামে একটি সংস্থায় চাকুরী করতাম। চাকুরীর সুবাদে হেফাজুল নামে একজনের সাথে আমার পরিচয় হয়। ওই হেপাজুলের মাধ্যমে ২০১০ সালে মোবাইলে মেয়েটির সাথে তার সম্পর্ক হয়।২০১২ সালের প্রথম দিকে আমি নিজ গ্রামের কলেজে শিক্ষক হিসাবে চাকুরী পাই। মোবাইলের মাধ্যমে মেয়েটির সাথে সর্ম্পক হলেও কেউ কাউকে কোন দিন দেখিনি। এমনি কি কার কোথায় অবস্থান তাও গোপনে ছিল। একদিন আমার গ্রামের কাঠালবাড়ি বাজারে বন্ধু রফিকুলের দোকানে আমার মোবাইল ফোনটি চার্জে দেই। এ সময় মেয়েটি ফোন করলে বন্ধু রফিকুল রিসিভ করে। তার কাছে আমার ঠিকানা পেয়ে মেয়েটি ২০১২ সালের ৭ ডিসেম্বর সকালে কুড়িগ্রামে তার গ্রামে চলে আসে। সেই প্রথম মেয়েটির সাথে আমার সামনা সামনি দেখা হয়। আমি মেয়েটিকে তার বাড়ি ফিরে যাওয়ার জন্য অনেক চেষ্টা করি। কিন্তু মেয়েটি কোনভাবেই আমাকে ছাড়ছিলনা। তাকে তার বাড়িতে ফেরৎ পাঠানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে মটরসাইকেলে করে রংপুরের ভিন্ন জগতে নিয়ে যাই। সেখানে প্রায় আধা ঘন্টা ধরে তাকে বোঝানোর চেষ্টা করি। তাতেও রাজি না হলে তাকে নিয়ে তার বাড়ির উদ্যেশে রওয়ানা দেই। এরই মধ্যে তাকে কয়েক দফা বাসে তুলে দেয়ার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হই। সৈয়দপুরের কাছাকাছি পৌছলে সে কান্না শুরু করে।এর পর সেখান থেকে তাকে আবারো ভিন্ন জগতের পাশ দিয়ে নীলফামারীর কিশোরীগঞ্জ তিস্তা সেচ খালের দিকে নিয়ে আসি। তখন বেশ রাত হয়ে যায়। নির্জন এলাকা পেয়ে আমি তাকে ধাক্কা দিয়ে খালের পারে ফেলে দিয়ে গলা টিপে হত্যা করে লাশ ফেলে আমি পালিয়ে যাই। মিজানুর বলেন এ ঘটনার পর থেকে আমি রাতে ঘুমাতে পারতাম না।

Social Media Sharing

ăn dặm kiểu NhậtResponsive WordPress Themenhà cấp 4 nông thônthời trang trẻ emgiày cao gótshop giày nữdownload wordpress pluginsmẫu biệt thự đẹpepichouseáo sơ mi nữhouse beautiful